এনবিএস ওয়েবডেস্ক | প্রকাশিত: ১৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২৩, ০৩:০২ পিএম
চীনেকে মোকাবিলায় আইটিবিপি’তে আরও ৯ হাজার ৪শ’ সদস্যের অনুমোদন
লাদাখ ও তিব্বত সীমান্তে চীনের সঙ্গে ভারতের উত্তেজনা আর প্রশমিত হচ্ছে না। চীন যখন সীমান্তে সৈন্য সমাবেশ ঘটায় তখন ভারতও তাতে সাড়া দেয়। দুই দেশের সেনাদের মধ্যে কখনো গোলাগুলি, কখনো হাতাহাতিও হয়েছে। তবে কখনো যুদ্ধ বাধেনি। ২০২০ সাল থেকেই এমন পরিস্থিতি বিরাজ করছে দুই দেশের মধ্যে।
দি ওয়ালের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভারত-চীন সীমান্তে ইন্দো-তিব্বত সীমান্ত পুলিশের জন্য একটি নতুন অপারেশনাল ঘাঁটি এবং সাতটি নতুন সীমান্ত ব্যাটালিয়ন তৈরির জন্য ৯৪০০ সদস্য নিয়োগের অনুমোদন দিয়েছে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার।
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সভাপতিত্বে নিরাপত্তা সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের এই প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়। কেন্দ্রীয় তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুর মন্ত্রিসভার বৈঠকের পর গণমাধ্যমকে এই সিদ্ধান্তের কথা জানান।
আইটিবিপি-তে বর্তমানে প্রায় ৯০ হাজার সদস্য রয়েছে। ১৯৬২ সালে চীনের আক্রমণের পর এই বাহিনী তৈরি করা হয়। দেশের উত্তর-পূর্ব দিকে চীনের সঙ্গে ৩৪৮৮ কিলোমিটার দীর্ঘ প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা পাহারা দেওয়ার দায়িত্বে রয়েছে এই বাহিনী।
২০২০ থেকে চীনের সঙ্গে নতুন করে সীমান্ত সংঘাত শুরু হয় ভারতের। সেনা মোতায়েন করে পরিস্থিতি সামাল দেওয়া হয়। এই প্রেক্ষাপটে আইটিবিপির শক্তি বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। সীমান্তে স্থায়ী নজরদারি জোরদার করছে ভারত।
সরকারি সূত্রে বলা হয়েছে, সীমান্ত চৌকি তৈরির জন্য জমি অধিগ্রহণ এবং অফিস ও আবাসিক ভবন তৈরি এবং অস্ত্র ও গোলাবারুদের জন্য ১৮০৮ কোটি রুপি বরাদ্দ করা হয়েছে। প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ৪৭টি সীমান্ত চৌকি তৈরির ফলে আইটিবিপি’র ক্ষমতা ২৬ শতাংশ বাড়বে।
এনবিএস/ওডে/সি