এনবিএস ওয়েবডেস্ক | প্রকাশিত: ১৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২৩, ০৬:০২ পিএম
কিয়েভ সফরে ইসরায়েলি পররাষ্ট্রমন্ত্রী
ইসরায়েলি পররাষ্ট্রমন্ত্রী এলি কোহেন ১৬ ফেব্রুয়ারি টুইটারে লিখেছেন, তিনি কিয়েভ পৌঁছে গেছেন। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি এবং ইউক্রেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী দিমিত্র কুলেবার সঙ্গে সাক্ষাৎ করার পরিকল্পনা আছে তার। তিনি কিয়েভ সফরে সেখানে ইসরায়েলি দূতাবাস পুনরায় খোলার জন্য। কোহেনের এটাই হলো প্রথম কিয়েভ সফর এবং যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর কোনো ইসরায়েলি মন্ত্রীরও।
ইসরায়েলি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে এলি কোহেনের এই সফর নিশ্চিত করা হয়েছে। বিবৃতিতে বলা হয়, ‘গত বছর ইসরায়েল ইউক্রেন ও তার জনগণের পাশে দাঁড়িয়েছে। আজ এখানে বন্ধ থাকা দূতাবাসটি খুলে দিয়ে দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক জোরদারের কার্যক্রম অব্যাহত রাখার জন্য দূতাবাসটি আবার খুলে দেওয়া হচ্ছে।’
ইউক্রেনের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ওলেকসি রেজনিক ৫ ফেব্রুয়ারি বলেছেন, ইউক্রেনকে ইসরায়েল প্রতিশ্রুতি দিয়েছে যে, তারা ক্ষেপনাস্ত্র ও ড্রোন এলার্ট সিস্টেম সরবরাহ করবে।
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু সিএনএনকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বলেছেন, তারা ইউক্রেনকে সামরিক সহায়তা প্রদান ছাড়াও আকাশ প্রতিরক্ষার জন্য আয়রন ডোম সরবরাহ করার বিষয়টি বিবেচনা করছেন।
২০২২ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে ইউক্রেনে পূর্ণোদ্যেমে রাশিয়ার হামলা শুরু হওয়ার পর ইসরায়েল মানবিক সহায়তা সরবরাহ করেছে কিয়েভকে। যাহোক, রাশিয়ার সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখার জন্য ইউক্রেনকে অস্ত্র দেওয়ার বিষয়টি নাকচ করার পর ইসরায়েল সরকার রোষানলে পড়ে। এমন কি দুই দেশের জনগণের মধ্যে দুই দেশে যাওয়া-আসা নিয়ে ভিসা সংক্রান্ত কোনো বিধিনিষেধ না থাকা সত্ত্বেও যুদ্ধকালীন ইউক্রেনীয়দের ইসরায়েল সফর বাতিল করে দেয়।
ইতোমধ্যে ইসরায়েল ও রাশিয়ার মধ্যে সম্পর্কের অবনতি হয়েছে। ক্রেমলিন এমন একটি প্রতিষ্ঠানের উপর ঝাঁপিয়ে পড়েছে, যেটি ইহুদীবাদীদের ইসরায়েল সফরে সহায়তা প্রদান করে থাকে। গত ২৮ ও ২৯ জানুয়ারি ইরানের সেনা স্থাপনায় অদৃশ্য হামলা হয়। ইরান রাশিয়ার অকৃত্রিম বন্ধু। পশ্চিমা গণমাধ্যমগুলো বলেছে, এই হামলা সংগঠন করে ইসরায়েল। কিন্তু ইসরায়েল এ ব্যাপারে কোনো মন্তব্য করেনি।
এনবিএস/ওডে/সি