ঢাকা, মঙ্গলবার, জুলাই ১৪, ২০২৬ | ২৯ আষাঢ় ১৪৩৩
Logo
logo

রুশ ক্ষেপনাস্ত্র হামলার মুখে বাখমুতের পতন হবে এপ্রিলেই


এনবিএস ওয়েবডেস্ক  | প্রকাশিত:  ১৭ ফেব্রুয়ারী, ২০২৩, ০৩:০২ পিএম

রুশ ক্ষেপনাস্ত্র হামলার মুখে বাখমুতের পতন হবে এপ্রিলেই

 রুশ ক্ষেপনাস্ত্র হামলার মুখে বাখমুতের পতন হবে এপ্রিলেই

কিয়েভ অভিযোগ করেছে, রাশিয়া বৃহস্পতিবার বিরামহীন ক্ষেপনাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইউক্রেনে। এ সময় একটি বড় ধরনের তেল শোধানাগারে আঘাত হেনেছে। ওয়াগনার ভাড়াটে গ্রুপের প্রধান বলেছেন, আগামী দুই এক মাসের মধ্যেই বাখমুতের পতন ঘটবে।

ইউক্রেনের বিমান বাহিনী বলেছে, বৃহস্পতিবার সকালেই ৩৬টি ক্ষেপনাস্ত্র ছুঁড়েছে রাশিয়া। যুদ্ধক্ষেত্রে ইউক্রেনকে মোকাবিলা বা কূটনৈতিক তৎপরতার মধ্যেই রাশিয়া ভারী ক্ষেপনাস্ত্র হামলা বাড়িয়ে দিয়েছে। ক্ষেপনাস্ত্র হামলার কারণে সারাক্ষণই আকাশ হামলার সাইরেন বাজছে এবং ক্রেমেনচুকের শোধনাগারে আঘাত হেনেছে ক্ষেপনাস্ত্র। বিমান বাহিনী বলেছে, ১৬টি ক্ষেপনাস্ত্র ভূপাতিত করা হয়েছে।

প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক টুইটে বলা হয়েছে, ক্ষেপনাস্ত্রগুলো বেসামরিক অবকাঠামোর ব্যাপক ক্ষতি করেছে। ইউক্রেন বলেছে, তিনটি কেএইচ-৩১ ক্ষেপনাস্ত্র এবং অনীকস এ্যান্টি-শিপ ক্রুজ ক্ষেপনাস্ত্র ভূপাতিত করা যায়নি।

অন্যদিকে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বিবিসিকে বলেছেন, রাশিয়ার সঙ্গে সম্ভাব্য শান্তিচুক্তির আওতায় তিনি নিজের দেশের কোনো অঞ্চল ছেড়ে দেবেন না।

ইউক্রেনে রাশিয়ার হামলার এক বছর পূর্তি হবে ২৪ ফেব্রুয়ারি। এই পূর্তি উপলক্ষে জেলেনস্কি বিবিসিকে এসব কথা বলেন। তিনি সতর্কতা জারি করে বলেন, রাশিয়াকে কোনো অঞ্চল ছেড়ে দেওয়া মানে দেশটিকে আবার ফিরে আসার সুযোগ দেওয়া।

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট আরও বলেন, এটা আপসের কথা নয়। আমরা কেন আপস করতে ভয় পাব? প্রতিদিনের জীবনে আমাদের অনেক আপস করে চলতে হয়। প্রশ্নটা হলো, আপসটা কাদের সঙ্গে? পুতিনের সঙ্গে? না। কারণ, সেখানে বিশ্বাস নেই। পুতিনের সঙ্গে আলোচনা? না। কারণ, বিশ্বাস নেই।’

দি ওয়ালের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বুধবার কিয়েভের আকাশে অসংখ্য বেলুন দেখা যায়। বাজতে থাকে সাইরেন। রাশিয়া বিমান হামলা করতে পারে ভেবে সতর্ক হয় ইউক্রেনের বিমান বাহিনীও। আকাশপথে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা হলে তার প্রতিরোধী ব্যবস্থাকেও প্রস্তুত করে রাখা হয়।

ইউক্রেনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, কিয়েভের আকাশে ৬টি গুপ্তচর বেলুনকে গুলি করে নামানো হয়েছে। মূলত ডনবাস এলাকাতেই সবচেয়ে বেশি গুপ্তচর বেলুনের আনাগোনা শুরু হয়েছে। এই এলাকা দখলের জন্য প্রথম থেকেই মরিয়া রুশ সেনা। তবে ইউক্রেনীয় বাহিনীর প্রত্যাঘাতে পিছু হঠতে হচ্ছে তাদের।

এনবিএস/ওডে/সি