ঢাকা, বুধবার, জুলাই ১৫, ২০২৬ | ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩
Logo
logo

কাবার আদলে সৌদির রিয়াদে বিলাশবহুল ভবন নির্মাণের পরিকল্পনা


এনবিএস ওয়েবডেস্ক  | প্রকাশিত:  ২১ ফেব্রুয়ারী, ২০২৩, ০৩:০২ পিএম

কাবার আদলে সৌদির রিয়াদে বিলাশবহুল ভবন নির্মাণের পরিকল্পনা

 কাবার আদলে সৌদির রিয়াদে বিলাশবহুল ভবন নির্মাণের পরিকল্পনা

সৌদির রাজধানী রিয়াদে মুরাব্বা নামের প্রতিষ্ঠানটি বিশ্বের সর্ববৃহৎ আধুনিক সুবিধাসম্বলিত একটি স্থাপনা প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নিয়েছে। প্রস্তাবিত এই স্থাপনাটির নাম রাখা হয়েছে ‘মুকাব’। চারকোণা এই ভবনটি দৈর্ঘ্যে ও প্রস্থে  ৪০০ মিটার হবে। বলা হচ্ছে, এ ভবনটি হতে যাচ্ছে দেশটিতে এ যাবতকালে নির্মিত সব স্থাপনার চেয়ে আলাদা।

স্থাপত্যশৈলীর দিকে থেকে এটি দেশটির প্রাচীন নাজদী স্থাপত্যকলার অনুকরণে ডিজিটাল ও ভার্চুয়াল প্রযুক্তির সমন্বয়ে নির্মিত হবে।

‘মুকাব’ নামে এই ভবনটিতে সাইকেল চালানো ও হাঁটার জন্য পর্যাপ্ত রাস্তা রয়েছে। আধুনিক এই শহরটি রিয়াদের উত্তর পশ্চিমাঞ্চলের কিং সালমান ও কিং খালিদ মহাসড়কের পাশে অবস্থিত হবে। ২৫ মিলিয়ন বর্গমিটার আয়তনের এই ভবনটিতে থাকবে ১ লাখ ৪ হাজার আবাসিক ভবন, ৯ হাজার হোটেল, ৯ লাখ ৮০ হাজার বর্গমিটার দোকান, ১.৪ মিলিয়ন বর্গ মিটার অফিস স্পেস, ৬ লাখ ২০ হাজার বর্গমিটার অবকাশকালীন ছুটি কাটানোর স্থানসহ ১.৮ মিলিয়ন বর্গমিটারের অন্যান্য নাগরিক সুযোগ সুবিধার ব্যবস্থা। স্থাপনাটিতে যাদুঘর ও বিশ্ববিদ্যালয়ও রয়েছে।

এটি নির্মাণ হলে ৩ লাখ ৩৪ হাজারেরেও বেশি লোকের কর্মসংস্থানের সৃষ্টি হবে বলে জানিয়েছে সৌদি সরকার। আর নির্মাণ ব্যা ধরা হয়েছে ১৮০ বিলিয়ন সৌদি রিয়াল।

নিউইয়র্ক ও আরব মধ্যপ্রাচ্য বিষয়ক ইনস্টিটিটিউট ও কলম্বিয়া বিশবিদ্যালয়ের প্রফেসর ইয়াসির ইলস হিসতাওয়ি বলেন, এটি নির্মাণ হলে আইফেল টাওয়ার বা সিডনি অপেরা হাউজের মত বিস্বের দরবারে একটি একক স্থাপত্যশৈলী ভবন হিসেবে স্থান পাবে।

চলতি মাসের ১৬ তারিখে সৌদি রাজ সরকারের পাবলিক ইনভেস্টমেন্ট ফান্ড ও এনএমডিসি এই ঘোষণাটি দেয়। দেশটির স্থানীয় শিল্প প্রতিষ্ঠান, আবাসন খাত সহ নানা রকমের বেসরকারি পর্যায়ের স্থাপনা নির্মাণে এ দপ্তর সহযোগিতা করে থাকে।

যুবরাজ সালমানের নেওয়া মেগা ও গিগা প্রকল্পের আওতায়- নিওম, রেড সী গ্লোবাল, দিরিয়া গেইট, কুইদ্দিয়া, আসির ও আমালার মতই মুরাব্বাও মূলত দেশটিকে বিশ্বের পর্যটকদের কাছে আকর্ষণীয়ভাবে ভাবে উপস্থাপন করতেই হাতে নেওয়া হয়েছে।

২০৩০ সালের মধ্যে এর নির্মাণ কাজ শেষ  হবে বলে আশা করছেন  রিয়াদের রয়েল কমিশনের প্রধান নির্বাহী ফাদ আল-রাশীদ।  

তবে ভবনটিকে ঘিরে  সৃষ্টি হয়েছে বিতর্কের। অনেকেরই ধারণা এটি দেখতে অনেকটাই পবিত্র কাবা শরীফের মতো। এরইমধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ নিয়ে  ক্ষোভও জানিয়েছেন অনেকেই। তারা নকশা পরিবর্তনের দাবিও জানান।

পিআইএফ জানিয়েছে, কিং খালিদ আন্তরজাতিক বিমানবন্দর হতে গাড়ীযোগে ২০ মিনিট ও  হাঁটার রাস্তায় মাত্র ১৫ মিনিট সময় লাগবে মুকাবে পৌঁছাতে।

এনবিএস/ওডে/সি