ইতিহাসের দশম সর্বনিম্ন ওয়ানডে স্কোর এখন শ্রীলঙ্কার
শ্রীলঙ্কার ওয়ানডে ইতিহাসে দ্বিতীয় সর্বনিম্ন রান হলো রোববারের এশিয়া কাপের ফাইনালে। যেখানে ভারতের বিপক্ষে স্বাগতিক লঙ্কানরা ১৫.২ ওভারে মাত্র ৫০ রানে অলআউট হয়। এর আগে, শ্রীলঙ্কার সর্বনিম্ন সংগ্রহ ছিল ৪৩ রান।
২০১২ সালের ১১ জানুয়ারি স্বাগতিক দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে পার্ল স্টেডিয়ামে দ্বিপাক্ষিক ওয়ানডে সিরিজের প্রথম ম্যাচে শ্রীলঙ্কা ২০.১ ওভারে ৪৩ রান করেছিল। প্রোটিয়া দলের মর্নে মরকেল ১০ রানে ৪টি এবং সোতসোবে ১৯ রানে ৩টি উইকেট লাভ করেন। ম্যাচে প্রথমে ব্যাট করে দক্ষিণ আফ্রিকা হাশিম আমলার (১১২) সেঞ্চুরিতে ৮ উইকেটে ৩০১ রান করে এবং শেষ পর্যন্ত ২৫৮ রানের বিশাল জয় পায়।
অবশ্য ওয়ানডের ইতিহাসে সর্বনিম্ন রান জিম্বাবুয়ে ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের। জিম্বাবুয়ে ২০০৪ সালে শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে মাত্র ৩৫ রানে অলআউট হয়। যুক্তরাষ্ট্র ২০২০ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি নেপালের সঙ্গে ৩৫ রানে সব উইকেট হারায়। এছাড়া, ২০০৩ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারি কানাডা ৩৬ রান করে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে, ২০০১ সালের ৮ ডিসেম্বর শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে জিম্বাবুয়ে ৩৮ রান করে, ১৯৯৩ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি কেপটাউনে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে পাকিস্তান ৪৩ রানে অলআউট হয়ে যায়, জিম্বাবুয়ে ২০০৯ সালের ৩ নভেম্বর বাংলাদেশের বিপক্ষে ৪৪ রানে ইনিংস শেষ করে, ১৯৭৯ সালের ১৩ জুন ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে কানাডা ৪৫ রানে সব উইকেট হারায় এবং নামিবিয়া ২০০৩ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে ৪৫ রানে অলআউট হয়।
শ্রীলঙ্কার রোববারের ৫০ রান ওয়ানডে ইতিহাসের দশম সর্বনিম্ন দলীয় সংগ্রহ। এছাড়া, ভারত ২০০০ সালের ২৯ অক্টোবর শ্রীলঙ্কার সঙ্গে ৫৪, ওয়েস্ট ইন্ডিজ ২০০৪ সালের ২৫ জানুয়ারি দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে ৫৪, শ্রীলঙ্কা ১৯৮৬ সালের ৩ ডিসেম্বর ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ৫৫ রানে অলআউট হয়।
[৬] ইতিহাসের পঞ্চদশ সর্বনিম্ন রান বাংলাদেশের। তারা ২০১১ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের সঙ্গে এবং ২০১৪ সালে ভারতের বিরুদ্ধে সমান ৫৮ রান করে।সূত্র: ওয়ান ইন্ডিয়া বাংলা
এনবিএস/ওডে/সি