দেড় দশক পর বাংলাদেশের মাটিতে ওয়ানডে সিরিজ জিতলো নিউজিল্যান্ড
বিশ্বকাপের আগে নিজেদের শেষ প্রস্তুতি সারতে ঘরের মাঠে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজের আয়োজন করেছিলো বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। তবে নিজের আত্মবিশ্বাস বাঁড়ানোর সিরিজে শুধু মাত্র ব্যর্থ নিয়ে বিশ্বকাপের বিমানে উঠতে হচ্ছে বাংলাদেশ দলকে। অপরদিকে, ২-০ ব্যবধানে সিরিজ জয়ের মনোবল চাঙ্গা করে বিশ্বকাপের বিমানে উঠবেন বোল্ট-ফার্গুসনরা।
সিরিজের প্রথম ম্যাচ বৃষ্টিতে ভেসে গেলেও দ্বিতীয় ম্যাচে টাইগারদের ৮৬ রানে হারিয়ে ১-০ তে এগিয়েছিলো কিউইরা। মঙ্গলবার সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ম্যাচে মুখোমুখি হয় দুই দল। এদিন মিরপুরে টস জিতে ব্যাটিংয়ের নেমে ১৫ ওভার হাতে থাকতেই ১৭১ রানে অলআউট হয় টাইগাররা। জবাবে ব্যাটিংয়ে নেমে সাত উইকেটের বড় জয় পায় কিউইরা।
জবাবে ব্যাটিংয়ে নেমে দ্রুত রান তুলতে থাকেন দুই কিউই ওপেনার অ্যালেন ফিন ও উইল ইয়ং। তবে ১০তম ওভারে ২৬ বলে ২৮ রানে ফিন অ্যালেনকে, পরের বলে অভিষিক্ত ফেক্সক্রফ্টকে আউট করে বাংলাদেশকে খেলায় ফেরান শরিফুল ইসলাম। তবে নিকোলসকে সঙ্গে নিয়ে রান তুলতে থাকেন ইয়ং। ৭০ রান করে ইয়ং আউট হলেও ততক্ষণে কিউইদের জয়ের পথ পরিস্কার করে গেছেন এই ডান হাতি ব্যাটার। শেষ দিকে টম ব্লান্ডেনের ১৬ বলে ২৩ এবং নিকোলসের ৮৬ বলে অপরাজিত ৫০ রানে ভর করে জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় নিউজিল্যান্ড।
এর আগে টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুতেই দুই ওপেনারকে হারায় বাংলাদেশ। নবাগত জাকির ১ ও তামিম ৫ রানে আউট হন। এদিন ব্যাটে আলো ছাড়াতে পারেননি তাওহীদ হৃদয়ও। ১৭ বলে ১৮ রান করে ফেরেন এই ডান হাতি ব্যাটার।
এরপর অভিজ্ঞ মুশফিকুর রহিমকে সঙ্গে নিয়ে রান তুলতে থাকেন অভিষিক্ত অধিনায়ক নাজমুল হাসান শান্ত। তবে ইনিংস বড় করতে পারেননি মুশফিক। ২৫ বলে ১৮ রান করে সাজঘরে ফেরেন এই ডান হাতি ব্যাটার। মাহমুদুল্লাহ ব্যাটে এসেই ১ রান নিয়ে ওয়ানডে ক্যারিয়ারের ৫ হাজার রানের মাইলফলক স্পর্শ করছেন। যা বাংলাদেশের চতুর্থ সর্বোচ্চ রান।
২৭ বলে ২১ রান করে রিয়াদ আউট হলে, ১৩ রান করে তার দেখানো পথে হাঁটেন শেখ মাহেদী। ৮৪ বলে ৭৪ রান করে সেঞ্চুরি না পাওয়ার আক্ষেপ নিয়ে শান্ত সাজঘরে ফিরলে, দ্রুত গুটিয়ে যায় লোয়ার অর্ডার ব্যাটাররা। হাসান মাহমুদ (১), নাসুম আহমেদ (৭) ও শরিফুল ১ রানে আউট হলে ১৭১ রানে অলআউট হয় বাংলাদেশ।