শ্রীলঙ্কার প্রধান নির্বাচক হলেন উপুল থারাঙ্গা
ওয়ানডে বিশ্বকাপে ব্যর্থতা কোনো ভাবেই মানতে পারেনি শ্রীলঙ্কান ক্রিকেট বোর্ড। ফলে কিছুদিন আগেই এসএলসিকে বরখাস্ত করেছিল দেশটির ক্রীড়া মন্ত্রণালয়। যদিও মাসখানেকের ব্যবধানে সেই সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছেন ক্রীড়ামন্ত্রী হারিন ফার্নান্ডো। এবার সাবেক ক্রিকেটারদের নিয়ে শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট বোর্ড (এসএলসি) নতুন নির্বাচক কমিটি ঘোষণা করেছে। যেখানে দেশটির সাবেক তারকা ওপেনিং ব্যাটার উপুল থারাঙ্গাকে নির্বাচক কমিটির চেয়ারম্যান করা হয়েছে।
এমন সিদ্ধান্তের জেরে আইসিসির নিষেধাজ্ঞা থেকে মুক্তি পেতে পারে শ্রীলঙ্কা। যদিও এখন অবদি কিছু জানায়নি আইসিসি। নির্বাচক কমিটির চেয়ারম্যানের দায়িত্বে থাকা থারাঙ্গা চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসর নিয়েছেন।
২০০৫ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে অভিষেক হওয়া থারাঙ্গা শ্রীলঙ্কার হয়ে খেলেছেন প্রায় ১৬ বছর। শ্রীলঙ্কা ও এশিয়া একাদশের হয়ে ৩১ টেস্টের পাশাপাশি ২৩৫ ওয়ানডে এবং ২৬ টি টি-টোয়েন্টি খেলেছেন থারাঙ্গা। টেস্টে ১ হাজার ৭৫৪ রান করা বাঁহাতি এই ব্যাটারের ওয়ানডে রান ৬ হাজার ৯৫১। টি-টোয়েন্টিতে ৪০৭ রান এসেছে তার ব্যাট থেকে। টি-টোয়েন্টিতে সেঞ্চুরি না থাকলেও টেস্টে তিনটি এবং ওয়ানডেতে ১৫ সেঞ্চুরি করেছেন থারাঙ্গা।
দুই বছরের মেয়াদে পাঁচ সদস্যের এই নতুন নির্বাচক কমিটিতে থারাঙ্গা ছাড়া বাকি ৪ সদস্যরা হলেন- সাবেক রহস্যময় স্পিনার অজন্তা মেন্ডিস, সাবেক উইকেটকিপার ব্যাটসম্যান ইন্ডিকা ডি সারাম, সাবেক ওপেনার থারাঙ্গা পারানাভিতানা ও সাবেক অলরাউন্ডার দিলরুয়ান পেরেরা।
শ্রীলঙ্কার ক্রিকেটে এমন গুরুত্বপূর্ণ কমিটিতে এটিই সবচেয়ে কম বয়সীদের কমিটি। যেখানে সবচেয়ে বয়স্ক সদস্য সারামের বয়স ৫০। পারানাভিতানা ও পেরেরার বয়স ৪১। থারাঙ্গা ও মেন্ডিসের কেবল ৩৮। থারাঙ্গা, পেরেরা ও সারাম এই বছরেও প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে খেলেছেন। পারানাভিতানা সবশেষ ঘরোয়া ক্রিকেটে খেলেছেন ২০২০ সালে। ২০১৯ সালে অবসরে যাওয়া মেন্ডিস লিজেন্ডস ক্রিকেট লিগে খেলেছেন গত বছর। সূত্র: ওয়ান ইন্ডিয়া বাংলা
এনবিএস/ওডে/সি