নির্বাচনের পর অধিনায়কত্ব নিয়ে বিসিবির সঙ্গে আলোচনা করবেন সাকিব

 বিশ্বকাপে খেলতে যাওয়ার আগে সাকিব জানিয়েছিলেন, এরপর আর একদিনও অধিনায়ক থাকবেন না তিনি। এদিকে আঙুলের চোটের কারণে নিউজিল্যান্ড সিরিজও মিস করছেন সাকিব। এছাড়াও নির্বাচনী ব্যস্ততাও রয়েছে। তাই নেতৃত্ব থেকে সরে দাঁড়ানোর বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে এখনো বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডকে (বিসিবি) কিছু বলেননি সাকিব।

তাই গত মঙ্গলবার বিসিবির ক্রিকেট অপারেশন্স কমিটির চেয়ারম্যান জালাল ইউনুস জানিয়েছিলেন, তিন ফরম্যাটেই বাংলাদেশের অধিনায়ক এখনও সাকিব আল হাসান। নির্বাচনী ব্যস্ততার কারণে বিসিবি সঙ্গে আলোচনা করতে পারলেও অধিনায়কত্ব মুখ খুলেছেন এই টাইগার অধিনায়ক। 

শনিবার এক অনুষ্ঠানে নেতৃত্ব প্রসঙ্গে সাকিব বলেন, এই সিরিজের পর আমাদের নির্বাচনটাও শেষ হবে। নির্বাচন শেষে আমরা একটা সিদ্ধান্ত নিবো। কীভাবে দেশের ক্রিকেটকে এগিয়ে নেয়া যায়। সবাই মিলে চিন্তা করে যেটা ভালো মনে হয় আমরা সেটাই করবো।

যদি মনে হয় আমার আরো কিছুদিন কন্টিনিউ করা উচিত তাহলে  সেটা ভেবে দেখবো। আর যদি মনে হয়, শান্ত-মিরাজ-লিটনরা আছে ভালো কিছু করার সম্ভাবনা ওদের মধ্যে আছে। ওরা আরো বেশি ইয়াং, এনার্জেটিক। খারাপ হওয়ার কোনো কারণ আমি দেখি না।

সাকিবকেই লম্বা সময়ের জন্য নেতৃত্বে রাখা ইচ্ছা প্রকাশ করে জালাল ইউনুস বলেন, এখানে আসলে রিকনসিডারের পার্টটা আসে না। এখনো সে আমাদের অধিনায়ক। তার অনুপস্থিতে আমরা শান্তকেই দিয়েছি। শান্তকে আমরা বলেছি যে সামনে দুইটা সিরিজ আছে নিউজিল্যান্ডের সঙ্গে, যার জন্য তাকে আমরা অধিনায়কত্ব দিয়েছি। আপনারা জানেন সাকিবকে একটা লম্বা সময়ের জন্যই অধিনায়ক দেওয়া হয়েছে। সব ফরম্যাটেই সে আমাদের অধিনায়ক।  সূত্র: ওয়ান ইন্ডিয়া বাংলা

এনবিএস/ওডে/সি

Walton Ads