এশিয়া কাপে ভারতের বিরুদ্ধে সংযুক্ত আরব আমিরশাহির হয়ে খেলবেন সিমরনজিৎ সিংহ। ছোটবেলায় শুভমন গিলের সঙ্গে অনুশীলন করেছেন এই বাঁহাতি স্পিনার। দুবাইয়ে কোভিডের পর আমিরশাহির দলে খেলার সুযোগ পেয়ে তিনি এখন ভারতের প্রধান অস্ত্র। তার সাহসী বোলিং এবং উইকেট নেয়ার দক্ষতা ভারতীয় ক্রিকেটভক্তদের কৌতূহল আরও বাড়াচ্ছে।

প্রবন্ধ:

বুধবার এশিয়া কাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচ খেলতে নামছে ভারত। কিন্তু ম্যাচের আলোচিত বিষয়, শুভমন গিলকে এবার খেলতে হবে ছোটবেলার বন্ধু সিমরনজিৎ সিংহের বিরুদ্ধে। সংযুক্ত আরব আমিরশাহির হয়ে খেলবেন এই বাঁহাতি স্পিনার।

পঞ্জাবের লুধিয়ানার ছেলে সিমরনজিৎ ছোটবেলায় মোহালির পঞ্জাব ক্রিকেট সংস্থার মাঠে অনুশীলন করতেন। সেখানেই অনুশীলন করতেন শুভমনও। সংবাদ সংস্থা পিটিআইকে সিমরনজিৎ বলেন, “শুভমনকে ছোট থেকে আমি চিনি। ওর বয়স ১১-১২ বছর হলে আমরা পঞ্জাব ক্রিকেট সংস্থার মাঠে সকাল ৬টা থেকে ১১টা পর্যন্ত অনুশীলন করতাম। পরে শুভমন ওর বাবার সঙ্গে আসত। আমি অনুশীলনের পরও থাকতাম। ওকে অনেক বল করেছি।”

সিমরনজিৎ বয়সভিত্তিক দলে খেললেও রঞ্জি দলে সুযোগ পাননি। ২০১৭ সালে প্রাথমিক দলে থাকলেও মূল দলে জায়গা হয়নি। আইপিএলে পঞ্জাব কিংসের নেটে বল করেছেন, কিন্তু ম্যাচ খেলার সুযোগ হয়নি। কোভিডের পরই জীবন বদলে যায় তাঁর।

“২০২১ সালের এপ্রিল মাসে দুবাই এসেছিলাম। ২০ দিনের জন্য এসেছিলাম। তখন ভারতে কোভিডের দ্বিতীয় ঢেউ এল, আর ফিরতে পারিনি,” বলেন ৩৫ বছর বয়সি সিমরনজিৎ। দুবাইয়ে ছোটদের কোচিং শুরু করেন, তবে খেলার ইচ্ছা মরে যায়নি।

লালচাঁদ রাজপুত আমিরশাহির কোচ হওয়ার পর সিমরনজিৎকে দলে নেন। রাজপুত বলেন, “টি-টোয়েন্টিতে বাঁহাতি স্পিনাররা সাধারণত লেংথে বল রাখে। কিন্তু সিমরনজিৎ সাহসী বোলার, চেষ্টা করে উইকেট তোলার। আমিরশাহির হয়ে ১২টি টি-টোয়েন্টিতে ১৫ উইকেট নিয়েছে, ওভার প্রতি ৬ রানের কম দিয়েছেন।”

এখন ভারতের বিরুদ্ধে তার বোলিং এবং সাহসী কৌশল মাঠে এক বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াচ্ছে।

 

Walton Ads