ওয়ানডেতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে বাংলাদেশের প্রতি লড়াই সবসময়ই চ্যালেঞ্জিং। তবে বল হাতে কয়েকজন বোলার বরাবরই ক্যারিবীয় ব্যাটারদের দমবন্ধ করে দিয়েছেন। আজ শনিবার (১৮ অক্টোবর) থেকে শুরু হতে যাওয়া সিরিজেও দেশবাসী তাদের ঐতিহ্য এবং পারফরম্যান্সের ধারাবাহিকতা দেখতে উদগ্রীব।
বাংলাদেশের বর্তমান দলে এমন কয়েকজন বোলার ও অলরাউন্ডার রয়েছেন, যাদের ইতিহাস রয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের। অধিনায়ক মেহেদি হাসান মিরাজ থেকে শুরু করে অতীতের কিংবদন্তি মাশরাফি বিন মুর্তজা পর্যন্ত; চলুন দেখা যাক বাংলাদেশের ইতিহাসের সেরা পাঁচ বোলারের তালিকা:
৫। আবদুর রাজ্জাক – ১৯ উইকেট
নীরব নায়ক বলা যায় আবদুর রাজ্জাককে। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ১৫ ম্যাচে তার উইকেট সংখ্যা ১৯, ইকোনমি রেট ৪.৯০। ২০০৯ সালে ৪/৩৯ বোলিং ফিগারে তিনি ক্যারিবীয়দের ব্যাটিং লাইনআপ গুঁড়িয়ে দেন এবং ম্যাচসেরার পুরস্কার পান।
৪। সাকিব আল হাসান – ২৪ উইকেট
সর্বকালের সেরা অলরাউন্ডারদের একজন সাকিব আল হাসান। ২১ ম্যাচে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে তার উইকেট সংখ্যা ২৪, ইকোনমি রেট ৩.৭৬। ২০২১ সালে মিরপুরে জেসন মোহাম্মদের বিপক্ষে ৪/৮ বোলিং দিয়ে শীর্ষ ও মিডল অর্ডার ধসে যায়।
৩। মেহেদি হাসান মিরাজ – ২৭ উইকেট
বর্তমান ওয়ানডে অধিনায়ক মিরাজ ১৯ ম্যাচে ২৭ উইকেট নিয়েছেন, ইকোনমি রেট ৪.৩৪। ২০২১ সালে মিরপুরে তার সেরা বোলিং ৪/২৫, যেখানে বাংলাদেশ জয় পায় ৭ উইকেটে। ম্যাচসেরাও হন তিনি।
২। মোস্তাফিজুর রহমান – ২৮ উইকেট
বাংলাদেশের পেস আক্রমণের প্রধান ব্যক্তি মোস্তাফিজুর রহমান। ১৬ ম্যাচে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে তার উইকেট সংখ্যা ২৮, ইকোনমি রেট ৪.৮৮। ২০১৯ সালে ত্রিদেশীয় সিরিজে তিনি তুলে নেন ৪/৪৩, জেসন হোল্ডারের দল থেমেছিল ২৪৭ রানে।
১। মাশরাফি বিন মুর্তজা – ৩০ উইকেট
বাংলাদেশের কিংবদন্তি পেসার মাশরাফি শীর্ষে। ১৯ ম্যাচে উইকেট ৩০, যা সর্বোচ্চ। ২০১৮ সালে ত্রিদেশীয় সিরিজে ৯ ওভারে মাত্র ৪৩ রান দিয়ে ৪ উইকেট তুলে ক্যারিবীয় ব্যাটিং ভেঙে দেন।
ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে এই পাঁচজনই বাংলাদেশের ক্রিকেট ইতিহাসে একেকটি অধ্যায়। সাকিবের স্পিন, মোস্তাফিজের কাটার, মিরাজের ধারাবাহিকতা, মাশরাফির নেতৃত্ব—প্রতিবারই ক্যারিবীয় ব্যাটারদের কাঁপিয়ে দিয়েছে। আজ থেকে শুরু হতে যাওয়া সিরিজেও ক্রিকেটপ্রেমীরা আশা করছেন একই ধরনের পারফরম্যান্স।