পাকিস্তান দক্ষিণ আফ্রিকার সঙ্গে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচ খেলতে নামছে। প্রথম ম্যাচে পাকিস্তান ৯৩ রানের জয় নিশ্চিত করেছিল এবং দ্বিতীয় ম্যাচে একই ধারাবাহিকতা বজায় রাখাই প্রধান লক্ষ্য।
পাকিস্তানের সম্ভাব্য প্লেয়িং ইলেভেন:
ওপেনারস:
আবদুল্লাহ শফিক
ইমাম-উল-হক
দ্বিতীয় টেস্টেও পাকিস্তান প্রায় নিশ্চিতভাবে ইয়ান ইলেভেন অপরিবর্তিত রাখবে। তবে উদ্বেগের বিষয় হলো ওপেনারদের ফর্ম, বিশেষ করে নতুন বলের বিরুদ্ধে শুরুটা ভালো করা। প্রথম ম্যাচে ওপেনাররা ঠিক শুরু দিতে পারেননি, একজন প্রথম ইনিংসে, আরেকজন দ্বিতীয় ইনিংসে দ্রুত আউট হন। দ্বিতীয় ম্যাচে তারা চাইবেন নতুন ব্যাটসম্যানদের জন্য একটি মজবুত প্ল্যাটফর্ম তৈরি করতে।
মিডল অর্ডার ও অলরাউন্ডারস:
শান মাসুদ (অধিনায়ক)
বাবর আজম
সৌদ শাকীল
মোহাম্মদ রিজওয়ান (উইকেটরক্ষক)
সালমান আলী আঘা
ওপেনারদের পরে মিডল অর্ডার এসে দলকে বিপদের সময় বাঁচিয়েছিল। এখানে রয়েছে যুব ও অভিজ্ঞতার মিশ্রণ, যেমন অধিনায়ক শান মাসুদ, প্রাক্তন অধিনায়ক বাবর আজম, সৌদ শাকীল, উইকেটরক্ষক রিজওয়ান, এবং সালমান আলী আঘা। দলের লক্ষ্য হবে শুরুটা বড় রানে রূপান্তর করা এবং প্রথম ইনিংসে ৩৫০-৪০০ রান তোলা, যা ম্যাচের ফলাফল নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
বোলারস:
শাহিন আফ্রিদি
হাসান আলি
নোমান আলি
সাজিদ খান
পাকিস্তান সাম্প্রতিক সিরিজে স্পিন-পছন্দ tracks তৈরি করে ভালো ফল পাচ্ছে। প্রথম টেস্টে স্পিনের সাফল্যই বিজয়ের মূল চাবিকাঠি ছিল, যেখানে নোমান আলি ম্যাচে ১০ উইকেট নেন। তিনি দ্বিতীয় ম্যাচেও ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে চাইবেন।
নোমান আলি সাজিদ খান ও সালমান আলী আঘা-র সঙ্গে স্পিন অলরাউন্ডার হিসেবে থাকবেন। শাহিন আফ্রিদি দ্রুত বোলিং সামলাবেন, সাথে হাসান আলি, যারা প্রথম ম্যাচে গুরুত্বপূর্ণ উইকেট নিয়েছিলেন।
দ্বিতীয় ম্যাচে পাকিস্তান চাইবে শীর্ষ ব্যাটসম্যানরা বড় স্কোর গড়ে দলকে সুবিধাজনক অবস্থানে নিয়ে আসুক এবং স্পিন ও ফাস্ট বোলিং একসঙ্গে কাজ করে দক্ষিণ আফ্রিকাকে চাপে ফেলুক।