নারী বিশ্বকাপে অপরাজিত থেকে সেমিফাইনালে পা রাখলো ইংল্যান্ড নারী ক্রিকেট দল। ভারতের বিপক্ষে মাত্র ৪ রানের রোমাঞ্চকর জয়ে শেষ চারে জায়গা করে নিল সাবেক চ্যাম্পিয়নরা। এর আগে অস্ট্রেলিয়া ও দক্ষিণ আফ্রিকা সেমিফাইনাল নিশ্চিত করেছে।

ভারতের ইন্দোরে আজ হারমানপ্রীত কৌরের দলের বিপক্ষে সহজ সমীকরণ নিয়ে মাঠে নামে ইংল্যান্ড। এই আসরে এখনো অপরাজিত এই দলের হাতে ছিল তিনটি ম্যাচ। যেকোনো একটি জিতলেই সেমিফাইনাল নিশ্চিত হতো। আর সব ম্যাচ হারলে ভারত বা নিউজিল্যান্ডের ৭ পয়েন্টের বেশি না পাওয়ার জন্য প্রার্থনা করতে হতো। তবে এত ঝামেলার দরকার পড়েনি। ন্যাট সিভার-ব্রান্টের দল বেশ সহজেই সেমিতে উঠে গেছে।

এদিন টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন ইংল্যান্ডের অধিনায়ক ন্যাট সিভার। তার সিদ্ধান্ত মোটেও খারাপ ছিল না, তা প্রমাণ করে দলীয় স্কোরবোর্ড। দলীয় শতকের আগে দুই ব্যাটার হারালেও হিদার নাইটের দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে ২৮৮ রানের পুঁজি পায় ইংল্যান্ড।

বাংলাদেশের বিপক্ষে অপরাজিত ৭৯ রানের ইনিংসের পর আজ এই স্পিন অলরাউন্ডার পেলেন বিশ্বকাপে প্রথম সেঞ্চুরির স্বাদ। একই সঙ্গে রান সংগ্রহকারীদের তালিকায় তৃতীয় স্থানে উঠে এসেছেন হিদার। ৯১ বলে ১০৯ রানের দুর্দান্ত ইনিংসে ছিল ১৫টি চার ও ১টি ছক্কা।
হিদারের সেঞ্চুরির পাশাপাশি দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৫৬ রান করেন অ্যামি জোন্স। ৬৮ বলের ইনিংসে তার ব্যাট থেকে এসেছে ৮টি চার।

২৮৯ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শেষ ওভার পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যায় ভারত। স্মৃতি মান্দানা, হারমানপ্রীত কৌর ও দ্বিপ্তী শর্মা—তিনজনই অর্ধশতক তুলে নেন। সর্বোচ্চ ৮৮ রানের ইনিংস খেলেন ওপেনার স্মৃতি।

ভারত রানের সঙ্গে তাল মিলিয়ে ভালোভাবেই এগোচ্ছিল। দলীয় ১৩ রানে প্রাতিকা রাওয়াল ফিরলেও হারলিনের ৪২ রানে ফেরা দলকে বিপাকে ফেলেনি। স্মৃতি ও হারমানের ১২৫ রানের জুটি দলকে বিপদমুক্ত করে আশা জাগায়।

ন্যাট সিভার-ব্রান্টের বলে ক্যাচ দিয়ে ৭০ রানে হারমান ফিরলে নতুন করে আশা জাগান স্মৃতি ও দ্বিপ্তী। তবে দলীয় ২৩৪ রানে তাদের জুটি ভাঙে। এরপর রিচা ঘোষ ও দ্বিপ্তীর উইকেট দ্রুত পড়ায় ভারত কিছুটা পিছিয়ে পড়ে।

শেষ পর্যন্ত আমানজো কৌর ও স্নেহা রানা আশা জাগিয়েছিলেন। শেষ ওভারে ৯ রান প্রয়োজন ছিল। স্মৃতি একবার আটকে দিলেও সিঙ্গেল-ডাবলসে এগিয়ে যায় ভারত। শেষ বলে আমানজো চার মারলেও ৪ রানের জন্য হারতে হয় ভারতকে।ইংল্যান্ডের সেমিফাইনাল জয়

 

Walton Ads