ভারতের সাবেক প্রধান কোচ রবি শাস্ত্রী মনে করেন, পার্থে ব্যর্থতা দিয়েই রোহিত শর্মা ও বিরাট কোহলির গল্প শেষ নয়। বরং তিনি বিশ্বাস করেন, দু’জনের মধ্যেই এখনও যথেষ্ট ক্ষুধা ও আগ্রহ আছে ২০২৭ ওয়ানডে বিশ্বকাপ পর্যন্ত খেলার।
পার্থে প্রত্যাবর্তন, কিন্তু ফল ভয়াবহ
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে পার্থে তিন ম্যাচ সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে দীর্ঘ বিরতির পর আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফেরেন রোহিত শর্মা ও বিরাট কোহলি।
প্রস্তুতির ঘাটতি ছিল না—রোহিত ওজন কমিয়েছেন প্রায় ১০ কেজি, কোহলিও নিজেকে ফিট রাখতে কঠোর পরিশ্রম করেছেন। তবু মাঠে ফল মেলেনি।
রোহিত মাত্র ১৪ বলে ৮ রান করে আউট হন জশ হ্যাজলউডের বলে, আর কোহলি শূন্য রানে ফেরেন মিচেল স্টার্কের শিকার হয়ে। ভারতের টপ অর্ডারের এই বিপর্যয় দলকেও ব্যাকফুটে ঠেলে দেয়।
“বিরতির পর এমনটা স্বাভাবিক” — রবি শাস্ত্রী
আইসিসি রিভিউতে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে রবি শাস্ত্রী বলেন,
“দীর্ঘ বিরতির পর মাঠে নামলে কিছুটা রুস্টিনেস আসবেই। পার্থের মতো কন্ডিশনে মাত্র দুই দিন আগে গিয়ে মানিয়ে নেওয়া সহজ নয়, বিশেষ করে যখন বাড়তি বাউন্স আর দ্রুত গতির বল থাকে।”
তিনি আরও যোগ করেন,
“সময় দিতে হবে। এখন ওরা অ্যাডিলেডে যাচ্ছে, সেখানে নেটে অনুশীলন করে মানসিকভাবে প্রস্তুত হবে। আমি তাড়াহুড়ো করে রায় দিতে চাই না। এই বয়সে ফিরে আসা মানে আনন্দ, ক্ষুধা ও আগ্রহ—এই তিন জিনিসের পরীক্ষা। যদি এর মধ্যে দুটোও থাকে, তাহলে ওরা সময়ের সঙ্গে আবার ফিরবে।”
“ওদের অবদান এক-দুই বছরের নয়, দেড় দশকের” — শাস্ত্রী
রোহিত-কোহলির অবদান স্মরণ করে শাস্ত্রী বলেন,
“ওদের অবদান দুই-তিন বছরের নয়, বরং এক দশকেরও বেশি সময় ধরে। বিরাটের ক্ষেত্রে তো প্রায় দেড় দশক! মানুষ এসব ভুলে না। ওরা বিশ্বের সেরা বোলারদের বিপক্ষে খেলেছে—এটাই ওদের উত্তরাধিকার।”
তিনি আরও বলেন,
“কাল শেষ হোক বা বছর পর, ওদের লিগ্যাসি অমলিন থাকবে। ভারতীয় ক্রিকেটে রোহিত-কোহলির নাম সর্বদা সোনার অক্ষরে লেখা থাকবে।”