অস্ট্রেলিয়ার নিয়মিত অধিনায়ক প্যাট কামিন্সের অ্যাশেজে খেলা এখনও অনিশ্চিত। পিঠের চোট থেকে পুরোপুরি না সেরে ওঠায় প্রথম টেস্টে তাকে দেখা নাও যেতে পারে। তবে চিন্তার কিছু নেই—দলের অভিজ্ঞ ব্যাটার স্টিভ স্মিথ জানিয়েছেন, প্রয়োজনে তিনি নেতৃত্ব দিতে সম্পূর্ণ প্রস্তুত।

 চোটের কারণে কামিন্স এখনো মাঠের বাইরে

গত জুলাই থেকে পিঠের ইনজুরির কারণে সবধরনের ক্রিকেট থেকে দূরে আছেন কামিন্স।
তবে তিনি চেষ্টা চালাচ্ছেন ২১ নভেম্বর পার্থে শুরু হতে যাওয়া ইংল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম টেস্টে মাঠে নামতে।
তবুও মঙ্গলবার সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপচারিতায় স্মিথ জানালেন—

“কামিন্স এখনো বোলিং অনুশীলন শুরু করেননি।”

এ অবস্থায় কামিন্সকে পাওয়া যাবে কি না, তা নিয়ে বাড়ছে অনিশ্চয়তা।
কয়েকদিন আগে কামিন্স নিজেও বলেছেন, “আমি চেষ্টা করছি, কিন্তু নিশ্চিত নই প্রথম টেস্টে খেলতে পারব কি না।”

 স্মিথের মন্তব্য: ‘যা-ই হোক, আমি প্রস্তুত’

সিডনিতে সংবাদ সম্মেলনে স্মিথ বলেন—

“পরিস্থিতি খুব দ্রুত বদলে যেতে পারে। কামিন্সকে বোলিং শুরু করার আগে কয়েকটি বিষয় ঠিক করতে হবে।
তবে সে এখন ভালো মানসিক অবস্থায় আছে। আশা করি সে খেলবে—যত বেশি ম্যাচ খেলতে পারবে, দলের জন্য ততই ভালো।”

তিনি আরও বলেন,

“আমি দলের কাজের ধরন ভালোভাবে জানি। যদি নেতৃত্ব দিতে হয়, তাহলে আমি পুরোপুরি প্রস্তুত।
আমার কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো, দায়িত্বটা নিজের মতো করে পালন করা।”

নেতৃত্বে দুর্দান্ত রেকর্ড স্মিথের

২০২১ সালে টেস্ট অধিনায়ক হন প্যাট কামিন্স।
এরপর কামিন্সের অনুপস্থিতিতে স্মিথ ৬টি টেস্টে নেতৃত্ব দিয়েছেন, যার মধ্যে ৫টিতেই জিতেছে অজিরা।
তাই এবারের অ্যাশেজে দায়িত্ব পেলে নিজের ছন্দেই কাজ করবেন বলে আত্মবিশ্বাসী তিনি।

পূর্বে নিয়মিত অধিনায়ক হিসেবে ৪০ টেস্টে অস্ট্রেলিয়াকে নেতৃত্ব দিয়েছেন স্মিথ,
যার মধ্যে ২৩টিতে জয় পেয়েছে দল।
এই অভিজ্ঞতা তাকে আবারও নেতৃত্বের জন্য উপযুক্ত করে তুলেছে বলেই মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

 সামনে অ্যাশেজ, চোখ এখন পার্থে

অ্যাশেজ শুরু হবে আগামী ২১ নভেম্বর পার্থে।
অস্ট্রেলিয়া ইতিমধ্যেই প্রস্তুতি শুরু করেছে, যদিও দলের সবচেয়ে বড় প্রশ্ন এখন—
 “কামিন্স ফিরবেন তো?”
যদি না ফেরেন, তবে আবারও স্মিথের হাতে উঠবে নেতৃত্বের ভার।

 

Walton Ads