আগামী বছর ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহে বসছে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আসর। তার আগে নিজেদের শক্তি-দুর্বলতা যাচাইয়ের সুযোগ পাচ্ছে টাইগাররা দুটি আন্তর্জাতিক সিরিজে। এর মধ্যে একটি সিরিজ শুরু হচ্ছে আগামীকাল ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে। আর এই সিরিজগুলোতে ক্রিকেটাররা যেন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ে—এটাই চান বাংলাদেশ দলের উইকেটরক্ষক-ব্যাটার লিটন দাস।

বিশ্বকাপের প্রস্তুতি নিয়ে কথা বলতে গিয়ে লিটন বলেন, “আসলে পার্থক্য তেমন কিছু না। এখন আমরা চেষ্টা করছি ভালো উইকেটে খেলার জন্য। ভালো উইকেটে খেললে ব্যাটারদের সফল হওয়ার সুযোগ বেশি থাকে। আমাদের দলে এখন ছয় থেকে সাতজন ব্যাটার আছেন যারা বড় ছয় মারতে পারেন, যা দলের জন্য ইতিবাচক। তবে ক্রিকেট শুধু ছক্কার খেলা নয়। প্রয়োজনে ছয় মারবে, কিন্তু পরিস্থিতি অনুযায়ী এক-দুই রান নেওয়াও জরুরি।”

নিজেদের আরও পরিণত দেখতে চান লিটন। তাঁর ভাষায়, “সত্যি বলতে, আমি চাই আমাদের খেলোয়াড়রা চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ুক—হোক সেটা ব্যাটিংয়ে বা বোলিংয়ে। আমি মনে করি, এই ছয়টা ম্যাচে আমরা যতটা চাপের মধ্যে থাকব, সেটা ভবিষ্যতের জন্য ততটাই ভালো। ব্যাকফুটে মানে পিছিয়ে পড়া নয়, বরং আমি চাই বোলাররা বল করার সময় চাপ অনুভব করুক। এই বিষয়গুলো আমাদের বিশ্বকাপের মতো বড় টুর্নামেন্টে সাহায্য করবে।”

বাংলাদেশ দল সঠিক পথে আছে বলেও মনে করেন তিনি। “সংস্করণ ভেদে মানসিকতা আর আগ্রাসনের ধরণ একটু বদলে যায়। উইকেট বা ফরম্যাট অনুযায়ী সেটা হয়। তবে যেহেতু এই সংস্করণে খেলোয়াড়রা অনেকদিন ধরে খেলছে এবং সফলও হচ্ছে, তাই তারা জানে কোন ধরণের ক্রিকেট খেললে এখানে সফলতা আসবে,” বলেন লিটন দাস।

লিটনের বিশ্বাস, পরিকল্পনা অনুযায়ী এগোতে পারলে বিশ্বকাপের আগে বাংলাদেশ দল আরও শক্তিশালী হয়ে উঠবে।

 

Walton Ads