মেসির বাঁক খাওয়ানো ফ্রিকিকে দর্শনীয় গোল, নাগালই পেলেন না গোলকিপার! 

 ম্যাচের বয়স তখন ৯৫ মিনিট। রেফারি ম্যাচ শেষের বাঁশি বাজানোর আগেই বক্সের বাইরে ফ্রিকিক পেয়ে যায় পিএসজি। ম্যাচ জেতার শেষ সুযোগ। ফ্রিকিক নিতে আসেন বাঁ পায়ের জাদুকর লিওনেল মেসি (Messi Magic Goal)। প্রতিপক্ষ দল লিলের মানবপ্রাচীর তখন তৈরি বল আটকানোর জন্য। মেসি যেন সেসব পাত্তাই দিলেন না। বাঁ-দিকের গোলপোস্টে রেখে শট নিলেন। টপ কর্নারে নয়, শটটা ছিল একটু নীচের দিকেই। সেই বল ধরতে ঝাঁপালেন লিলের গোলকিপার (Goalkeeper) লুকাস শ্যাভেলিয়ের, কিন্তু আটকাতে পারলেন না। অবিশ্বাস্য ফ্রি-কিকে ম্যাচ জিতে নিল পিএসজি।

লিগা ওয়ানে রবিবারের ম্যাচ ছিল ফুটবলপ্রেমীদের কাছে স্বপ্নের। ফের একবার তিন তারকা মেসি-এমবাপে-নেমারকে একসঙ্গে খেলতে দেখা গেল। ভবিষ্যতে এই ফ্রেম আর থাকবে কিনা তা নিয়ে সংশয়ের মেঘ জমেছে। পিএসজি কোচ তো স্বীকারই করে নিয়েছেন যে, একসঙ্গে তিনজনকে খেলানো সমস্যা হচ্ছে। তবে যাই হোক, লিগা ওয়ানের রবিবারের ম্যাচ ফুটবলপ্রেমীদের মনে থেকে যাবে অনেকদিন।

শুরু থেকেই ম্যাচের রাশ ছিল পিএসজির হাতে। ম্যাচের ১৭ মিনিটের মাথাতেই ২-০ গোলে এগিয়ে যায় তারা। সৌজন্যে এমবাপে, নেমার। পিএসজির আক্রমণে তিন তারকার চাপ সামলাতে হিমশিম খেতে দেখা যায় লিলের রক্ষণকে। তবে সেই চাপের মধ্যেও প্রথমার্ধেই ১ গোল শোধ করে তারা।

দ্বিতীয়ার্ধে এসেই ম্যাচে ছন্দ কাটে পিএসজি। গোড়ালিতে চোট পান নেমার। দলের মেডিক্যাল টিম হাজার চেষ্টা করেও ব্যাথা কমাতে পারেননি তাঁর। শেষে বাধ্য হয়েই মাঠ ছাড়তে হয় ব্রাজিলীয় তারকাকে। নেমার মাঠের বাইরে যেতেই পিএসজিকে কিছুটা ছন্নছাড়া লাগতে থাকে। সেই সুযোগে ১১ মিনিটের ব্যবধানে জোড়া গোলে এগিয়ে যায় লিলে।

ম্যাচের স্কোর দাঁড়ায় ২-৩। তবে ৮৭ মিনিটে দুরন্ত গোল করেন এমবাপে। ম্যাচে ফেরে পিএসজি। কিন্তু তখনও কে জানত ম্যাচের শেষের দিকে এক অনন্য টুইস্ট অপেক্ষা করে আছে। মেসির সেই দুর্ধর্ষ গোল যেন বিতর্ক, সমালোচনার জবাব দিয়ে দিল। বুঝিয়ে দিলেন কেন তিনি বিশ্বসেরা ফুটবলার।
খবর দ্য ওয়ালের/এনবিএস/২০২৩/একে

Walton Ads