সিলেট টাইটান্স ও রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের ম্যাচ দিয়ে আগামী ২৬ ডিসেম্বর পর্দা উঠছে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) নতুন আসর। সেদিনই চট্টগ্রাম রয়্যালস ও নোয়াখালী এক্সপ্রেসের ম্যাচও রয়েছে। এই আসরে বিপিএলের ব্রডকাস্টিংয়ের দায়িত্ব পেয়েছে ট্রান্স প্রোডাকশন টেকনোলজিস (টিপিটি)। আর ধারাভাষ্য প্যানেল সাজানোর দায়িত্বও তাদের হাতেই।

গত কয়েক বছর ধরে বিসিবি ড্যানি মরিসন বা রমিজ রাজার বাইরে তেমন উচ্চমানের ধারাভাষ্যকার আনতে পারেনি, যার জন্য তারা প্রায়ই সমালোচনার মুখে পড়েছে। তবে এবার সেই ছবি বদলাচ্ছে। ট্রান্স গ্রুপ আইএলটি-টোয়েন্টি, এসিসি ও পিএসএল নিয়মিত সম্প্রচার করায় বেশ কিছু আন্তর্জাতিক ধারাভাষ্যকারের সাথে তাদের চুক্তি আছে। তারাই এবারের বিপিএলেও ধারাভাষ্য দেবেন।

ধারাভাষ্যকারের তালিকায় আছেন ড্যানি মরিসন, রমিজ রাজা এবং প্রথমবারের মতো বিপিএলে ধারাভাষ্য দিতে আসছেন ওয়াকার ইউনুসও। ওয়াকার এর আগে সিলেটের হয়ে বিপিএলে কোচিং দিয়েছিলেন। আইএলটি-টোয়েন্টি শেষে ৫ জানুয়ারি বিপিএলে যোগ দেবেন মরিসন।

শ্রীলঙ্কার সাবেক পেসার ফারভেজ মাহরুফও থাকবেন প্যানেলে, যিনি বাংলাদেশের বেশিরভাগ সিরিজেই ধারাভাষ্য দেন। এছাড়া অস্ট্রেলিয়ার জেমি কক্স এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজের স্যামুয়েল বদ্রিও বিপিএলে ধারাভাষ্য দিতে আসছেন। উপস্থাপক জয়নব আব্বাসও কিছু ম্যাচে ধারাভাষ্য দিতে পারেন।

এবার প্রথমবার বিপিএলের আয়োজন করছে ট্রান্স গ্রুপ এবং তারা বাংলাদেশের ক্রিকেটপ্রেমীদের উচ্চমানের ব্রডকাস্টিং দেওয়ার ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী।

বিদেশি ধারাভাষ্যকারদের সাথে বাংলাদেশি ধারাভাষ্যকরাও থাকবেন। তাদের মধ্যে রয়েছেন আতহার আলী খান, শামীম আশরাফ চৌধুরী, মাজহার উদ্দিন অমি এবং সমন্বয় ঘোষ। বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিলের এক সূত্র জানিয়েছেন, এখন পর্যন্ত ১১ জন ধারাভাষ্যকারের তালিকা চূড়ান্ত হয়েছে। সিলেট পর্বে সবাইকে না পাওয়া গেলেও, আইএলটি-টোয়েন্টি শেষে পুরো প্যানেল পাওয়া যাবে।

বিপিএলের এবারের আসর শুরু হবে সিলেটে, তারপর চট্টগ্রাম ঘুরে ঢাকায় শেষ হবে। মোট ৩৪টি ম্যাচের মধ্যে সিলেটে ১২টি, চট্টগ্রামে ১২টি এবং মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে এলিমিনেটর, কোয়ালিফায়ার ও ফাইনালসহ মোট ১০টি ম্যাচ হবে।

সূচি অনুযায়ী, ২৬ ডিসেম্বর সিলেটে শুরু হয়ে ৫ জানুয়ারি থেকে চট্টগ্রাম পর্ব শুরু হবে। ঢাকা পর্ব শুরু হবে ১৬ জানুয়ারি। এলিমিনেটর ম্যাচ হবে ১৯ জানুয়ারি, একই দিন সন্ধ্যায় প্রথম কোয়ালিফায়ার। একদিনের বিরতি দিয়ে ২১ জানুয়ারি হবে দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ার এবং ২৩ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে ফাইনাল। এলিমিনেটর, কোয়ালিফায়ার ও ফাইনালের জন্য রিজার্ভ ডে রাখা হয়েছে। বিপিএল শুরুর আগে ২৪ ডিসেম্বর ঢাকায় হবে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান।

 

Walton Ads