ঝোড়ো ব্যাটিং করে ঢাকা ক্যাপিটালসকে জিতিয়ে নাসির হোসেন নিশ্চয়ই খুশি। কিন্তু জয় এনে দিয়েও তার মনে হয়তো একটু আক্ষেপ রয়ে গেছে। প্রতিপক্ষ নোয়াখালী এক্সপ্রেস খুব কম রান দিয়ে দেওয়ায় টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরিটা করতে পারলেন না এই অলরাউন্ডার।
৯০ রানে অপরাজিত থেকেই মাঠ ছেড়েছেন নাসির।
সেঞ্চুরি না হলেও ক্যারিয়ারের সেরা ইনিংস উপহার দিয়েছেন ৩৪ বছরের এই ব্যাটার। আগের সেরা ছিল ৮০ রান। ১৮০.০০ স্ট্রাইক রেটের ম্যাচসেরা এই ইনিংসে মারেন ১৪টি চার ও ২টি ছক্কা। বিধ্বংসী ব্যাটিংয়ের পথে একটা রেকর্ডও গড়ে ফেলেন তিনি।
এবারের বিপিএলে দ্রুততম ফিফটির রেকর্ড। মাত্র ২১ বলে ফিফটি হাঁকিয়ে পেছনে ফেলেন রংপুর রাইডার্সের কাইল মায়ার্সের ২৩ বলের রেকর্ড। এর আগে বোলিংয়েও ১ উইকেট তুলে নেন নাসির।
প্রথমবার বিপিএলে খেলতে নেমে টানা ৫ ম্যাচ হেরেছিল ঢাকা। আজ তারা ৭ উইকেটের বড় ব্যবধানে জিতে হ্যাটট্রিক হারের গ্লানি ধুয়ে ফেলল। ৩৫ বল হাতে রেখে পাওয়া এই জয়ে দলে ফিরে এসেছে হাসি।
জয়ের পথে অবশ্য শুরুটা খুব একটা সুবিধের হয়নি। রান তাড়া করতে নেমে দলীয় ১৪ রানে দুই ওপেনারকে হারায় ঢাকা। দুটি উইকেটই নেন হাসান মাহমুদ।
আজ ব্যাটিং অর্ডারে উন্নতি হয় নাসিরের। তিন নম্বরে নেমে ৯০ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেলেন তিনি। দলের বড় জয়ে দারুণ সঙ্গ দেন ইমাদ ইয়াসিম। ১ ছক্কা ও ২ চারে ২৯ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেন তিনি।
এর আগে ব্যাটিংয়ে ধস নামে নোয়াখালীর। দলীয় ৪০ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে বিপাকে পড়ে তারা। সেখান থেকে ষষ্ঠ উইকেটে দারুণ জুটি গড়ে দলকে ১৩৩ রানের লড়াকু সংগ্রহ এনে দেন মোহাম্মদ নবী ও হায়দার আলী। নবী অপরাজিত থাকেন ৪২ রানে, আর সর্বোচ্চ ৪৭ রান করেন অধিনায়ক হায়দার। নোয়াখালীর ৭ উইকেট ভাগ করে নেন ঢাকার সাত বোলার।
