৩১ বছর বয়সে জাপানের সুপার ৭৫০ ব্যাডমিন্টন টুর্নামেন্ট জিতে ইতিহাস গড়েছেন ভারতীয় তারকা পি ভি সিন্ধু, যিনি এই ইভেন্টে সর্বোচ্চ বয়সী মহিলা বিজয়ী হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। আন্তর্জাতিক ক্রীড়া মাধ্যম রেভস্পোর্টস (RevSportz) জানিয়েছে, সিন্ধুর এই সাফল্য তার কেরিয়ারের এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছে।
জাপানে অনুষ্ঠিত ফাইনালে সিন্ধুর প্রতিপক্ষ ছিলেন তার পুরনো প্রতিদ্বন্দ্বী আকাশনে ইয়ামাগুচি। দুই তারকার দ্বৈরথে সিন্ধুর আধিপত্য লক্ষ্যণীয় ছিল, বিশেষত যখন তিনি সোজা গেমে জয়ী হন। ইয়ামাগুচির ব্যতিক্রমী প্রতিরক্ষা এবং গেমের গতি নিয়ন্ত্রণের কৌশলকে মোকাবিলা করে সিন্ধু তার শক্তিশালী আক্রমণাত্মক খেলা এবং দুর্দান্ত ফিটনেসের মাধ্যমে এগিয়ে গিয়েছিলেন।
সিন্ধুর খেলার ধরন গত কয়েক বছরে বদলেছে। তার স্ম্যাশের শক্তি যেমন ছিল, তেমনি এখন তার নেট প্লে ও কৌশলগত ডিফেন্সের উন্নতি চোখে পড়ে। কোচ ইরওয়ানসিয়ার নির্দেশনায় তিনি নিয়মিত কৌশলগত পরিবর্তন এনেছেন এবং তার খেলার ভুলের পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়েছেন। টোকিও অলিম্পিক্স থেকে শুরু করে বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপ পর্যন্ত তার পারফরম্যান্সের ওঠানামার গল্পে এখন একটা নতুন অধ্যায় যোগ হয়েছে।
সিন্ধুর ফিটনেসের উন্নতিতে দক্ষিণ আফ্রিকার ফিটনেস কোচ ওয়েন লম্বার্ডের ভূমিকা বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। সাম্প্রতিক পায়ে চোট ও টো লিগামেন্টের আঘাত থেকে দ্রুত সেরে উঠে তিনি আবারও মাঠে ফিরে আসার জন্য প্রস্তুত হয়েছেন। তার স্বামী বেনকাটা দত্ত সাই এছাড়াও তার পুনর্জীবনের পিছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন।
এই খবরটি কেন গুরুত্বপূর্ণ
- পি ভি সিন্ধুর এই জয় তার ব্যাডমিন্টন ক্যারিয়ারের তৃতীয় পর্যায়ের সূচনা নির্দেশ করে।
- ৩১ বছর বয়সে এই সাফল্য প্রমাণ করে অভিজ্ঞতা ও কৌশল ক্রীড়াবিদদের জন্য কতটা মূল্যবান।
- বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপসহ আগামীর বড় টুর্নামেন্টে তার সফলতা বাংলাদেশের ব্যাডমিন্টন প্রেমীদের জন্য আশার নতুন দিশা।
- সিন্ধুর উন্নত ফিটনেস ও কৌশলগত পরিবর্তন অন্যান্য বয়স্ক ক্রীড়াবিদদের জন্য অনুপ্রেরণা।
- ভারতের ব্যাডমিন্টন ক্ষেত্রে তার অবদান তরুণ খেলোয়াড়দের জন্য মডেল হিসেবে কাজ করবে।