ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ এক বড় মন্তব্য করে দিয়েছেন। তিনি বলছেন, ইরানের সঙ্গে অর্থনৈতিক টানাপড়েনে যুক্তরাষ্ট্র প্রায় সব কৌশলই ব্যবহার করে ফেলেছে। আর তেহরানের হাতেই এখন আসল শক্ত কার্ডগুলো রয়েছে।

রোববার (২৬ এপ্রিল) রাতে সামাজিক মাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে গালিবাফ দু’পক্ষের অর্থনৈতিক কার্ডের তুলনা করে দিয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্রের প্রাধান্যের যে দাবি, সেটা উড়িয়ে দিয়েছেন তিনি।

পোস্টে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের চাহিদাভিত্তিক কৌশল (যেমন কৌশলগত তেল মজুদ, চাহিদা নিয়ন্ত্রণ, মূল্য সমন্বয়) আর ইরানের সরবরাহভিত্তিক কৌশল (হরমুজ প্রণালি, বাব এল-মান্দেব প্রণালি, তেল পাইপলাইন) নিয়ে বলেন, ‘তারা তাদের কার্ড নিয়ে গর্ব করে। দেখা যাক সরবরাহ কার্ড বনাম চাহিদা কার্ড!’

গালিবাফ জানিয়েছেন, ইরানের বেশকিছু গুরুত্বপূর্ণ কার্ড এখনও খেলাই হয়নি। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র তাদের অনেক পদক্ষেপ নিয়েও ফেলেছে বা আংশিকভাবে প্রয়োগ করেছে।

শুধু তা-ই নয়, যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক সীমাবদ্ধতার কথাও বলেন তিনি। ইঙ্গিত দেন, গ্রীষ্মের ছুটিতে জ্বালানি তেলের চাহিদা বাড়বে। যুক্তরাষ্ট্র সেটি বাতিল না করলে চাপ আরও বাড়বে।

মোট কথা, গালিবাফের ভাষায়— এখন কার্ড ইরানের হাতে, আর যুক্তরাষ্ট্রের হাত প্রায় ফাঁকা!

 

news