উপসাগরীয় এলাকায় বড় ধরনের উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। ইরান সৌদি আরব ও ওমানকে পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যদি তাদের ওপর আক্রমণ চালায়, তাহলে সরাসরি সংযুক্ত আরব আমিরাতকে কঠোরভাবে লক্ষ্য করা হবে। তেহরানের এই বার্তায় পুরো অঞ্চলের রাজনৈতিক সমীকরণে নড়াচড়া শুরু হয়ে গেছে।

এখন বিশ্লেষকরা বলছেন, এই পদক্ষেপের ফলে আবুধাবি ও তার প্রতিবেশী দেশগুলোর মধ্যে পুরোনো সব ক্ষত আবারও ভাজ করে উঠতে পারে। বিশেষ করে সৌদি আরব ও আমিরাতের মধ্যে দীর্ঘদিনের চাপা টানাপড়েন গোপনে ছিল, সেটা এখন সামনে আসছে।

প্রতিবেদন বলছে, ইরানি কর্মকর্তারা সৌদি প্রতিনিধিদের সঙ্গেই আলোচনায় আবুধাবির সঙ্গে রিয়াদের মতবিরোধের বিষয়টি উস্কে দিয়েছেন। এটা স্পষ্ট যে তেহরান উপসাগরীয় দেশগুলোর ভেতরের এই বিভাজন নিয়ে খুব ভালোভাবেই জানে। আর সেটাকে নিজেদের স্বার্থে কাজে লাগানোর চেষ্টাও করছে।

এই সব কিছু চললেও ইরান সৌদি আরবের সঙ্গে কূটনৈতিক কথাবার্তা চালিয়ে যাচ্ছে। সম্প্রতি দুই দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরাও কথা বলেছেন। তার মানে, সংঘাতের মধ্যেও তেহরান আলোচনার দরজা পুরোপুরি বন্ধ করেনি।

মিডল ইস্ট আই-এর তথ্য বলছে, উপসাগরীয় অঞ্চলের এই জটিল সম্পর্ক আগামীতে আরও নাটকীয় পরিবর্তন আনতে পারে। অনেক বিশেষজ্ঞের মতে, ইরানের এই কঠিন অবস্থান পুরো অঞ্চলের শক্তির ভারসাম্যে বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে বাধ্য।

 

news