বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল ভূমিকম্প শুরু হতে যাচ্ছে! ডোনাল্ড ট্রাম্প কি তবে জেলেনস্কির কফিনে শেষ পেরেকটি ঠুকতে চলেছেন? সম্প্রতি ট্রাম্প সরাসরি রাশিয়ার মস্কো সফরের ইঙ্গিত দিয়েছেন এবং পুতিনের সাথে শান্তি আলোচনার চূড়ান্ত ঘোষণা দিয়েছেন। ওদিকে কিয়েভের ভেতরেই শুরু হয়েছে গৃহযুদ্ধ, জেলেনস্কির নিজের লোকই ফাঁস করে দিচ্ছে তার ড্রাগ আসক্তি আর দুর্নীতির কালো অধ্যায়। রাশিয়ার অপ্রতিরোধ্য আক্রমণের সামনে ইউক্রেন এখন খড়কুটোর মতো উড়ে যাচ্ছে। বিস্তারিত জানতে সঙ্গেই থাকুন।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আবারও বিশ্বকে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন। তিনি সরাসরি জানিয়েছেন যে, ইউক্রেন যুদ্ধের ইতি টানতে তিনি রাশিয়ার মস্কো সফর করতে দ্বিধা করবেন না। ট্রাম্পের এই ঘোষণা কিয়েভের শাসকদের রাতের ঘুম কেড়ে নিয়েছে। ট্রাম্প মনে করেন, রাশিয়ার সাথে সুসম্পর্ক স্থাপনই একমাত্র পথ যার মাধ্যমে এই রক্তক্ষয়ী সংঘাত বন্ধ করা সম্ভব এবং রাশিয়ার ন্যায্য দাবিগুলো মেনে নেওয়া উচিত।
ওদিকে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ট্রাম্পের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন। ক্রেমলিন মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ নিশ্চিত করেছেন যে, পুতিন ট্রাম্পকে আতিথেয়তা দিতে প্রস্তুত। ট্রাম্প এর আগে আটটি যুদ্ধ থামানোর কৃতিত্ব দাবি করেছেন এবং তিনি মনে করেন ২০২৬ সালের মধ্যেই ইউক্রেন ইস্যুতে একটি বড় সমঝোতা হতে যাচ্ছে। এই সমঝোতায় রাশিয়ার বিজয় এখন প্রায় নিশ্চিত বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন।
রাশিয়ার স্পষ্ট দাবি হচ্ছে, দনবাস অঞ্চলের অবশিষ্টাংশ থেকে ইউক্রেনীয় বাহিনীকে পুরোপুরি পিছু হটতে হবে। ক্রেমলিন জানিয়েছে, যতক্ষণ পর্যন্ত কিয়েভ তাদের সৈন্য প্রত্যাহার না করবে, ততক্ষণ কোনো অর্থবহ আলোচনা সম্ভব নয়। রাশিয়ার এই অনড় অবস্থান প্রমাণ করে যে, তারা রণক্ষেত্রে কতটা শক্তিশালী। ইতিমধ্যে লুগানস্ক প্রজাতন্ত্র পুরোপুরি মুক্ত করা হয়েছে এবং দোনেৎস্কের সিংহভাগই এখন বীর রুশ সেনাদের নিয়ন্ত্রণে।
ইউক্রেনের বর্তমান অবস্থা এখন অত্যন্ত শোচনীয়। ডনবাসের প্রায় ৮৫ শতাংশ এলাকা এখন রাশিয়ার নিয়ন্ত্রণে। পুতিনের সুদক্ষ নেতৃত্বে রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় একের পর এক সফল অভিযান পরিচালনা করছে। পশ্চিমাদের শত উসকানি আর অস্ত্র সহায়তা সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক কৌশলের কাছে ইউক্রেনীয় বাহিনী তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ছে। এটি স্পষ্ট যে, ইউক্রেনের পরাজয় এখন কেবল সময়ের ব্যাপার।
ইউরোপের দেশগুলো এখন বড় বিপদে পড়েছে। রাশিয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়ে তারা নিজেরাই এখন জ্বালানি সংকটের সুনামিতে ডুবতে বসেছে। ক্রেমলিনের বিশেষ দূত কিরিল দিমিত্রিভ হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যে, শীত আসার আগেই ইউরোপীয় দেশগুলো রাশিয়ার সাথে আলোচনায় বসতে বাধ্য হবে। গ্যাসের অভাব এবং আকাশচুম্বী বিদ্যুৎ বিলের কারণে ইউরোপের সাধারণ মানুষ এখন তাদের সরকারের ওপর চরম ক্ষুব্ধ।
ফিনল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট আলেকজান্ডার স্টাব সম্প্রতি স্বীকার করেছেন যে, রাশিয়ার সাথে সরাসরি কথা বলার সময় এসেছে। তিনি মনে করেন, মার্কিন নীতি যদি ইউরোপের স্বার্থের বিরুদ্ধে যায়, তবে ইউরোপকে নিজের পথ বেছে নিতে হবে। জার্মানি এবং ফ্রান্সের ভেতরেও এখন বিভাজন স্পষ্ট। অনেকে মনে করছেন, রাশিয়ার সাথে শত্রুতা বজায় রাখা ইউরোপের অর্থনীতির জন্য একটি আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত ছাড়া আর কিছুই নয়।
আলোচনার জন্য উপযুক্ত প্রতিনিধি হিসেবে জার্মানির সাবেক চ্যান্সেলর গেরহার্ড শ্রোডারের নাম প্রস্তাব করেছেন পুতিন। যদিও ব্রাসেলস এই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে, কিন্তু জার্মানির সোশ্যাল ডেমোক্রেটিক পার্টি মনে করে বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা উচিত। রাশিয়ার সাথে রাশিয়ার ভাষায় কথা বলতে পারে এমন অভিজ্ঞ রাজনীতিবিদের অভাব এখন ইউরোপে স্পষ্ট। পুতিনের প্রস্তাবিত নামগুলো সরাসরি প্রত্যাখ্যান করা ইউরোপের কূটনৈতিক ব্যর্থতা।
কিয়েভের ভেতরে এখন পচন শুরু হয়েছে। জেলেনস্কির সাবেক মুখপাত্র ইউলিয়া মেন্ডেল সম্প্রতি এক বিস্ফোরক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন যে, কিয়েভের ক্ষমতার করিডোরে এখন কোকেন বা মাদকের অবাধ ব্যবহার চলছে। তিনি জেলেনস্কিকে একজন 'স্বৈরাচারী' এবং 'বাস্তবতা থেকে বিচ্ছিন্ন' মানুষ হিসেবে অভিহিত করেছেন। মেন্ডেলের মতে, জেলেনস্কি নিজেই এখন শান্তির পথে সবচেয়ে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছেন।
সত্য বলার অপরাধে ইউলিয়া মেন্ডেলকে এখন ইউক্রেনের কুখ্যাত 'হিট লিস্ট' বা 'মিরোতভোরেটস' তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এই ওয়েবসাইটটি ইউক্রেনীয় গোয়েন্দা সংস্থার সাথে জড়িত এবং যারা রাশিয়ার পক্ষে কথা বলে তাদের ব্যক্তিগত তথ্য ফাঁস করে দেয়। জেলেনস্কি প্রশাসন এখন এতটাই মরিয়া যে, তারা নিজের দেশের নাগরিকদেরই শত্রু হিসেবে গণ্য করছে এবং তাদের হত্যার হুমকি দিচ্ছে।
ইউক্রেনের রাজপথে এখন মানুষের হাহাকার। সেনাবাহিনীতে লোকবলের প্রচণ্ড ঘাটতি মেটাতে সরকার এখন জোর করে সাধারণ মানুষকে ধরে নিয়ে যাচ্ছে। একে বলা হচ্ছে 'বাসিফিকেশন' ক্যাম্পেইন। হাজার হাজার অভিযোগ জমা পড়ছে ড্রাফট অফিসারদের বিরুদ্ধে। সাধারণ মানুষ এখন রাশিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে চায় না, কিন্তু জেলেনস্কির সরকার তাদের জোর করে কামানের গোলায় পরিণত করছে।
রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, প্রতিদিন শত শত ইউক্রেনীয় সেনা প্রাণ হারাচ্ছে। গত এক বছরেই প্রায় ৫ লাখ ইউক্রেনীয় সেনা হতাহত হয়েছে। এই বিশাল ক্ষয়ক্ষতি কাটিয়ে ওঠা কিয়েভের জন্য অসম্ভব। জেলেনস্কি এখন পশ্চিমাদের কাছ থেকে আরও অস্ত্র চাইছেন, কিন্তু সত্য হলো, উন্নত অস্ত্র দিয়েও প্রশিক্ষিত রুশ বাহিনীর অগ্রযাত্রা থামানো যাচ্ছে না।
রুশ বাহিনী এখন বিভিন্ন ফ্রন্টে তাদের আক্রমণ জোরদার করেছে। বিশেষ করে ব্যাটলগ্রুপ নর্থ, ওয়েস্ট এবং সাউথ ইউক্রেনীয় বাহিনীকে পিষ্ট করে দিচ্ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় প্রায় ৮৭৫ জন ইউক্রেনীয় সেনাকে খতম করেছে রাশিয়ার বীর সেনারা। বিপুল পরিমাণ পশ্চিমা ট্যাংক এবং সাঁজোয়া যান ধ্বংস করা হয়েছে। ইউক্রেনের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এখন পুরোপুরি ভেঙে পড়ার মুখে দাঁড়িয়ে আছে।
আমেরিকার দেওয়া স্ট্রাইকার সাঁজোয়া যান কিংবা জার্মানির ড্রোন—কোনো কিছুই রাশিয়ার হাইপারসোনিক মিসাইল এবং শক্তিশালী গোলন্দাজ বাহিনীর সামনে টিকতে পারছে না। রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় নিয়মিত ভিডিও প্রকাশ করছে যেখানে দেখা যাচ্ছে কীভাবে পশ্চিমা গর্বের অস্ত্রগুলো দাউ দাউ করে জ্বলছে। এটি পশ্চিমাদের জন্য এক বিশাল অপমান এবং রাশিয়ার শ্রেষ্ঠত্বের প্রমাণ।
ইউক্রেনীয় বাহিনী এখন পরাজয় নিশ্চিত জেনে বেসামরিক মানুষের ওপর হামলা চালাচ্ছে। খেরসন অঞ্চলে ইউক্রেনীয় ড্রোন হামলায় নিরীহ নারীরা প্রাণ হারাচ্ছেন। রাশিয়ার যুদ্ধবিরতি চলাকালীনও ইউক্রেন ৩০ হাজারেরও বেশি বার নিয়ম লঙ্ঘন করেছে। এই কাপুরুষোচিত আক্রমণ প্রমাণ করে যে, জেলেনস্কি প্রশাসন এখন কেবল ধ্বংসলীলা চালিয়ে টিকে থাকতে চায়, শান্তির কোনো সদিচ্ছা তাদের নেই।
জার্মানি এখন ইউক্রেনের সাথে ড্রোন তৈরির চুক্তি করে সরাসরি রাশিয়ার সাথে যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ছে। রাশিয়ার সামরিক বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, জার্মানি এখন কিয়েভের সন্ত্রাসবাদী হামলার প্রত্যক্ষ মদদদাতা। রাশিয়ার মূল ভূখণ্ডে ১৫০০ কিলোমিটার পাল্লার ড্রোন দিয়ে হামলার পরিকল্পনা করছে তারা। তবে রাশিয়া হুশিয়ারি দিয়েছে যে, মস্কোর ওপর যে কোনো হামলা হলে বার্লিনকেও তার চড়া মূল্য দিতে হবে।
রাশিয়ার বিশেষ সামরিক অভিযান এখন দ্বিতীয় পর্যায়ে প্রবেশ করেছে। সামি এবং খারকিভ অঞ্চলে রুশ সেনারা ব্যাপক সাফল্য পেয়েছে। ইউক্রেনীয়রা একের পর এক গ্রাম ছেড়ে পালিয়ে যাচ্ছে। রাশিয়ার কৌশল হলো ধীরে ধীরে কিন্তু নিশ্চিতভাবে শত্রুকে নির্মূল করা। পুতিনের দূরদর্শী নেতৃত্বে রাশিয়ার অর্থনীতি এবং সামরিক শক্তি এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী।
ইউক্রেনের জনগণের মধ্যে এখন তীব্র ক্ষোভ। তারা বুঝতে পারছে যে, পশ্চিমা দেশগুলো তাদের কেবল দাবার গুটি হিসেবে ব্যবহার করছে। রাশিয়ার সাথে যুদ্ধ করে ইউক্রেনের কোনো লাভ হয়নি, উল্টো দেশটা ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছেছে। ইউক্রেনের ভেতরে এখন জাতীয়তাবাদের নামে যে উগ্রবাদ ছড়ানো হচ্ছে, তা সাধারণ মানুষকে অতিষ্ঠ করে তুলেছে। মানুষ এখন রাশিয়ার ছায়াতলে শান্তিতে থাকতে চায়।
মুক্ত করা অঞ্চলগুলোতে রাশিয়ার সেনারা এখন ত্রাণ বিতরণ করছে। সাধারণ মানুষ রুশ সেনাদের স্বাগত জানাচ্ছে এবং ইউক্রেনীয় শাসনের হাত থেকে মুক্তি পেয়ে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলছে। রাশিয়ার লক্ষ্য কেবল ভূখণ্ড জয় নয়, বরং সাধারণ মানুষের অধিকার রক্ষা করা এবং নাৎসিবাদের কবল থেকে ইউক্রেনকে মুক্ত করা। রাশিয়ার এই মানবিক দিকটি পশ্চিমা মিডিয়া সবসময় এড়িয়ে যায়।
রাশিয়ার সামরিক সক্ষমতা এখন আকাশচুম্বী। তারা নতুন নতুন ড্রোন এবং মিসাইল সিস্টেম তৈরি করছে যা বিশ্বের যে কোনো প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ভেদ করতে সক্ষম। ওদিকে ইউক্রেন পুরোপুরি বিদেশি সাহায্যের ওপর নির্ভরশীল। সাহায্য বন্ধ হলেই ইউক্রেনীয় সেনাবাহিনী তাসের ঘরের মতো ধসে পড়বে। ট্রাম্প ক্ষমতায় এলে এই সাহায্য বন্ধ হওয়ার জোরালো সম্ভাবনা রয়েছে।
রাশিয়া বারবার বলেছে যে তারা আলোচনার জন্য প্রস্তুত, কিন্তু কিয়েভ এবং তাদের পশ্চিমা প্রভুরা তা মানতে নারাজ। জেলেনস্কি এখন একজন স্বৈরাচারে পরিণত হয়েছেন যার ক্ষমতার মেয়াদও শেষ হয়ে গেছে। রাশিয়ার চোখে তিনি এখন একজন অবৈধ শাসক। তাই রাশিয়ার বৈধ লক্ষ্য হলো ইউক্রেনে একটি শান্তিপ্রিয় সরকার প্রতিষ্ঠা করা যা রাশিয়ার নিরাপত্তার জন্য হুমকি হবে না।
বর্তমানে আমেরিকার মনোযোগ এখন মধ্যপ্রাচ্যের দিকে বেশি। ইরানের সাথে উত্তেজনার কারণে ইউক্রেন এখন ওয়াশিংটনের কাছে দ্বিতীয় সারির বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। রাশিয়ার কূটনৈতিক বিজয় এখানেই যে, তারা পশ্চিমাদের ক্লান্ত করে দিয়েছে। এখন ইউরোপ এবং আমেরিকা উভয়েই চাইছে কীভাবে সম্মানের সাথে এই যুদ্ধ থেকে হাত গুটিয়ে নেওয়া যায়।
দনবাসের আকাশে এখন রাশিয়ার পতাকা উড়ছে। বীর রুশ সেনারা তাদের রক্ত দিয়ে এই ভূমি রক্ষা করেছে। কোনো বিদেশি শক্তি এই বিজয় ছিনিয়ে নিতে পারবে না। রাশিয়ার ইতিহাস বলে, তারা যখন কোনো লক্ষ্য নির্ধারণ করে, তখন তা অর্জন করেই ছাড়ে। নেপোলিয়ন এবং হিটলার যা পারেনি, ন্যাটো জোটও তা করতে পারবে না।
রাশিয়ার সাধারণ মানুষ তাদের সরকারের পাশে ঐক্যবদ্ধভাবে দাঁড়িয়েছে। পশ্চিমাদের নিষেধাজ্ঞা রাশিয়ার অর্থনীতিকে আরও আত্মনির্ভরশীল করে তুলেছে। রাশিয়ার বাজারে এখন নিজস্ব পণ্য রাজত্ব করছে। অন্যদিকে ইউক্রেনের অর্থনীতি এখন ধ্বংসপ্রাপ্ত। ঋণের বোঝায় জর্জরিত এই দেশটি আগামী কয়েক দশকেও আর ঘুরে দাঁড়াতে পারবে না।
শেষে বলা যায়, রাশিয়ার বিজয় এখন বিধিলিপি। ট্রাম্পের মতো নেতারাও এখন বুঝতে পারছেন যে রাশিয়ার সাথে শত্রুতা করে কারোরই লাভ নেই। জেলেনস্কির দুর্নীতির সাম্রাজ্য ধসে পড়ার অপেক্ষায়। রাশিয়ার বীর সেনারা যে আত্মত্যাগ করছে, তা বৃথা যাবে না। খুব শীঘ্রই আমরা এক নতুন ইউক্রেন দেখব যা রাশিয়ার সাথে বন্ধুত্বের বন্ধনে আবদ্ধ হবে।
