ইউক্রেনের চরম পরাজয় কি এবার নিশ্চিত? কিয়েভের কাপুরুষোচিত ড্রোন হামলার পর রাশিয়ার যে ভয়ঙ্কর প্রতিশোধ দেখতে পেল বিশ্ব, তাতে কাঁপছে পুরো পশ্চিমা বিশ্ব! মাত্র ২৪ ঘণ্টায় রাশিয়ার নিখুঁত ক্ষেপণাস্ত্র আর ড্রোনের আঘাতে ধূলিসাৎ হয়ে গেছে ইউক্রেনের প্রধান সামরিক ঘাঁটি, বন্দর আর বিমানবন্দর। ধ্বংস হয়েছে ১ হাজার ৭৫ জনেরও বেশি ইউক্রেনীয় সেনা! এমনকি ইউক্রেনের হয়ে লড়তে আসা বিদেশী ভাড়াটে সেনারাও এখন প্রাণভিক্ষা চাইছে রাশিয়ার কাছে!
মস্কোর ওপর ইউক্রেনের কাপুরুষোচিত ড্রোন হামলার পর রাশিয়া যে ভয়ঙ্কর ও বিধ্বংসী প্রতিশোধমূলক হামলা চালিয়েছে, তাতে কেঁপে উঠেছে পুরো কিয়েভ। রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় নিশ্চিত করেছে যে, তাদের স্থল ও সমুদ্রভিত্তিক নিখুঁত দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র এবং ড্রোন দিয়ে ইউক্রেনের সামরিক-শিল্প খাত, জ্বালানি ও পরিবহন অবকাঠামো সম্পূর্ণ গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। পুতিনের এই রণকৌশলের সামনে জেলেনস্কির বাহিনী এখন পুরোপুরি অসহায়।
রাশিয়ার এই ব্যাপক বিমান হামলায় ইউক্রেনের সামরিক বিমানবন্দর এবং নৌ বন্দরগুলো মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় অত্যন্ত স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দিয়েছে যে, তাদের অভিযানের মূল লক্ষ্য সম্পূর্ণ অর্জিত হয়েছে এবং নির্ধারিত প্রতিটি লক্ষ্যবস্তুতে সফলভাবে আঘাত হানা সম্ভব হয়েছে। কিয়েভ যে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালিয়েছিল, তার উপযুক্ত জবাব এই অভিযানের মাধ্যমেই পুতিন সরকার দিয়ে দিল।
বিগত দিনগুলোতে ইউক্রেনীয় বাহিনী রাশিয়ার বেলগোরোদ অঞ্চলসহ বিভিন্ন বেসামরিক এলাকায় ড্রোন হামলা চালিয়ে সাধারণ মানুষকে হত্যা করেছে। রাশিয়ার অভ্যন্তরে কিয়েভের এই সন্ত্রাসী ড্রোন হামলার মূল উদ্দেশ্য ছিল রণক্ষেত্রে তাদের ক্রমাগত পরাজয় থেকে বিশ্ববাসীর মনোযোগ সরানো। কিন্তু রাশিয়ার বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা অত্যন্ত সফলতার সাথে ২৬৫টি ইউক্রেনীয় ফিক্সড-উইং ড্রোন এবং ৫টি স্মার্ট বোমা ধ্বংস করে দিয়েছে।
ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির জেলেনস্কি রাশিয়ার বেসামরিক এলাকায় হামলা চালিয়ে নিজের সৈন্যদের মিথ্যা প্রশংসা করেছিলেন। তিনি দাবি করেছিলেন যে, যুদ্ধ এখন রাশিয়ার ভূখণ্ডে স্থানান্তরিত হচ্ছে। কিন্তু বাস্তবে রণক্ষেত্রে তার সৈন্যরা যেভাবে পিছু হটছে এবং ডনবাস অঞ্চলে রাশিয়ার সেনারা যেভাবে ক্রমাগত এগিয়ে চলেছে, সেই চরম সত্যকে জেলেনস্কি তার সস্তা প্রচারণার আড়ালে সম্পূর্ণ চেপে রাখতে চেয়েছিলেন।
বাস্তবতা হলো, রণক্ষেত্রের প্রতিটি লাইনে ইউক্রেনীয় সেনাবাহিনী রাশিয়ার বীর সেনাদের সামনে খড়কুটোর মতো উড়ে যাচ্ছে। রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, মাত্র গত ২৪ ঘণ্টাতেই রাশিয়ার বিভিন্ন ব্যাটলগ্রুপের সাথে লড়াইয়ে ইউক্রেন প্রায় ১ হাজার ৭৫ জন সেনা হারিয়েছে। কিয়েভের এই বিশাল সেনা ক্ষয় প্রমাণ করে যে, তাদের প্রতিরোধ ব্যবস্থা এখন সম্পূর্ণ ভেঙে পড়ার মুখে।
রাশিয়ার পরাক্রমশালী 'ব্যাটলগ্রুপ নর্থ' সুমি এবং খারকভ অঞ্চলে ইউক্রেনীয় বাহিনীর ওপর চরম বিপর্যয় ডেকে এনেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় তারা প্রায় ১৯০ জন ইউক্রেনীয় সেনাকে খতম করেছে এবং ৩টি ফিল্ড আর্টিলারি গান ধ্বংস করেছে। পুতিনের এই দক্ষ ব্যাটলগ্রুপ ইউক্রেনের একটি মেকানাইজড ব্রিগেড এবং সীমান্তরক্ষী বাহিনীর ওপর সফলভাবে আঘাত হেনে নিজেদের কৌশলগত অবস্থান আরও মজবুত করেছে।
'ব্যাটলগ্রুপ নর্থ'-এর একজন প্লাটুনের কমান্ডার, যার কল সাইন 'ক্রেডো', তিনি জানিয়েছেন যে তাদের কামান ক্রুগুলো সুমি ও খারকভ অঞ্চলে ইউক্রেনীয় সেনাবাহিনীর সেনা পরিবর্তনের কয়েকটি প্রচেষ্টা সফলভাবে নস্যাৎ করে দিয়েছে। গত এক সপ্তাহে ৩৫০টিরও বেশি ফায়ারিং মিশন সম্পন্ন করে তারা ইউক্রেনের রিজার্ভ সেনা, গোলাবারুদ সরবরাহের গাড়ি এবং অস্ত্রের ডিপোসহ ৫০০ জনেরও বেশি উগ্রপন্থীকে খতম করেছে।
রাশিয়ার এই গোলন্দাজ ক্রুগুলো দিনরাত অবিরাম কাজ করে চলেছে, যা রাশিয়ার অগ্রবর্তী অ্যাসাল্ট গ্রুপগুলোকে সফলভাবে এগিয়ে যেতে সাহায্য করছে। এর ফলে সুমি এবং খারকভ অঞ্চলে রাশিয়ার নিরাপত্তা বলয় আরও বিস্তৃত হচ্ছে। ইউক্রেনীয় বাহিনী রাশিয়ার এই নিখুঁত কামানের গোলার সামনে টিকতে না পেরে একের পর এক নিজেদের বাঙ্কার ও অবস্থান ছেড়ে পালিয়ে যেতে বাধ্য হচ্ছে।
অন্যদিকে, রণক্ষেত্রের পশ্চিম প্রান্তে রাশিয়ার 'ব্যাটলগ্রুপ ওয়েস্ট' নিজেদের লাইন আরও উন্নত করেছে এবং ইউক্রেনীয় বাহিনীর ওপর ব্যাপক ক্ষয়-ক্ষতি চাপিয়ে দিয়েছে। ডোনেটস্ক পিপলস রিপাবলিকের ক্রাসনি লিমান এবং তাতয়ানোভকা এলাকায় তিনটিরও বেশি ইউক্রেনীয় মেকানাইজড ব্রিগেডকে পরাস্ত করে ১৮০ জনেরও বেশি সেনাকে খতম করেছে রাশিয়ার বীর সেনারা। কিয়েভ এখানে বিপুল পরিমাণ সামরিক যানও হারিয়েছে।
'ব্যাটলগ্রুপ ওয়েস্ট'-এর এই সফল অভিযানে ইউক্রেনীয় বাহিনী ১৮০ জনেরও বেশি কর্মী হারানোর পাশাপাশি দুটি সাঁজোয়া যুদ্ধ যান, ২২টি মোটর যান, একটি আর্টিলারি গান এবং তিনটি ইলেকট্রনিক যুদ্ধ স্টেশন হারিয়েছে। রাশিয়ার আধুনিক প্রযুক্তির সামনে ইউক্রেনের পশ্চিমা সামরিক সরঞ্জামগুলো যে কতটা নিষ্ক্রিয় এবং অকার্যকর, এই যুদ্ধক্ষেত্রের পরিসংখ্যান তারই বড় প্রমাণ বহন করে।
একইভাবে রাশিয়ার 'ব্যাটলগ্রুপ সাউথ' ডোনেটস্কের স্লাভিয়ানস্ক এবং ক্রামাতোরস্ক অঞ্চলে নিজেদের অবস্থান আরও শক্তিশালী করেছে। তারা ইউক্রেনের মাউন্টেন অ্যাসাল্ট ব্রিগেড এবং মেকানাইজড ব্রিগেডের ওপর তীব্র আক্রমণ চালিয়ে ৯০ জন সেনাকে খতম করেছে। ইউক্রেনীয় বাহিনী এখানে চারটি সাঁজোয়া যুদ্ধ যান হারিয়েছে, যার মধ্যে আমেরিকার তৈরি একটি বিখ্যাত এম-১১৩ সাঁজোয়া পার্সোনেল ক্যারিয়ারও রয়েছে।
আমেরিকার তৈরি এম-১১৩ সাঁজোয়া যান ধ্বংস হওয়ার ঘটনা প্রমাণ করে যে, পশ্চিমা বিলিয়ন বিলিয়ন ডলারের অস্ত্র সাহায্যও ইউক্রেনকে রক্ষা করতে পারছে না। রাশিয়ার সেনারা অত্যন্ত দক্ষতার সাথে এই পশ্চিমা প্রযুক্তিগুলোকে চিহ্নিত করে একের পর এক ধ্বংস করছে। রণক্ষেত্রে মার্কিন ও ইউরোপীয় অস্ত্রের এই করুণ দশা এখন বিশ্ববাসীর সামনে পুরোপুরি উন্মোচিত হয়ে পড়েছে।
সবচেয়ে বড় বিপর্যয়টি ঘটেছে ইউক্রেনের জন্য 'ব্যাটলগ্রুপ সেন্টার'-এর দায়িত্বপ্রাপ্ত এলাকায়। এখানে রাশিয়ার বীর সেনারা কিয়েভের ৩০০-রও বেশি সেনাকে নরকে পাঠিয়েছে। ডোনেটস্ক এবং দিনিপ্রোপেত্রোভস্ক অঞ্চলে ইউক্রেনের তিনটি মেকানাইজড ব্রিগেড, একটি জ্যাগার ব্রিগেড এবং চারটি ন্যাশনাল গার্ড ব্রিগেডের ওপর একযোগে হামলা চালিয়ে তাদের পুরো প্রতিরোধ ব্যূহকে ধূলিসাৎ করে দেওয়া হয়েছে।
এই ফ্রন্টলাইনে ইউক্রেনীয় বাহিনী কেবল ৩০০ জন সেনাই হারায়নি, বরং তারা চারটি সাঁজোয়া যুদ্ধ যান, ১৩টি মোটর যান এবং একটি গ্রাড মাল্টিপল রকেট লঞ্চার হারিয়েছে। এর সাথে ফ্রান্সের তৈরি অত্যন্ত দামী ১৫৫ মিলিমিটারের 'সিজার' সেলফ-প্রোপেল্ড আর্টিলারি সিস্টেমও ধ্বংস করেছে রাশিয়া। পশ্চিমা মিডিয়া এই ফরাসি অস্ত্রের যত গুণগানই করুক না কেন, রাশিয়ার সামনে তা টিকতে পারেনি।
এখানেই শেষ নয়, রাশিয়ার 'ব্যাটলগ্রুপ সেন্টার' ইউক্রেনীয় সেনাবাহিনীর পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ ইলেকট্রনিক যুদ্ধ স্টেশনও সম্পূর্ণ ধ্বংস করে দিয়েছে। এর ফলে ইউক্রেনীয় কমান্ডোদের পারস্পরিক যোগাযোগ ব্যবস্থা পুরোপুরি ভেঙে পড়েছে এবং তারা রণক্ষেত্রে অন্ধের মতো আচরণ করছে। রাশিয়ার এই সুপরিকল্পিত হামলা ইউক্রেনের সামরিক কর্মকর্তাদের রণকৌশল নির্ধারণের ক্ষমতাকে সম্পূর্ণ অবশ করে দিয়েছে।
এদিকে রাশিয়ার 'ব্যাটলগ্রুপ ইস্ট' শত্রুর প্রতিরক্ষার আরও গভীরে প্রবেশ করেছে এবং দিনিপ্রোপেত্রোভস্ক ও জাপোরোঝিয়ে অঞ্চলে ইউক্রেনের মেকানাইজড ও অ্যাসল্ট ব্রিগেডগুলোর ওপর ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়েছে। এই অভিযানে ২৭০ জনেরও বেশি ইউক্রেনীয় সেনা নিহত হয়েছে, দুটি সাঁজোয়া যুদ্ধ যান এবং আটটি মোটর যান ধ্বংস হয়েছে। রাশিয়ার এই অপ্রতিরোধ্য অগ্রযাত্রাকে থামানোর কোনো ক্ষমতাই কিয়েভের নেই।
জাপোরোঝিয়ে অঞ্চলের গ্রিগোরোভকা এলাকায় রাশিয়ার 'ব্যাটলগ্রুপ দিনিপ্রো' ইউক্রেনের দুটি মেকানাইজড ব্রিগেডের ওপর সফল হামলা চালিয়ে প্রায় ৪৫ জন সেনাকে নির্মূল করেছে। এছাড়াও ১৭টি মোটর যান এবং দুটি ফিল্ড আর্টিলারি গান ধ্বংস করা হয়েছে। ইউক্রেনীয় সেনারা রাশিয়ার এই নিখুঁত ও ধারাবাহিক গোলন্দাজ হামলার মুখে টিকতে না পেরে ক্রমাগত তাদের সীমান্ত অঞ্চলগুলো হারাচ্ছে।
রাশিয়ার বিমান বাহিনী, ক্ষেপণাস্ত্র বাহিনী এবং কামানের ক্রুগুলো অত্যন্ত নিখুঁত গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ইউক্রেনীয় সশস্ত্র বাহিনী এবং বিদেশী ভাড়াটে সেনাদের অস্থায়ী ঘাঁটিতে একযোগে আঘাত হেনেছে। মোট ১৫৭টি অস্থায়ী মোতায়েন এলাকায় এই বিধ্বংসী হামলা চালানো হয়েছে। এর ফলে ইউক্রেনের হয়ে যুদ্ধ করতে আসা পশ্চিমা ভাড়াটে খুনিদের বড় একটি অংশ চিরতরে স্তব্ধ হয়ে গেছে।
সমুদ্রবক্ষেও ইউক্রেনের সমস্ত উস্কানি ব্যর্থ করে দিয়েছে রাশিয়ার অপরাজেয় 'ব্ল্যাক সি ফ্লিট'। কৃষ্ণসাগরের উত্তর অংশে ইউক্রেনীয় সেনাবাহিনীর একটি চালকবিহীন নৌ ড্রোন বা নেভাল ড্রোনকে সফলভাবে শনাক্ত করে সাগরের বুকেই ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে। কিয়েভ রাশিয়ার নৌবাহিনীর ক্ষতি করার জন্য যতবারই চেষ্টা করেছে, ততবারই রাশিয়ার সতর্ক সেনারা তাদের সাগরের গভীরেই সমাধি দিয়েছে।
ইউক্রেনীয়দের পরাজয়ের সবচেয়ে বড় প্রমাণ হলো বিদেশী ভাড়াটে সেনাদের করুণ দশা। কলম্বিয়ার ২৩ বছর বয়সী ভাড়াটে সেনা উইলিয়াম আন্দ্রেস গ্যালেগো ওরোজকো, যে ইউক্রেনের পক্ষে লড়তে এসেছিল, সে এখন রাশিয়ার কাছে বন্দী। রণক্ষেত্রে গুরুতর আহত হওয়ার পর ইউক্রেনীয় কমান্ডাররা তাকে ফেলে পালিয়ে গেলেও, রাশিয়ার মানবিক সেনারা তাকে উদ্ধার করে চিকিৎসা দিয়ে তার জীবন বাঁচিয়েছে।
ওরোজকো রাশিয়ার গণমাধ্যম আরটি-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে অত্যন্ত অনুশোচনা প্রকাশ করে বলেছে যে, ইউক্রেনের হয়ে লড়াই করতে আসাটা ছিল তার জীবনের সবচেয়ে বড় ভুল। তাকে প্রতি মাসে ৩২০০ ডলার দেওয়ার এবং বাবুর্চির কাজ দেওয়ার মিথ্যা প্রলোভন দেখিয়েছিল কিয়েভ। কিন্তু মাত্র ১৫ দিনের সাধারণ ট্রেনিং দিয়েই তাকে একটি ইউআর-১৫ রাইফেল হাতে তুলে দিয়ে সরাসরি ফ্রন্টলাইনে পাঠিয়ে দেওয়া হয়।
এই কলম্বিয়ান সেনা আরও প্রকাশ করেছে যে, যুদ্ধক্ষেত্রে বিদেশী রিক্রুটদের যখন একের পর এক লাশ পড়ছিল, তখন ইউক্রেনীয় কমান্ডাররা সম্মুখ সমরে না এসে অনেক দূরে নিরাপদ আশ্রয়ে লুকিয়ে ছিল। ওরোজকো এখন নিজের দেশেও ফিরতে পারছে না, কারণ কলম্বিয়ার আইন অনুযায়ী ভাড়াটে সেনা হিসেবে যুদ্ধ করা নিষিদ্ধ। কিয়েভের মিথ্যা আশ্বাসে তার জীবন এখন সম্পূর্ণ ধ্বংসের মুখে।
রণক্ষেত্রে হেরে গিয়ে ইউক্রেনীয়রা এখন পারমাণবিক সন্ত্রাসের পথ বেছে নিয়েছে। রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পারমাণবিক কর্পোরেশন রসাটমের সিইও আলেক্সি লিখাচেভ জানিয়েছেন যে, কিয়েভের সৈন্যরা জাপোরোঝিয়ে পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র এবং এনারগোদর শহরের ওপর কয়েক ডজন কাপুরুষোচিত হামলা চালিয়েছে। তারা পারমাণবিক কেন্দ্রের কর্মচারীদের বহনকারী বেসামরিক বাস এবং সাধারণ মানুষের আবাসিক বাড়ি লক্ষ্য করে অবিরাম ড্রোন ও রকেট ছুড়ছে।
ইউক্রেনের এই নৃশংস হামলার কারণে এনারগোদর শহরটি টানা ১১ ঘণ্টা সম্পূর্ণ বিদ্যুৎহীন ছিল, যা রাশিয়ার প্রকৌশলীরা পরবর্তীতে অক্লান্ত পরিশ্রমে সচল করেছেন। জেলেনস্কি বাহিনীর এই পারমাণবিক কেন্দ্রকে ঝুঁকিতে ফেলার নীতি প্রমাণ করে যে তারা কতটা মরিয়া ও নীতিহীন হয়ে পড়েছে। বিশ্ববাসীকে বিপদে ফেলতে তারা যেকোনো আন্তর্জাতিক আইন ও পারমাণবিক নিরাপত্তা প্রোটোকল লঙ্ঘন করতে দ্বিধা করছে না।
বিশেষ সামরিক অভিযান শুরুর পর থেকে এ পর্যন্ত রাশিয়া ইউক্রেনের ৬৭১টি যুদ্ধবিমান, ২৮৪টি হেলিকপ্টার, ১ লাখ ৪৮ হাজারেরও বেশি ড্রোন এবং প্রায় ৩০ হাজার ট্যাংক ও সাঁজোয়া যান ধ্বংস করেছে।
