তুরস্ক-সিরিয়ায় মৃত্যু সংখ্যা ৪৬ হাজার ছাড়াল, রবিবার রাতেই বন্ধ হতে পারে উদ্ধারকাজ
সোমবার তুরস্ক (Turkey) এবং সিরিয়ায় (Syria) ভয়াবহ ভূমিকম্পের (earthquake) ঘটনার দু’সপ্তাহ পূরণ হয়ে যাবে। এখনও অবধি এই দুর্ঘটনায় দুই দেশ মিলিয়ে প্রায় ৪৬ হাজারের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে। ভেঙেছে তিন লাখেরও বেশি অ্যাপার্টমেন্ট। এরমধ্যেই খবর, রবিবার তুরস্কে উদ্ধারকাজ (rescue) বন্ধ করতে চলেছে সেনা এবং উদ্ধারকারী দল।
উল্লেখ্য, মনে করা হচ্ছে ধ্বংসস্তূপের নীচে এখনও বহু মানুষ নিখোঁজ। তবে ভূমিকম্পের পর ২৯৬ ঘণ্টা অতিক্রান্ত হয়েছে এবং নিখোঁজ ব্যক্তিদের জীবিত থাকার সম্ভাবনা ধীরে ধীরে কমে আসছে। যার ফলে এবার উদ্ধারকাজ বন্ধ করে দেওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। তবে এই নিয়ে বিরোধিতাও শুরু হয়েছে। সেদেশের অনেকেই বলছেন, যেখানে সমস্ত নিখোঁজ ব্যক্তিকে খুঁজে বের করার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল, সেখানে কেন মাত্র দু’সপ্তাহের মধ্যেই উদ্ধারকাজ বন্ধ করে দিছে প্রশাসন!
এদিকে গত শুক্রবার বিকেলেই ভূমিকম্পের ঘটনার প্রায় ২৭৮ ঘণ্টা পর ৪৫ বছর বয়সি এক ব্যক্তিকে জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করে সেনা। সেই ঘটনার ভিডিও ইতিমধ্যেই ছড়িয়ে পড়েছে নেটমাধ্যমে। জল ছাড়া, খাবার ছাড়া, তার উপর হাড় কাঁপানো ঠান্ডা- সেই অবস্থাতেও কোনওমতে প্রাণটুকু টিকে ছিল ওই ব্যক্তির।সেই ভাইরাল ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, ধবংসস্তূপের ভিতর থেকে একটি স্ট্রেচারে করে ওই ব্যক্তিকে বের করে আনা হচ্ছে।
উল্লেখ্য, গত ৬ ফেব্রুয়ারি সকালে তুরস্কের দক্ষিণ-পূর্ব কাহরামানমারাস প্রদেশে প্রথমে ভূমিকম্প হয়। রিখটার স্কেলে এর মান ছিল ৭.৮। এরপর কমবেশি আরও ৪০টি আফটার শক একেবারে ভিত নাড়িয়ে দেয় তুরস্ক এবং প্রতিবেশী দেশ সিরিয়ার। ভেঙে পড়ে একের পর এক বহুতল। চাপা পড়ে যান হাজার হাজার মানুষ। দুই দেশ মিলিয়ে সেখানে ইতিমধ্যে ৪৬ হাজার মানুষের মৃত্যুর খবর মিলেছে। হয়তো এখনও চাপা পড়ে আছেন বহু মানুষ।
খবর দ্য ওয়ালের/এনবিএস/২০২৩/একে