সামরিক শক্তি বৃদ্ধিতে ওয়াশিংটনের সঙ্গে কাজ করবে তাইওয়ান

দেশটিতে মার্কিন আইন প্রণেতাদের পাঁচদিন ব্যাপী সফরকালীন সময় প্রেসিডেন্ট সাই ইং এই ঘোষণা দিলেন। তিনি বলেন, জলবায়ু মোকাবেলা, বহিঃশত্রুর আক্রমণ প্রতিরোধ, ভৌগলিক অখন্ডতা রক্ষাসহ বিশ্ব চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায়  দেশ দুটি একসঙ্গে কাজ করবে। আরটি      

কর্মপরিকল্পনার বিষয়ে প্রেসিডেন্ট সাই ইং বিস্তারিত কিছু জানাননি। গত সপ্তাহে পেন্টাগনের পক্ষ হতে চীনা বিষয়ক উপ সহকারী প্রতিরক্ষা কর্মকর্তা মাইকেল চেইজ দেশটিতে ভ্রমণ করেন। এ সময় উচ্চ নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিষয়াদি নিয়ে জরুরী বৈঠক করেন তিনি।

২০১৯ সালের পর এবারই প্রথম পেন্টাগনের পক্ষ হতে একজন শীর্ষ সামরিক কর্তা হিসেবে মাইকেল দেশটিতে ভ্রমণ  করলেন। এর আগে পূর্ব এশিয় প্রতিরক্ষা বিষয়ক উপ সহকারী হাইনো ক্লিংক বেশ কয়েকটি বৈঠকে অংশ নেন।

ফিনান্সিয়াল টাইমস জানিয়েছে, তাইওয়ানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও ওয়াশিংটনের জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের মধ্যে কি আলোচনা হয়েছে সে বিষয়ে বেইংজিংয়ের উদ্বেগজনক প্রতিক্রিয়া এড়াতেই গোপন রাখা হয়েছে। যা কিনা দেশটির সার্বভৌমত্বের জন্য হুমকি হতে পারে।

চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মূখপাত্র ওয়াং ওয়েনবিন অবশ্য চিজের সাপ্রতিক সফরকে উদ্বেগজনক বলে মন্তব্য করেছেন। এমনকি দুই দেশের সামরিক শক্তি জোট কর্মসূচীতেও তার দেশ বিরোধি অবস্থানে রয়েছে বলেও জানান তিনি।

এনবিএস/ওডে/সি

Walton Ads