দিল্লির নতুন মেয়রের ওপর বিজেপি কাউন্সিলরদের হামলা

মেয়র শেলি ওবেরয় শুক্রবার অভিযোগ করেছেন, বিজেপির কয়েকজন সদস্য ‘তার উপর প্রাণঘাতী হামলা চালিয়েছে’। মিউনিসিপ্যাল হাউসটি বিজেপি এবং আম আদমি পার্টির কাউন্সিলরদের মধ্যে নতুন সংঘর্ষের কয়েক ঘণ্টা পরে এই হামলা হয় বলে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা পিটিআই।

গণমাধ্যমকে জানান, তার সহকর্মী আশু ঠাকুরকে আক্রমণ করেন আরেক বিজেপি কাউন্সিলর। তবে তাৎক্ষণিকভাবে বিজেপির কাছ থেকে কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

সংবাদ সম্মেলনের কিছুক্ষণ আগে মেয়র পৌরসভার অধিবেশন মুলতবি করেন। আগামী ২৭ ফেব্রুয়ারি সোমবার স্থানীয় সময় বেলা ১১টার দিকে মিউনিসিপ্যাল করপোরেশন অব দিল্লির (এমসিডি) ছয় সদস্যের স্থায়ী কমিটির নতুনভাবে নির্বাচন হবে বলেও ঘোষণা দেন তিনি।

মেয়র ওবেরয় শুক্রবার স্থায়ী কমিটির একটি ভোটকে ‘অবৈধ’ ঘোষণা করেন। এই কমিটিটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই কমিটির নির্বাহী ও অর্থনৈতিক ক্ষমতা রয়েছে। এরপরই বিজেপির কাউন্সিলরদের সঙ্গে আপের কাউন্সিলরদের হট্টগোল শুরু হয়। তাদের মধ্যে ধাক্কাধাক্কি হয়। কোনো কোনো কাউন্সিলরের পোশাকও ছিঁড়ে যায়।

টাইমস অব ইন্ডিয়ার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আপের বিধায়ক অতীশি সিং অভিযোগ করেছেন, আশু ঠাকুরের গলায় ওড়না পেঁচিয়ে বিজেপির এক সদস্য মিউনিসিপ্যালিটি ভবনের গেট পর্যন্ত টেনেহিঁচড়ে নিয়ে গেছেন। তিনি আরও বলেন, তারা কমলা মার্কেটের থানায় যাবেন। মেয়র ও অন্য নারী কাউন্সিলরদের ওপর প্রাণঘাতী হামলার জন্য থানায় মামলা করা হবে। ‘এই ঘটনা আমাদেরকে লজ্জিত করেছে। দেশবাসী জানলো দিল্লির মেয়র আক্রান্ত। তিনি একজন নারী। হামলাকারী হলো বিজেপি, যারা কেন্দ্রে বসে দেশ শাসন করছে।’

বিজেপির একজন কাউন্সিলর এনডিটিভিকে বলেন, ভোট বৈধ। যদি ভোট অবৈধ হতো, তাহলে আপের প্রার্থী জিততেন। এ সময় ওই প্রার্থীর শার্টের বোতাম ছেঁড়া ছিল।

মিউনিসিপ্যালের মঞ্চে একপর্যায়ে একজন কাউন্সিলর উঠে মেয়রের মাইক টেনে নেন। বিজেপির কাউন্সিলররা মেয়রের চেয়ার ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেন। শুক্রবারের ভোটের ব্যালট পেপারগুলো ছিঁড়ে ফেলা হয়।

এনবিএস/ওডে/সি

Walton Ads