আইপিএল ২০২৬-এর আগে ট্রেড উইন্ডোতে আনক্যাপ্ড খেলোয়াড়দের চাহিদা বাড়ছে। আইপিএল ২০২৫ শেষ হতেই দলগুলো তাদের স্কোয়াড শক্তিশালী করতে নতুন প্রতিভা খুঁজছে। আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতাহীন এই খেলোয়াড়রা প্রায়ই বড় ভূমিকা রাখে।

ট্রেড উইন্ডোতে খেলোয়াড় বিনিময় বা নগদ লেনদেন হতে পারে। ডিসেম্বর ২০২৫-এ নিলামের আগে এই সময়টি দলগুলোর জন্য গুরুত্বপূর্ণ। আসুন দেখি কোন তিন আনক্যাপ্ড খেলোয়াড় বদলির আলোচনায় রয়েছেন।

আশুতোষ শর্মা বর্তমানে দিল্লি ক্যাপিটালসে খেলছেন। ২০২৪ সালে পাঞ্জাব কিংসের হয়ে অভিষেক হওয়া এই মিডল-অর্ডার ব্যাটসম্যান ২৪ ম্যাচে ৩৯৩ রান করেছেন ১৬৩.৭৫ স্ট্রাইক রেটে। পাঞ্জাব তাদের দুর্বল লোয়ার অর্ডার শক্তিশালী করতে তাকে ফিরিয়ে আনতে চাইতে পারে।

রবিন মিন্জের আইপিএল যাত্রা বাধাগ্রস্ত হয়েছে। ২০২৪ সালে গুজরাট টাইটান্স তাকে কিনলেও তিনি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় খেলতে পারেননি। ২০২৫ সালে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সে মাত্র ৬ রান করলেও সিএসকে তাকে নিতে আগ্রহী হতে পারে, বিশেষ করে এমএস ধোনির বিদায়ের পর।

মানোজ ভান্ডাজ রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের হয়ে মাত্র এক ম্যাচ খেলেছেন। কিন্তু ২০২৪ মহারাজা টি২০ ট্রফিতে ২১৩.১৪ স্ট্রাইক রেটে ২৯২ রান ও ৮ উইকেট নিয়েছেন। লখনউ সুপার জায়ান্টসের জন্য তিনি আদর্শ পছন্দ হতে পারেন।

পাঞ্জাব কিংস যদি আশুতোষ শর্মাকে ফিরিয়ে আনে, তা তাদের ব্যাটিং অর্ডারকে শক্তিশালী করবে। দিল্লি ক্যাপিটালস তাকে ছাড়তে নারাজ হলেও আকর্ষণীয় অফার পেলে চুক্তি বদল হতে পারে। সিএসকের জন্য রবিন মিন্জ দীর্ঘমেয়াদী বিনিয়োগ হতে পারে।

মানোজ ভান্ডাজের মতো অলরাউন্ডার লখনউর দুর্বল মিডল অর্ডার ও বোলিং লাইনআপে নতুন মাত্রা যোগ করতে পারে। আরসিবি যদি তাকে ছাড়তে রাজি হয়, তাহলে এই ট্রেড উভয় দলের জন্যই লাভজনক হতে পারে।

আইপিএল ট্রেডের এই গুঞ্জন ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোর কৌশলগত পরিকল্পনার ইঙ্গিত দেয়। আনক্যাপ্ড খেলোয়াড়রা কম খরচে দলকে শক্তিশালী করতে পারে। আগামী নিলাম পর্যন্ত এই আলোচনাগুলো আরও জোরালো হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

Walton Ads