বাংলাদেশ বিশ্বকাপে নেই। পাকিস্তান যাওয়া-না-যাওয়া নিয়ে হুমকি-ধামকি দিচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে এবার প্রশ্ন উঠছে, অস্ট্রেলিয়া কি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে ভারতে আসবে? হঠাৎ করেই তাদের নিয়েও সংশয় তৈরি হওয়ার কারণ হলো ভারতে নিপাহ ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব।

ভারতে গিয়ে খেলা নিয়ে সংশয় তৈরি হয়েছে অস্ট্রেলিয়ার মাঝে। শুধু তারাই নয়, ইংল্যান্ডও নিপাহ ভাইরাসের সংক্রমণ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।

অস্ট্রেলিয়া এখন পাকিস্তানে টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলছে। সেই দেশের সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন বলছে, ইংল্যান্ড ভারতে বিশ্বকাপ খেলা নিয়ে আতঙ্কিত।

অস্ট্রেলিয়ার ফেডারেল স্বাস্থ্যমন্ত্রী মার্ক বাটলার বলেছেন, "নিপাহ ভাইরাস পরিস্থিতি আমরা খুব কাছ থেকে পর্যবেক্ষণ করছি। আমরা সতর্ক আছি।"

কিন্তু অস্ট্রেলিয়া যদি শেষ মুহূর্তে না আসে, তাহলে তাদের জন্য কি শেষ সময়ে ভেন্যু বদলানো সম্ভব হবে?

বাংলাদেশও ভেন্যু পরিবর্তনের জন্য আইসিসির কাছে আবেদন করেছিল। কিন্তু আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল সে আবেদন মানেনি।

বিশ্বকাপ শুরুর আগেই অস্ট্রেলিয়া দল আরেকটা বড় ধাক্কা খেল। পিঠের চোটের কারণে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে গেলেন তাদের শীর্ষ পেসার প্যাট কামিন্স। কামিন্সের জায়গায় দলে ডাকা হয়েছে বাঁহাতি ফাস্ট বোলার বেন ডরসুইসকে।

কামিন্সের বাদ পড়ার ইঙ্গিত আগে থেকেই ছিল। ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া জানিয়েছিল, বিশ্বকাপ শুরুতেই কামিন্স পাওয়া যাবে না। এর আগে বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে গিয়েছিলেন ম্যাথু শর্টও। তার জায়গায় সুযোগ পেয়েছেন ম্যাট রেনশ। বিগ ব্যাশ লিগে স্টিভ স্মিথ ভালো ফর্মে থাকলেও বিশ্বকাপের প্রাথমিক দলেই তার স্থান হয়নি। তাই তাকে মূল দলে নেওয়া হয়নি।

কামিন্সকে কিন্তু ১৫ সদস্যের প্রাথমিক দলে রাখা হয়েছিল। ধারণা ছিল, শুরুতে না পারলেও টুর্নামেন্টের মাঝামাঝি তিনি দলে যোগ দেবেন। কামিন্স না থাকায় অস্ট্রেলিয়া যে অভিজ্ঞতা হারাল, তা বললে অত্যুক্তি হবে না। তার নেতৃত্বেই ভারতে ৫০ ওভারের বিশ্বকাপ জিতেছিল অস্ট্রেলিয়া।

অস্ট্রেলিয়ার জার্সিতে কামিন্স শেষবার খেলেছিলেন গত বছরের ডিসেম্বরে, অ্যাশেজ সিরিজে। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে অ্যাডিলেড টেস্টে। গত জুলাইয়ের পর সেটাই ছিল তার একমাত্র ম্যাচ।

তার নেতৃত্বেই ভারতের মাটিতে ওয়ানডে বিশ্বকাপ জিতেছিল অস্ট্রেলিয়া। সেই কামিন্স এবার ভারতের মাটিতে হতে যাওয়া টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে থাকছেন না।

 

Walton Ads