২০২২ সালে ৩৫ দেশে ১৮৭ বার ইন্টারনেট বন্ধ হয়, শীর্ষে ভারত

রাজনৈতিক অস্থিরতাসহ নানা কারণে সংশ্লিষ্ট দেশের সরকারগুলো  ইন্টারনেট বন্ধ করেছিল। এর মধ্যে সর্বাধিক ৮৪ বার ইন্টারনেট বন্ধ করে ভারত রয়েছে শীর্ষে। দ্বিতীয়স্থানে আছে ইউক্রেন। তারপরেই রয়েছে ইরান ও মিয়ানমার। শুধু ২০২২ সালই নয়, বিশ্বে টানা পাঁচ বছরের মতো অতি জরুরি সেবা বন্ধে শীর্ষস্থানে থাকার রেকর্ড গড়েছে দক্ষিণ এশিয়ার  দেশ ভারত।

ইন্টারনেট অধিকারবিষয়ক গ্রুপ অ্যাক্সেস নাউ ও কিপইটঅনের সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনের বরাতে এ খবর জানিয়েছে গার্ডিয়ান।

প্রতিবেদনে আরো বলা হয়েছে, ২০১৬ সালের পর গত বছরই সর্বোচ্চ সংখ্যক ইন্টারনেট বন্ধ করার ঘটনা ঘটে। ২০১৬ সালে মোট ২৫টি দেশে ইন্টারনেট সেবা বন্ধ করা হয়েছিল ইচ্ছাকৃতভাবে। তারপরের বছর অর্থাৎ ২০১৭ সালে ১৯টি দেশে, ২০১৮ সালে ২৬ দেশে, ২০১৯ সালে ৩৩ দেশে, ২০২০ সালে ২৯ দেশে এবং ২০২১ সালে মোট ৩৪টি দেশে ইন্টারনেট বন্ধ করা হয়েছিল।

চলতি বছর পাকিস্তান, গণপ্রজাতান্ত্রিক কঙ্গো, গুয়াতেমালা ও জিম্বাবুয়েতে জাতীয় নির্বাচনের কথা রয়েছে। অ্যাক্সেস নাউ ও কিপইটঅনের শঙ্কা, নির্বাচন উপলক্ষে এসব দেশ ইন্টারনেট সাময়িকভাবে বন্ধ করতে পারে।

গত বছরের নভেম্বরের আগ পর্যন্ত টানা দুই বছরের বেশি সময় ইন্টারনেট বন্ধ রেখে রেকর্ড গড়েছিলো পূর্ব আফ্রিকার দেশ ইথিওপিয়া। দেশটির যুদ্ধকবলিত টাইগ্রে অঞ্চলে ওই সময় ইন্টারনেট সেবা বন্ধ রাখা হয়েছিলো।

অ্যাক্সেস নাউয়ের কর্মকর্তা ফেলিসিয়া অ্যান্থোনিও বলেন, ইন্টারনেট ব্যবহার মানুষের  মৌলিক অধিকারের মধ্যে পড়ে। এটা তথ্য জানা ও যোগাযোগের গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। বিরোধীদের দমন করতে সরকার ইন্টারনেট বন্ধের মতো পদক্ষেপ গ্রহণ করে। এর মধ্য দিয়ে মানবাধিকার লঙ্ঘিত হয়। এটা নিয়ে সচেতনতা বাড়াতে হবে।

এনবিএস/ওডে/সি

Walton Ads