ডিসকর্ডে ভেয়ার ম্যালওয়্যার ছড়াচ্ছে হ্যাকাররা
চ্যাটিং প্লাটফর্ম ডিসকর্ডের মাধ্যমে ভেয়ার নামের নতুন একটি ম্যালওয়্যার ছড়ানোর তথ্য পাওয়া গেছে। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক তথ্য নিরাপত্তা কোম্পানি সাইবারআর্ক ল্যাবস ম্যালওয়্যারের বিষয়ে জানতে পেরেছে। বর্তমানে ডিসকর্ডে ৩০ কোটি সক্রিয় ব্যবহারকারী রয়েছে। খবর গ্যাজেটসনাউ।
পাইথন কোড ব্যবহার করে ভেয়ার ম্যালওয়্যার তৈরি করা হয়েছে। এটি মূলত ইনফরমেশন স্টিলার। এটি ডিসকর্ডকে তথ্য হাতিয়ে নেয়ার মাধ্যম ও সেই তথ্য পাচারের ক্ষেত্র হিসেবে ব্যবহার করে থাকে। ডিসকর্ড নাইট্রোর কারণে প্লাটফর্মে ম্যালওয়্যারটির উপস্থিতি পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছেন বিশ্লেষকরা। নাইট্রো ব্যবহারকারীদের বিভিন্ন উন্নত ফিচার ব্যবহারের সুবিধা দিয়ে থাকে। এর মধ্যে বড় ফাইল, মেসেজ পাঠানো, উচ্চ মানের ভিডিও স্ট্রিমিংসহ অন্যান্য বিষয় রয়েছে। তবে এর জন্য প্রতি মাসে নির্দিষ্ট ফি দিতে হয়।
নিরাপত্তা গবেষকরা দক্ষিণ তুরস্কে অবস্থিত কুর্দিস্তান ৪৪৫৫ নামক একটি গ্রুপের সঙ্গে ম্যালওয়্যারটির সম্পৃক্ততা পেয়েছেন। তবে গ্রুপটি এখন পুরোপুরি গড়ে উঠতে পারেনি। সরাসরি ব্যবহারকারীদের আক্রমণের পরিবর্তে কুর্দিস্তান ৪৪৫৫ আগের পদ্ধতিতে অন্যান্য ম্যালওয়্যার গ্রুপকে শিকারে পরিণত করে।
ম্যালওয়্যারের বিষয়ে জানার পর গবেষকরা ডিসকর্ডের সাপোর্ট টিমকে ম্যালওয়্যার গ্রুপ ছাড়াও বিভিন্ন উপায়ে তথ্য হাতিয়ে নেয়ার বিষয়ে জানিয়েছে। এক ব্লগ পোস্ট নিরাপত্তা গবেষকরা জানান, ম্যালওয়্যার হামলার বিষয়ে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও ডিসকর্ডের পক্ষ থেকে কোনো মন্তব্য করা হয়নি।
নিরাপত্তা গবেষকরা ডিসকর্ড ম্যালওয়্যারের সঙ্গে যুক্ত গিটহাবের ২ হাজার ৩৯০টি পাবলিক রিপোজিটরি পরীক্ষা করেছেন। এর মধ্যে ৪৪ দশমিক ৫ শতাংশই একক ম্যালওয়্যার। যার অধিকাংশই পাইথনে লেখা হয়েছে। অন্যদিকে ২০ দশমিক ৫ শতাংশ জাভাস্ক্রিপ্টে লেখা হয়েছে এবং এগুলোর মাধ্যমে ডিসকর্ডে আক্রমণ চালানো হয়।
এনবিএস/ওডে/সি