‘বরিশালে ২ বছরের মধ্যে হাই-টেক পার্ক নির্মাণ শেষ হবে’

হস্পতিবার বরিশাল শিল্পকলা একাডেমিতে অনুষ্ঠিত আইটি হাই-টেক পার্কের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তৃতায় তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি (আইসিটি) প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, বরিশাল হাই-টেক পার্ক হবে এ অঞ্চলের তরুণদের আগামীদিনের কর্মসংস্থানের ঠিকানা। শুধু বরিশাল নয় বাংলাদেশের ৯২টি আইটি হাই-টেক পার্ক নির্মাণ কাজ চলছে। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যদি আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা প্রতীকের প্রার্থীকে বিজয়ী করেন তাহলে দুুই বছরের মধ্যে বরিশাল হাই-টেক পার্কের নির্মাণ কাজ শেষ হবে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, শুধু প্রযুক্তি সেক্টরে মাত্র তের বছরে ২০ লাখ তরুণ-তরুণীর কর্মসংস্থানের সুযোগ হয়েছে। এসব সম্ভব হয়েছে মাননীয় প্রধাানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কারণে। তিনি ২০১০ সালের ১১ নভেম্বর ইউনিয়ন পর্যায়ে ইউনিয়ন ইনফরমেশন সার্ভিস সেন্টার চালু করেন ভোলার চর কুকরি মুকরিতে। বিগত তের বছরে সেই ইউনিয়ন ইনফরমেশন সার্ভিস সেন্টার রুপান্তরিত হয় ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টারে।
চর কুকরি-মুকরির পর থেকে সারাদেশে সাড়ে ৮ হাজার সেই সেন্টার স্থাপন করা হয়েছে। এসব করা হয়েছে তথ্যপ্রযুক্তির সেবা জনগণের দোড়গোড়ায় পৌঁছে দেওয়ার জন্য। তরুণদের কর্মসংস্থানের সুবিধার জন্য এবং আইটি খাতে উন্নয়নের জন্য সজীব ওয়াজেদ জয় ইন্টারনেটের দাম পার এমবিপিএস ৭৮ হাজার টাকা থেকে কমিয়ে ৩শ টাকায় এনেছেন। ২০২২ সালে এসে প্রযুক্তি খাত থেকে আমরা আয় করছি এক দশমিক চার মিলিয়ন ডলার।

জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, মাত্র তের বছরে বাংলাদেশ তথ্য প্রযুক্তিতে আভাবনীয় সাফল্য অর্জন করেছে। তবে বিএনপির শাসনামলে তথ্য প্রযুক্তির ওপর কোনো গুরুত্ব দেওয়া হয়নি। তৎকালীন সময়ে স্যামসাং বাংলাদেশে বিনিয়োগ করতে চেয়েছিল, কিন্তু হাওয়া ভবনের অনৈতিক দাবি মেটাতে না পারায় তারা বিনিয়োগ প্রস্তাব ফিরিয়ে নিয়ে ভিয়েতনামে বিনিয়োগ করে। সেই দেশে স্যামস্যাং একা ৭০ লাখ মিলিয়ন ডলার রপ্তানি করে। দেড় লাখ তরুণ-তরুণীর কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা হয়েছে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বরিশাল সিটি করপোরেশনের মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ। এ সময় আরও বক্তব্য দেন বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষের ব্যবস্থাপনা পরিচালক বিকর্ন কুমার ঘোষ, তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মোস্তফা কামাল, হাই-টেক পার্ক প্রকল্প পরিচালক একেএএম ফজলুল হক, বরিশাল সদর উপজেলার চেয়ারম্যান সাইদুর রহমান রিন্টু ও কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয়। news