ইউটিউবের নতুন সিইও হলেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত নীল মোহন

 ইউটিউবের পদ থেকে হঠাৎ করে সুজান উইচিশকি সরে দাঁড়ানোর পর তার স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত নীল মোহন ৪৯। জানা গেছে, মূলত পরিবারকে সময় দেওয়ার জন্য এবং ব্যক্তিগত কারণেই পদত্যাগের সিদ্ধান্ত সুজানের। তবে তার জায়গায় আসা নীল মোহনের কৃতিত্ব, দক্ষতা ও অভিজ্ঞতাও বিশাল।

যুক্তরাষ্ট্রের স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে স্নাতক করা নীল মোহন ২০০৮ সালে গুগলে কাজ শুরু করেন। এর পর ২০১৫ সালে গুগলেরই অডিও-ভিস্যুয়াল প্রোডাকশন হাউস ইউটিউবে যোগ দেন চিফ প্রোডাক্ট কর্মকর্তা হিসেবে। গত কয়েক বছর ধরে ইউটিউবে বহু নতুন ফিচার ও সুবিধা এনেছেন নীল মোহন। তার পরিকল্পনায় তৈরি হয় ইউটিউব টিভি, ইউটিউব মিউজিক এবং প্রিমিয়াম, শর্টসের মতো নতুন জিনিসগুলো।

গুগলেরই আর এক প্রতিষ্ঠান ‘ডাবলক্লিক’-এ প্রায় ৬ বছর কাজ করেছেন নীল মোহন। ডাবলক্লিক নামের প্রতিষ্ঠানটি ২০০৭ সালে কিনে নেয় গুগল। এছাড়াও তিনি দীর্ঘ ৮ বছর গুগলের ডিসপ্লে অ্যান্ড ভিডিও অ্যাডভার্টাইজিংয়ের সিনিয়র প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

গুগল ও ইউটিউব ছাড়াও মাইক্রোসফটেও কাজ করেছেন তিনি। জেনোমিক্স এবং বায়োটেকনোলজি কোম্পানি ‘২৩ অ্যান্ড মি’-র গুরুত্বপূর্ণ পদের দায়িত্বও পালন করেছেন তিনি।

বৃহস্পতিবার দায়িত্ব নেওয়ার পরে নীল বলেন, ইউটিউবকে ব্যবহার করে রেকর্ড আয় করছেন ভারতীয় ইউটিউবাররা। ইউটিউব শুধু যে ‘ক্রিয়েটার’ বা যাঁরা ইউটিউবের জন্য ভিডিও বানান, তাদেরই দর্শককুল তৈরি করে দিচ্ছে তাই নয়, একই সঙ্গে এর মাধ্যমে বৃহৎ অর্থনৈতিক সুযোগও তৈরি হচ্ছে। যে সুযোগের উপর ভিত্তি করে গড়ে উঠছে ব্যবসা। ইউটিউবের মতো মাধ্যমকে ব্যবহার করে সেই ব্যবসা ছড়িয়ে পড়ছে লাখ কোটি মানুষের মধ্যে। ভবিষ্যতে ইউটিউবকে আরও বৃহত্তর মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করার চেষ্টা হবে।

তাঁর এই কথায় আশার আলো দেখেছে বিশ্বজুড়ে বাড়তে থাকা মন্দার বাজার। কঠিন সময়ে এই ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম আয়ের ও বিনিয়োগের বড় জায়গা হয়ে উঠতে পারে বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

এনবিএস/ওডে/সি

Walton Ads