দ. কোরিয়ায় আকস্মিক বন্যায় টানেলে আটকা পড়ে ১৫ গাড়ি

উদ্ধারকর্মীরা ওসোং আন্ডারপাসে ৭টি মরদেহ পান। বন্যায় আটকা পড়া লোকদের উদ্ধার করতে তার প্রাণপণ চেষ্টা করেন। কয়েকদিন ধরে প্রবল বৃষ্টির পর দেশটিতে বন্যা দেখা দিয়েছে।

বৃষ্টির কারণে বন্যা ও ভূমিধসের সৃষ্টি হয় এবং অধিকাংশ বড় বড় বাঁধের ওপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে।

দেশটির মধ্যাঞ্চলের ওসোং শহরের কর্মকর্তারা জানান, উদ্ধারকর্মীরা ৬৮৫ মিটার দীর্ঘ টানেল থেকে আরও ৬টি মরদেহ উদ্ধার করেছেন। সেখান যেসব লোক আটকা ছিলেন তাদের কাছে পৌঁছানোর চেষ্টা করেন তারা।

শনিবার চার লেনের আন্ডারপাসটি তলিয়ে যায়। তিন দিনের প্রবলবৃষ্টির ফলে নিকটবর্তী মিহো নদী পাড় ভেঙ্গে সেখানে বন্যার সৃষ্টি হয়। খবরে বলা হয়, পানির স্রোত এতো দ্রুত আন্ডারপাসকে প্লাবিত করে যে, লোকেরা সেখান থেকে সরে যেতে পারেননি।

কর্মকর্তারা জানান, উদ্ধারকর্মীরা টানেল থেকে শনিবার একটি মরদেহ উদ্ধার করেন। তারা টানেলের এক পাশে ঝুলে থাকা অপর ৯ ব্যাক্তিকে উদ্ধার করেছেন।

আটক গাড়িগুলোর মধ্যে ১২টি ছিল কার ও একটি বাস। শনিবার পর্যন্তু ১১ জন নিখোঁজ ছিল। ইয়োনহাপ বার্তা সংস্থা জানায়, পানি দ্রুতগতিতে আসার সময় টানেলের ভেতরে বহু কার ছিল। জীবিত ৯ জনের একজন একথা জানান। তিনি বলেন, ‘কেন টানেল আগে বন্ধ করা হলো না তা আমি বুঝতে পারছি না।’

দক্ষিণ কোরিয়ায় গ্রীষ্মকালে বর্ষার ভর মৌসুম শুরু হয়। দেশটিতে ৯ জুলাই থেকে ভারী বৃষ্টিপাত হচ্ছে। শনিবার রাতে স্বরাষ্ট্র ও নিরাপত্তা মন্ত্রণালয় জানায়, বন্যা ও ভূমিধসে প্রায় ২৬ জন মারা গেছেন। ৫৫৭০ জনকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

বৃষ্টি ও বন্যার কারণে দেশটিতে যানবাহন চলাচল বিঘ্নিত হয়েছে। অনেক ফ্লাইট বাতিল ও বুলেট ট্রেন চলাচলা বন্ধ রাখা হয়েছে। প্রায় ২০০ রাস্তা বন্ধ রাখা হয়েছে। দক্ষিণ কোরিয়ার আবহাওয়া দপ্তর আরও বৃষ্টিপাতের সতর্কতা জানিয়েছে।সূত্র: ওয়ান ইন্ডিয়া বাংলা

 এনবিএস/ওডে/সি

news