ফ্রান্সের বিশ্বকাপ তারকা ফুটবলার কিলিয়ান এমবাপে এবং প্যারাগুয়ের সেনেটর সেলেস্টে আমারিলা’র মধ্যে বর্ণবিদ্বেষী মন্তব্য নিয়ে তীব্র বিবাদ তৈরি হয়েছে। এই সংঘাত শুরু হয় ২০২২ সালের বিশ্বকাপের রাউন্ড অব ১৬ ম্যাচে, যেখানে ফ্রান্স প্যারাগুয়ে'কে ১-০ গোলে হারিয়েছিল এবং এমবাপে নির্ধারক পেনাল্টি গোল করেন। ম্যাচের শেষে এমবাপে প্যারাগুয়ের গোলরক্ষক অরলান্ডো গিলের হাত না মিলিয়ে বিতর্কের সূত্রপাত করেন।

সেলেস্টে আমারিলা এমবাপেকে ‘‘অহংকারী এবং কেমরুনীয় ভানকারী’’ বলে কটাক্ষ করে এমনকি এমবাপের বিরুদ্ধে বর্ণবিদ্বেষী এবং অপমানজনক ভাষা ব্যবহার করেন। এমবাপে সোমবার সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে পাল্টা জবাবে আমারিলাকে ‘‘অপমানজনক নারী’’ আখ্যা দিয়ে বলেন, তিনি প্যারাগুয়ের প্রতিনিধিত্ব করেন না। ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রনও এমবাপের পাশে দাঁড়িয়ে বলেন, ‘‘এটি বর্ণবিদ্বেষের বিরুদ্ধে আরও এক গোল।’’ পরে ফরাসি ফুটবল ফেডারেশন আমারিলার মন্তব্যকে ‘‘অত্যন্ত নিন্দনীয় ও অগ্রহণযোগ্য’’ বলে উল্লেখ করে এবং বিষয়টি তদন্তের জন্য প্রসিকিউটরদের কাছে পাঠায়।

মঙ্গলবার, আমারিলা একটি খোলা চিঠিতে তার আগের পোস্ট মুছে ফেলার কথা জানান, তবে এমবাপের কাছ থেকে ক্ষমা চাওয়ার দাবি জানান এবং তাকে লিঙ্গভিত্তিক রাজনৈতিক সহিংসতার অভিযোগে আইনি পদক্ষেপের হুমকি দেন। প্যারাগুয়ের বিদেশ মন্ত্রণালয় আমারিলার মন্তব্য থেকে নিজেকে আলাদা করে জানিয়েছে যে এই মন্তব্যগুলি ‘‘দুঃখজনক’’ এবং প্যারাগুয়ের সরকার বা জনগণের অবস্থান প্রতিফলিত করে না। এই ঘটনা বিশ্বকাপের উত্তেজনাপূর্ণ মঞ্চে বর্ণবাদ ও জাতিগত বিদ্বেষের বিরুদ্ধে নতুন বিতর্ক সৃষ্টি করেছে।

Walton Ads