গভীর ঘুমে ডুব দিতে খাবেন যেসব খাবার!

সারাদিনের কর্মব্যস্ততায় ক্লান্তিবোধ যখন চারদিক থেকে ঘিরে ধরে তখন গভীর একটি ঘুমই পারে এর সমাধান দিতে। কিন্তু অনিয়মে ভরা জীবনযাপন আর অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস যেন কখনোই সঠিক সময়ে ঘুমাতে দেয় না। রাত বাড়লেও যেন চোখে ঘুম না এসে বাড়ে অনিদ্রার সমস্যা।

এমন পরিস্থিতি থেকে কীভাবে বের হতে পারবেন তার সঠিক নির্দেশনা দিলেন সেলিব্রেটি পুষ্টিবিদ লাভলিন বাত্রা। সম্প্রতি তিনি তার ইনস্টাগ্রামে অনিদ্রা দূর করতে পারে এমন পাঁচটি কার্যকরী খাবারের নাম উল্লেখ করেছেন।

ভারতীয় জনপ্রিয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনেও জানা গেছে লাভলিন বাত্রার এই বিশেষ টিপস। আসুন জেনে নেই সেসব খাবারের নামগুলো।

১.অশ্বগন্ধা: অনিদ্রায় দারুণ কাজ করে অশ্বগন্ধা। এর প্রধান সক্রিয় উপাদান হলো উইথ্যানোলাইড, যা মানসিক চাপ কমানোর ক্ষমতা সহ ঘুমের পরিমাণ বাড়াতে পারে। এ ছাড়া এটিতে রয়েছে ট্রাইথিলিন গ্লাইকল যা ঘুমের জন্য একটি কার্যকরী উপাদান হিসেবে বিবেচিত। তাই রাতে ভালো ঘুমের জন্য ঘুমানোর ৩০ মিনিট আগে এটি খেতে পারেন।

২. ক্যামোমাইল চা: ঘুমের সমস্যা দূর করতে পান করতে পারেন ক্যামোমাইল চা। এই চা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং চকো-এপিজেনিনে পূর্ণ। এসব উপাদান মস্তিষ্কের রিসেপ্টরগুলোর সঙ্গে আবদ্ধ হয়ে ঘুমের উন্নতি করতে পারে। তাই নিয়মিত খেতে পারেন এই চা।

৩.বাদাম: বাদামও গভীর ঘুমের জন্য ভালো কাজ করে। এতে থাকা ফাইবার এবং চর্বি  দীর্ঘস্থায়ী রোগ প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে। বাদাম ম্যাগনেসিয়ামের একটি ভালো উৎস, যা ঘুম-প্রোমোটিন মেলাটোনিন নিয়ন্ত্রণের জন্য প্রয়োজন। তা ছাড়া ম্যাগনেসিয়াম পেশিকেও শিথিল করে। তাই দ্রুত ঘুম আনতে ডায়েটে বাদাম রাখতে পারেন।

৪. কুমড়ার বীজ: কুমড়োর বীজ, পেপিটাস নামেও পরিচিত। এতে ট্রিপটোফ্যানের পাশাপাশি প্রচুর পরিমাণে জিঙ্ক থাকে। এই উভয় উপাদানই মস্তিষ্কে ট্রিপটোফানকে সেরোটোনিন উপাদান বাড়িয়ে তোলে। তাই অনিদ্রা সমস্যা কাটিয়ে উঠতে কুমড়ার বীজকে কাজে লাগাতে পারেন।

৫. জায়ফল দুধ: জায়ফল দিয়ে এক গ্লাস পূর্ণ দুধ পান করলে ঘুমের অবস্থার অনেকটাই উন্নতি হয়। কারণ দুধে ট্রিপটোফ্যান নামের উপাদান একটি অপরিহার্য অ্যামিনো অ্যাসিড। এটি শরীরে সেরোটোনিন এবং মেলাটোনিনের মাত্রা বাড়াতে সাহায্য করে যা দ্রুত ঘুম আনতে সহায়ক। news