বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস বলেছেন, দেশের বিভিন্ন স্থানে অনেকেই বিএনপির নাম ব্যবহার করে চাঁদাবাজি করছে। এ বিষয়ে তিনি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে প্রশ্ন ছুঁড়ে দিয়ে বলেন, “আপনারা চাঁদাবাজদের গ্রেপ্তার করছেন না কেন?”
বুধবার বিকেলে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে অনুষ্ঠিত ‘তারুণ্যের রাজনৈতিক অধিকার প্রতিষ্ঠা’ শীর্ষক মহাসমাবেশে এসব কথা বলেন তিনি। এই কর্মসূচির আয়োজন করে জাতীয়তাবাদী যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদল।
মির্জা আব্বাস বলেন, “তারুণ্যের এই মহাসমাবেশ জাতিকে একটি শক্ত বার্তা দিচ্ছে। অন্তর্বর্তীকালীন এই সরকার জনগণের আস্থার প্রতীক হওয়ার কথা ছিল, কিন্তু তারা তা হতে পারেনি। তারা ঔপনিবেশিক মনোভাব নিয়ে দেশ চালাচ্ছে, যা ৯ মাসে পারেনি তারা ৯০ বছরেও পারবে না।”
তিনি বলেন, “করিডোর ইস্যুতে দেশের স্বার্থ উপেক্ষা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে। স্টারলিংক ও করিডোর কার স্বার্থে—এই প্রশ্ন উঠছে। এসব হচ্ছে দেশের সার্বভৌমত্ব হরণ করার ষড়যন্ত্র।”
তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “আমরা জীবন থাকতে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব অটুট রাখব।”
মহাসমাবেশে ভার্চুয়ালি প্রধান অতিথি হিসেবে যুক্ত ছিলেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সভাপতিত্ব করেন জাতীয়তাবাদী যুবদলের সভাপতি মোনায়েম মুন্না। সঞ্চালনায় ছিলেন স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক রাজীব আহসান এবং ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দিন নাসির।
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন বিএনপির শীর্ষ নেতারা—ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ড. আবদুল মঈন খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী ও সালাহউদ্দিন আহমেদ প্রমুখ।
এই মহাসমাবেশ ছিল চার বিভাগের প্রতিনিধিত্বে এক যৌথ তারুণ্যের অভ্যুত্থান।