শেখ রাসেলকে হারিয়ে ফেডারেশন কাপের ফাইনালে আবাহনী

ফেডারেশন কাপের ফাইনালে ১৪ বছর পর মুখোমুখি হতে চলেছে দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী আবাহনী-মোহামেডান। সবশেষ ২০০৯ সালে মুখোমুখি হয়েছিলো দুই দল। সবশেষ ২০১১ সালের সুপার কাপের ফাইনালে মোহামেডানকে হারিয়ে শিরোপা জিতেছিলো আবাহনী।

দেশের ফুটবলে আবাহনী-মোহামেডান ম্যাচ মানেই বাড়তি আকর্ষণ। এই ম্যাচ ঘিরে সকলের উত্তেজনার পারদ থাকে তুঙ্গে। সেই লড়াই যদি হয় কোনো আসরের ফাইনালে তবে তা আনন্দের উপলক্ষ্য আরো বাড়িয়ে দেয়।

মঙ্গলবার কুমিল্লার ভাষা সৈনিক শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত স্টেডিয়ামে শেখ রাসেল ক্রীড়া চক্রকে ৩-০ গোলে হারিয়ে ফাইনালে উঠেছে আবাহনী।  গ্রুপ পর্বে শেখ রাসেলের কাছে হেরেছিল আবাহনী। সেই হারের প্রতিশোধ নিয়ে ফাইনাল নিশ্চিত করলো মারিও লেমোসের শিষ্যরা। এর আগে প্রথম সেমিফাইনালে বসুন্ধরা কিংসকে হারিয়ে প্রথম দল হিসেবে ফাইনাল নিশ্চিত করেছিলো মোহামেডান।

ম্যাচের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত দারুণ ফুটবল খেললো শেখ রাসেল। একের পর এক আক্রমণ করে আবাহনীর রক্ষণকে ব্যস্ত রাখে শেখ রাসেলের ফুটবলাররা। ম্যাচের ১২তম মিনিটে গোলের সুযোগ পেয়েছিলেন শেখ রাসেলের এমফন। বক্সের ভেতর বল নিয়ে ঢুকে পড়েন তিনি। তবে পোষ্টে নেয়া শট ফিরিয়ে দেন শহিদুল আলম। প্রথম দিকে গোলের সুযোগ মিস করা রাসেলকে এর খেসারত দিতে হয়েছে পুরো ম্যাচেই। ৩০তম মিনিটে দারুন সুযোগ তৈরি করেছিলেন ইব্রাহিম। বক্সের ডান প্রান্তে অ্যান্ড্রুর থ্রু বল পান তিনি।

বক্সে সতীর্থদের উদ্দেশ্যে ক্রস করেন। তবে তার আগেই তালুবন্দী করেন আবাহনীর গোলরক্ষক। ম্যাচে খুব একটা গোলের সুযোগ তৈরি করতে পারেনি আবাহনী। ৩৮তম মিনিটে রেজাউর রেজার লং পাস ধরে ডি বক্সে ঢুকে যান দানিয়েল কলিনদ্রেস। বাঁ পায়ের কোনাকুনি শটে দলকে এগিয়ে দেন তিনি। ১-০ তে লিড নিয়ে বিরতিতে যায় আবাহনী।

দ্বিতীয়ার্ধের পাঁচ মিনিটের মাথায় ব্যবধান দ্বিগুন করে আবাহনী। রাফায়েল আগুস্তো বল নিয়ে ঢুকে পড়েন ডি-বক্সে, কাট ব্যাক করে বল দেন সতীর্থ ফয়সাল আহমেদ ফাহিমকে। ব্যবধান বাড়াতে কোনও ভুল করেননি তিনি। প্লেসিং শটে বল জালে জড়ান ফাহিম। ৭০তম মিনিটে ডি-বক্সের ডান প্রান্ত থেকে উঁচু করে শট নেন ফয়সাল আহমেদ ফাহিম, এতে ৩-০ গোলে এগিয়ে যায় আবাহনী। আগামী ৩০ মে ফাইনালে কুমিল্লায় মুখোমুখি হবে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দুই দল আবাহনী ও মোহামেডান।

এনবিএস/ওডে/সি

news