বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে (বিপিএল) নতুন দল নোয়াখালী এক্সপ্রেসের দুঃস্বপ্ন থামছেই না। বিপিএলের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো অংশ নেওয়া দলটি টানা চতুর্থ ম্যাচেই হারের গ্লানি গেল। অন্যদিকে, নোয়াখালীকে মাত্র ৬১ রানে গুটিয়ে দিয়ে ৬ উইকেটে সহজ জয় পেয়ে জয়ের পথে ফিরল সিলেট টাইটান্স। সোমবার সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে এই ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হয়।
ম্যাচে টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় নোয়াখালী। কিন্তু সিলেটের স্পিন জাদুকর নাসুম আহমেদের কাছে তাদের ব্যাটিং লাইনআপ একেবারেই ধুঁকতে থাকে। নাসুম মাত্র ৪ ওভারে মাত্র ৭ রান খরচায় অবিশ্বাস্য ৫টি উইকেট শিকার করেন। তার এই ধ্বংসযজ্ঞে নোয়াখালীর ৫ উইকেট পড়ে মাত্র ৬ রানের ব্যবধানে!
নোয়াখালীর পক্ষে মাত্র দুই ব্যাটসম্যান দুই অঙ্কের স্কোর করতে পেরেছিলেন। মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন করেছেন ৩২ বলে ২৫ রান, আর হাবিবুর রহমান সোহান করেছেন ১৬ বলে ১৮ রান। বাকি চার ব্যাটসম্যান তো রানের খাতা খোলার আগেই প্যাভিলিয়নে ফিরে গেছেন। পুরো দলটি ৬১ রানে অলআউট হয়ে যায়।
এই স্কোরটি বিপিএলের ইতিহাসে সর্বনিম্ন দলীয় রানের তালিকায় চতুর্থ স্থান দখল করেছে। এই তালিকায় শীর্ষে আছে খুলনা, যারা ২০১৬ সালে মাত্র ৪৪ রান করেছিল।
মাত্র ৬২ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই একটি উইকেট হারায় সিলেট। পারভেজ হোসেন ইমন মাত্র ৫ বল মোকাবেলা করে ১ রানেই আউট হন। তবে দ্বিতীয় উইকেটে তৌফিক খান ও জাকির হাসান ৫৩ রানের জুটি গড়ে ম্যাচের গতি নিজেদের দিকে নিয়ে আসেন। তৌফিক করেন ৩২ রান। আফিফ হোসেন (২ রান) ও জাকির হাসান (২৪ রান) দ্রুত আউট হলেও শেষ পর্যন্ত আজমতউল্লাহ ওমরজাই ও মঈন আলী মিলে কোনো সমস্যা ছাড়াই ৬ উইকেট বাকি থাকতেই ম্যাচ জিতিয়ে দেন সিলেট টাইটান্সকে।
নাসুম আহমেদের অসাধারণ বোলিং পারফরম্যান্সই ম্যাচটিকে একপেশে করে তুলেছিল এবং সিলেটের জয় নিশ্চিত করেছিল।
