আর্জেন্টিনা ও মিশরের মধ্যে ২০২৬ সালের ফুটবল বিশ্বকাপের রাউন্ড অব ১৬ ম্যাচে লিওনেল মেসি তার ক্যারিয়ারের চতুর্থ বিশ্বকাপ পেনাল্টি মিস করেন। আটলান্টায় অনুষ্ঠিত এই ম্যাচে ১৯তম মিনিটে মিশরের ইয়াসের ইব্রাহিমের গোলে আর্জেন্টিনা ১-০ পিছিয়ে ছিল। মেসির পেনাল্টি শট সেভ হওয়ায় আর্জেন্টিনা গোল করার সুযোগ হারায়।
এই মিসের মাধ্যমে মেসি বিশ্বকাপের ইতিহাসে আইসল্যান্ড (২০১৮), পোল্যান্ড (২০২২), অস্ট্রিয়া (২০২৬) এবং মিশর (২০২৬) এর বিরুদ্ধে মোট চারটি পেনাল্টি ব্যর্থ করেছেন, যা অন্য কোনো খেলোয়াড়ের চেয়ে দ্বিগুণ। তবে এই মিস তার অসাধারণ বিশ্বকাপ ক্যারিয়ারকে ছায়িত করতে পারেনি। ২০২৬ সালের টুর্নামেন্টে মেসি মিরোস্লাভ ক্লোসেকে পেছনে ফেলে সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতা হিসেবে আবির্ভূত হন।
পাঁচটি বিশ্বকাপের মোট গোল সংখ্যা এখন ২০: ২০০৬ সালে ১, ২০১৪ সালে ৪, ২০১৮ সালে ১, ২০২২ সালে ৭ এবং ২০২৬ সালে ৭ গোল। মেসি প্রতিকূল পরিস্থিতি মোকাবেলায় দক্ষ। ২০২২ বিশ্বকাপে পোল্যান্ডের বিপক্ষে পেনাল্টি মিস করার পর তিনি দলকে বিশ্বকাপ জেতাতে নেতৃত্ব দেন।
২০২৬ সালের টুর্নামেন্টের অস্ট্রিয়ার বিরুদ্ধে পেনাল্টি মিস করার পর একই ম্যাচে দুই গোল করে তাঁর মানসিক দৃঢ়তা প্রমাণ করেন। আর্জেন্টিনা এখন মিশরের বিরুদ্ধে ১-০ গোল পিছিয়ে থাকলেও ম্যাচের বাকি সময়ে শক্তিশালী খেলা চালিয়ে বাকি দুই দিক থেকে ফলাফল পাল্টানোর চেষ্টা করবে। পরবর্তী রাউন্ডে যাওয়ার জন্য এই ম্যাচের ফলাফল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
কোচ ও খেলোয়াড়রা আগামী ম্যাচের জন্য মনোযোগী ও প্রস্তুত আছেন বলে জানা গেছে। মেসির এই মিস সত্ত্বেও তাঁর বিশ্বকাপ রেকর্ড এবং অভিজ্ঞতা আর্জেন্টিনার সামনে বড় সহায়ক হিসেবে থাকবে। দলের পরবর্তী ম্যাচে আর্জেন্টিনার পারফরম্যান্স বিশ্বকাপের ভবিষ্যতকে প্রভাবিত করবে।