বাংলাদেশে লোডশেডিং নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। একদিকে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকট, অন্যদিকে অতীতে করা সোলার বিদ্যুৎ প্রকল্পের চুক্তি বাতিলের সিদ্ধান্ত নিয়ে শুরু হয়েছে বিতর্ক।
ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে সোলার বিদ্যুৎকেন্দ্রের একাধিক Letter of Intent বাতিল বা স্থগিত করার সিদ্ধান্ত কেন নেওয়া হয়েছিল? দুর্নীতি, অস্বচ্ছতা, অসম চুক্তি ও আইনি ঝুঁকির যে অভিযোগ তুলে এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল, সেগুলোর বাস্তব ভিত্তি কী ছিল?
অন্যদিকে বর্তমানে লোডশেডিং, শিল্প উৎপাদন, জ্বালানি সংকট এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানির ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন করে আলোচনা হচ্ছে। বাতিল হওয়া প্রকল্পগুলো বাস্তবায়িত হলে বিদ্যুৎ পরিস্থিতিতে কতটা পরিবর্তন আসতে পারত, সেটিও বড় প্রশ্ন।
এই ভিডিওতে আমরা বিশ্লেষণ করেছি বাংলাদেশের বিদ্যুৎ সংকট, সোলার পাওয়ার প্রকল্প, ইউনূস সরকারের সিদ্ধান্ত, বর্তমান সরকারের নবায়নযোগ্য জ্বালানি পরিকল্পনা, বিনিয়োগকারীদের উদ্বেগ এবং সোলার প্রকল্প বাতিলের দায় নিয়ে ওঠা প্রশ্নগুলো।
লোডশেডিংয়ের জন্য আসলে দায়ী কে? সোলার প্রকল্প বাতিলের সিদ্ধান্ত কি সঠিক ছিল? ভবিষ্যতে বাংলাদেশ কীভাবে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলা করবে?