ভারতের ৭৯তম স্বাধীনতা দিবসে জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি একসঙ্গে শোনালেন কঠোর বার্তা আর সুখবর। পাকিস্তানকে সরাসরি হুঁশিয়ারি দেওয়ার পাশাপাশি দেশবাসীর জন্য কর সংস্কারের ঘোষণা দিলেন তিনি।
প্রায় পৌনে দুই ঘণ্টার ভাষণে মোদি বলেন, সীমান্তে সন্ত্রাস মোকাবিলা ও সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তার সরকার দৃঢ় প্রতিজ্ঞ। একইসঙ্গে তিনি অর্থনীতিতে স্বস্তি আনারও প্রতিশ্রুতি দেন।
পাকিস্তানকে আক্রমণাত্মক বার্তা
ভাষণের মাঝামাঝি মোদি পাকিস্তানকে তীব্র ভাষায় আক্রমণ করেন। তার অভিযোগ, সীমান্ত পেরিয়ে সন্ত্রাসীরা ধর্ম জিজ্ঞাসা করে সাধারণ মানুষকে হত্যা করেছে—যা গোটা বিশ্বকে চমকে দিয়েছে। সেই ঘটনার প্রতিক্রিয়াতেই ভারত চালায় ‘অপারেশন সিঁদুর’।
প্রধানমন্ত্রী জানান, ২২ এপ্রিলের সেই হামলার পর সেনাবাহিনীকে দেওয়া হয়েছিল পূর্ণ স্বাধীনতা—কোথায়, কখন, কীভাবে প্রতিক্রিয়া জানানো হবে, তা একান্তই সেনাদের সিদ্ধান্ত ছিল। তার দাবি, “যা করা হয়েছে, তা গত কয়েক দশকে হয়নি।”
দীপাবলিতে সুখবর
কঠোর বার্তার পাশাপাশি দেশবাসীর জন্য মোদি আনলেন বড় ঘোষণা। তিনি বলেন,
“এই দীপাবলিতে আপনাদের জন্য দ্বিগুণ আনন্দের ব্যবস্থা করছি। আমরা নতুন প্রজন্মের জন্য জিএসটি সংস্কার আনছি। এর ফলে গোটা দেশের করের বোঝা কমবে।”
সরকারি তথ্য বলছে, গত জুলাই থেকেই এই সংস্কারের প্রাথমিক কাজ শুরু হয়েছে। নতুন পরিকাঠামো, সহজ প্রক্রিয়া আর স্বচ্ছ ব্যবস্থার মাধ্যমে করদাতা ও ব্যবসায়ীদের জন্য জিএসটি আরও কার্যকর করার পরিকল্পনা নিয়েছে কেন্দ্র।
অর্থনীতিতে নতুন দিশা?
অর্থনীতিবিদরা মনে করছেন, মোদির এই ঘোষণা বাজারে গতি আনবে এবং খুচরো ক্রেতাদের ক্রয়ক্ষমতা বাড়াবে। ফলে উৎসবের মৌসুমে সাধারণ মানুষ স্বস্তি পাবে, আর অর্থনীতিও শক্তিশালী হবে।