মাঙ্কিপক্সের মোকাবিলায় তৎপর নবান্ন, জেলায় জেলায় হাসপাতালগুলিকে তৈরি থাকতে নির্দেশ

 মাঙ্কিপক্সের (Monkeypox) থাবা ক্রমেই চওড়া হচ্ছে দেশে। এখনও অবধি ৯ জন আক্রান্তের খোঁজ মিলেছে। ভাইরাস যাতে না ছড়ায় সে জন্য নির্দেশিকা জারি করেছে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক। দেশের সমস্ত বিমানবন্দরগুলিতে টেস্ট-ট্রেসিং চলছে। বিদেশ থেকে আসা যাত্রীদের পরীক্ষা করা হচ্ছে। দেশের অন্যান্য রাজ্যেও জারি হয়েছে সতর্কতা। পশ্চিমবঙ্গেও যাতে মাঙ্কিপক্স না ছড়ায় সেজন্য তৎপর হল নবান্ন। জেলায় জেলায় হাসপাতালগুলিকে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নিয়ে রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

মাঙ্কিপক্সের (Monkeypox) মোকাবিলায় আগাম কী পদক্ষেপ নেওয়া যাবে সে নিয়ে ইতিমধ্যেই বৈঠক হয়েছে। নবান্নের নির্দেশে হাসপাতালগুলিকে তৈরি থাকতে বলেছে রাজ্য স্বাস্থ্য দফতর। মাঙ্কিপক্সে সংক্রমিতদের চিকিৎসার জন্য কলকাতার বেলেঘাটা আইডি হাসপাতালকে তৈরি রাখা হয়েছে। করোনার সময় যেভাবে তৎপর হয়েছিল স্বাস্থ্য দফতর ঠিক সেভাবেই মাঙ্কিপক্সের মোকাবিলায় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে বলে খবর।

জানা গেছে, জেলায় জেলায় অন্তত একটি হাসপাতালে মাঙ্কিপক্স (Monkeypox) সংক্রমিতদের জন্য আলাদা আইসোলেশন ওয়ার্ড রাখা হবে। অতিরিক্ত শয্যার ব্য়বস্থাও রাখা হচ্ছে। জেলার মেডিক্যাল কলেজগুলিকে প্রস্তুতি নিয়ে রাখতে বলা হয়েছে। কলকাতার বেলেঘাটা আইডি হাসপাতালের পাশাপাশি স্কুল অব ট্রপিক্যাল মেডিসিনেও আইসোলেশন বেডের ব্য়বস্থা রাখা হবে।

প্রতিটি জেলার মুখ্য স্বাস্থ্যআধিকারিকদের সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। মাঙ্কিপক্সের উপসর্গ দেখলেই পরীক্ষা করে আইসোলেশনে রাখতে হবে রোগীকে। এই ভাইরাসও করোনার মতোই ছোঁয়াচে। আক্রান্তের থুতু-লালা, কফ, হাঁচি-কাশি, রক্ত ও দেহরসের মাধ্যমে ছড়াতে পারে ভাইরাস। সংক্রমণ হলে সারা শরীরে ফোস্কার মতো ফুসকুড়ি বের হবে, ধূম জ্বর হবে রোগীর। সেই সঙ্গে ত্বকের নানা সংক্রমণ দেখা দিতে পারে। আক্রান্তের ছোঁয়া থেকে সংক্রমণ ছড়াতে পারে সুস্থ ব্যক্তিদের মধ্যেও। তাই টেস্ট অতি জরুরি বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য দফতর। আক্রান্তদের নমুনা পরীক্ষার জন্য ল্যাবরেটরিগুলিকে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নিয়ে রাখতে বলা হয়েছে। খবর দ্য ওয়ালের /এনবিএস/২০২২/একে news