অতিরিক্ত উচ্চাকাঙ্ক্ষায় বাড়ছে ঋণের বোঝা, আদানির ব্যবসা নিয়ে উদ্বেগে বিশেষজ্ঞরা

 বিশ্বের ধনীদের তালিকায় প্রথম সারিতেই রয়েছেন তিনি। গত বছর দুয়েকে আদানি গোষ্ঠীর কর্ণধার গৌতম আদানির (Gautam Adani) সম্পত্তি বেড়েছে অনেকটাই। রিলায়েন্স কর্তা মুকেশ আম্বানির সঙ্গে তাঁর টক্কর চলছে অবিরত। কিন্তু এমন সোনার সময়েও জন্ম নিয়েছে এক আশঙ্কা। আসলে অত্যন্ত আক্রমণাত্মক গতিতে ব্যবসার সম্প্রসারণ করতে চাইছে আদানি গোষ্ঠী। সেই কারণে প্রয়োজন অতিরিক্ত পুঁজির। আর তাই ঋণ নির্ভরতা অনেকটাই বেড়ে দিয়েছে তাদের। এর ফলে সামগ্রিক ভাবে আদানির উপরে তৈরি হচ্ছে চাপ। এই চাপেই ‘সিঁদুরে মেঘ’ দেখছেন বিশেষজ্ঞরা।

গতকাল, মঙ্গলবার ফিচ গোষ্ঠীর এক সংস্থা ক্রেডিট সাইটসের তরফে এহেন রিপোর্ট পেশ করা হয়েছে। সেখানে পরিষ্কার বলা হয়েছে, ব্যবসা বৃদ্ধির অতিরিক্ত উচ্চাকাঙ্ক্ষায় ঋণ-নির্ভর হলে ঋণের ফাঁদে পড়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। এর ফলে প্রতিকূল পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে পারে আদানিদের সংস্থাগুলির জন্য।

তবে সেই সঙ্গে এও বলা হয়েছে, আদানিদের অতীত রেকর্ড যথেষ্টও আশাপ্রদ। শক্তিশালী ও স্থায়ী সংস্থা তৈরি করেছে তারা। তবে তা সত্ত্বেও সম্প্রতি চালু ও নতুন, দুই ধরনের ব্যবসায় যেভাবে আগ্রাসী বিনিয়োগ করতে দেখা গিয়েছে আদানিকে তা নিয়েই সংশয় ও আশঙ্কা বিশেষজ্ঞদের।

এদিকে বেসরকারি সংবাদমাধ‌্যম এনডিটিভি গোষ্ঠীর ২৯.১৮ শতাংশ শেয়ারও আদানিদের হাতে চলে গিয়েছে বলে মঙ্গলবার গুঞ্জন শুরু হয়। সোশ‌্যাল মিডিয়ায় বিষয়টি ট্রেন্ডিং হতে থাকে। পরে এনডিটিভির তরফে জানানো হয়, যে পদ্ধতিতে তাদের সংস্থার শেয়ার করায়ত্ত্ব করা হয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে তা আইনসম্মত নয়। এনডিটিভি-র মূল প্রোমোটার সংস্থা আরআরপিআর-এর হেফাজতে থাকা একটা বড় অংশের শেয়ারের মালিকানা আদানির সংস্থার হাতে গেলেও এনডিটিভি-র ৬১.৪৫ শতাংশ শেয়ার এবং মূল মালিকানা সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা প্রণয় রায় ও রাধিকা রায়ের হাতেই রয়েছে।খবর দ্য ওয়ালের /এনবিএস/২০২২/একে

Walton Ads