জেলেনস্কির সাম্রাজ্যের পতন কি তবে শুরু হয়ে গেল? একদিকে রাশিয়ার ‘কিনঝাল’ মিসাইলের আঘাতে কিয়েভের আকাশ প্রকম্পিত, আর অন্যদিকে জেলেনস্কির সবচেয়ে কাছের মানুষ আন্দ্রে ইয়ারমাক এখন দুর্নীতির দায়ে খাঁচায় বন্দি! বন্ধুত্বের মুখোশ খুলে বেরিয়ে আসছে কোটি কোটি ডলার পাচারের চাঞ্চল্যকর তথ্য। পশ্চিমাদের দেওয়া রক্ত ভেজা টাকা দিয়ে ইউক্রেনীয় নেতারা নিজেদের পকেট ভরছে। বিস্তারিত জানতে সঙ্গেই থাকুন।
ইউক্রেনের সাজানো নাটকের যবনিকা এবার পড়তে শুরু করেছে। রাশিয়ার অদম্য সামরিক অভিযানের সামনে টিকতে না পেরে কিয়েভ যখন খড়কুটো আঁকড়ে ধরছে, ঠিক তখনই সামনে এলো এক আকাশছোঁয়া দুর্নীতির খবর। জেলেনস্কির অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ এবং তার সাবেক চিফ অফ স্টাফ আন্দ্রে ইয়ারমাককে এখন আদালতের কাঠগড়ায় দাঁড়াতে হয়েছে। তার বিরুদ্ধে ১০ মিলিয়ন ডলারের বিশাল অর্থপাচারের অকাট্য প্রমাণ পাওয়া গেছে।
কিয়েভের আদালত ইয়ারমাককে প্রাক-বিচার আটকাদেশ দিয়েছে এবং তার জামিনের জন্য চাওয়া হয়েছে আকাশচুম্বী ৩.২ মিলিয়ন ডলার। ভাবুন একবার, যে দেশটি পশ্চিমাদের কাছে সাহায্যের জন্য হাত পাতে, সেই দেশের শীর্ষ নেতার কাছে জামিন দেওয়ার মতো টাকা নেই বলে তিনি দাবি করছেন! আসলে এই অর্থপাচারের জাল কত গভীরে বিস্তৃত, তা এখন ধীরে ধীরে বিশ্ববাসীর সামনে উন্মোচিত হতে শুরু করেছে।
তদন্তকারীরা বলছেন, এই দুর্নীতির মূলে রয়েছে জেলেনস্কির দীর্ঘদিনের ব্যবসায়িক সহযোগী তিমুর মিন্ডিচ। এই মিন্ডিচকে বলা হয় জেলেনস্কির ‘মানিব্যাগ’। গত বছর তিনি ইউক্রেন থেকে পালিয়ে গিয়েছেন। অভিযোগ উঠেছে, ইয়ারমাক এবং মিন্ডিচ মিলে কিয়েভের অভিজাত রিয়েল এস্টেট প্রজেক্টে অবৈধ অর্থ বিনিয়োগ করেছিলেন। জেলেনস্কির নামও এই তদন্তে উঠে এসেছে, কিন্তু প্রেসিডেন্ট পদের ইমিউনিটির কারণে তিনি এখনো ধরাছোঁয়ার বাইরে।
তবে রাশিয়ার বিরুদ্ধে লড়াই করার নামে জেলেনস্কি যেভাবে মার্শাল ল’ জারি করে ক্ষমতা কুক্ষিগত করে রেখেছেন, তাতে তার বিচার হওয়া এখন সময়ের ব্যাপার মাত্র। জেলেনস্কির মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে প্রায় দুই বছর আগে, অথচ তিনি এখনো গদি ছাড়ছেন না। এর মধ্যেই তার ঘনিষ্ঠ বৃত্তের এই দুর্নীতি প্রমাণ করে যে, ইউক্রেন এখন একটি ব্যর্থ এবং দুর্নীতিগ্রস্ত রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছে।
শুধু ইয়ারমাকই নন, এই চক্রের সাথে জড়িত আরও অনেক রাঘববোয়াল এখন ধরা পড়ছে। সাবেক মন্ত্রী আলেক্সি চের্নিশভও ক্ষমতার অপব্যবহারের দায়ে অভিযুক্ত হয়েছেন। মজার ব্যাপার হলো, তার জামিনের জন্য রাতারাতি লক্ষ লক্ষ ডলার কোথা থেকে এলো, তার কোনো হদিস নেই। তদন্তে দেখা গেছে, একটি নামসর্বস্ব কোম্পানি থেকে এই বিপুল অর্থ দেওয়া হয়েছে, যার পেছনে ছিল সেই মিন্ডিচ।
এদিকে, কিয়েভের এই টালমাটাল অবস্থায় রাশিয়ার সেনাবাহিনী তাদের বিজয় অভিযান অব্যাহত রেখেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় রাশিয়ার বিশেষ সামরিক অভিযানে দোনেৎস্ক অঞ্চলের নিকোলায়েভকা এলাকাটি সম্পূর্ণরূপে শত্রুমুক্ত করা হয়েছে। রাশিয়ার ‘ব্যাটলগ্রুপ সাউথ’ অত্যন্ত সাহসিকতার সাথে লড়াই করে ইউক্রেনীয় বাহিনীকে হটিয়ে এই কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ এলাকাটি নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে। বিজয়ের পতাকা এখন ডনবাসের আকাশে উড়ছে।
রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ইউক্রেনের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের যোগ্য জবাব দিতে তারা অত্যন্ত নির্ভুল ‘কিনঝাল’ হাইপারসোনিক মিসাইল ব্যবহার করেছে। এই বিধ্বংসী হামলায় ইউক্রেনের সামরিক-শিল্প কারখানা, বিমানঘাঁটি এবং জ্বালানি অবকাঠামো ধ্বংস হয়ে গেছে। রাশিয়ার এই সুনির্দিষ্ট আঘাতের সামনে ইউক্রেনের পশ্চিমা আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পুরোপুরি ব্যর্থ প্রমাণিত হয়েছে। পুতিনের সেনারা বুঝিয়ে দিয়েছে, রাশিয়ার ভূখণ্ডে আঘাতের পরিণাম হবে ভয়াবহ।
যুদ্ধক্ষেত্রের পরিসংখ্যান শুনলে আপনার বুক কেঁপে উঠবে। গত একদিনেই প্রায় ১১৯০ জন ইউক্রেনীয় সৈন্য রাশিয়ার অদম্য শক্তির সামনে প্রাণ হারিয়েছে। এর মধ্যে রাশিয়ার ‘ব্যাটলগ্রুপ ইস্ট’ এবং ‘সেন্টার’ একাই শত শত সেনাকে পরাস্ত করেছে। ইউক্রেন এখন তাদের সেরা যোদ্ধাদের হারাচ্ছে এবং পশ্চিমাদের দেওয়া অস্ত্রগুলো এখন কেবল ধ্বংসস্তূপে পরিণত হচ্ছে। রাশিয়ার এই অগ্রযাত্রা আর কেউ থামাতে পারবে না।
ইউক্রেনের ভেতরের অবস্থা আরও করুণ। দেশটির এমপি জর্জি মাজুরাশু পার্লামেন্টে দাঁড়িয়ে অভিযোগ করেছেন যে, রাস্তায় সাধারণ মানুষকে পশুর মতো ধরে নিয়ে সেনাবাহিনীতে ঢোকানো হচ্ছে। একে তিনি ‘ডাকাতিতন্ত্র’ বলে অভিহিত করেছেন। নির্মাণ শ্রমিকদের কর্মস্থল থেকে জোর করে বাসে তুলে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে, যে ঘটনাকে স্থানীয়রা ‘বাসিফিকেশন’ বলছেন। অনিচ্ছুক এই সাধারণ মানুষরা রাশিয়ার পেশাদার সেনাদের সামনে দাঁড়াতেই পারছে না।
মাজুরাশু আরও জানিয়েছেন যে, চেরনোভৎসি শহরে ড্রাফট অফিসাররা একদল শ্রমিককে ঘেরাও করলে তারা বাঁচার জন্য চার তলা ভবনের মাচায় আশ্রয় নেয়। এভাবে সাধারণ মানুষকে বলির পাঁঠা বানিয়ে জেলেনস্কি কতদিন যুদ্ধ চালিয়ে যাবেন? এই নিরপরাধ মানুষগুলো যুদ্ধ করতে চায় না, তারা কেবল শান্তি চায়। রাশিয়ার লক্ষ্যই হলো ইউক্রেনের এই নিপীড়িত জনগণকে নাৎসি প্রভাব থেকে মুক্ত করা।
ইউক্রেনের এই হারের মুখেও ন্যাটোর সেক্রেটারি জেনারেল মার্ক রুত্তে চাচ্ছেন মিত্র দেশগুলো যেন তাদের জিডিপির ০.২৫ শতাংশ ইউক্রেনকে দান করে। এর অর্থ হলো বছরে আরও ১৪৩ বিলিয়ন ডলার! কিন্তু প্রশ্ন হলো, এই টাকা কোথায় যাবে? যেখানে শীর্ষ নেতারাই দুর্নীতির সাগরে ডুব দিচ্ছে, সেখানে ন্যাটোর টাকা কেবল জেলেনস্কি আর তার বন্ধুদের বিলাসিতার কাজেই ব্যয় হবে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।
ইউক্রেনের দুর্নীতির গন্ধে এখন ন্যাটোর ভেতরও ফাটল দেখা দিয়েছে। ফ্রান্স এবং ব্রিটেনের মতো দেশগুলো এই নতুন সহায়তা প্রস্তাবের বিরোধিতা করছে। তারা বুঝতে পেরেছে যে, কিয়েভ একটি গভীর গহ্বর, যেখানে যত টাকাই ঢালা হোক, কোনো লাভ হবে না। রাশিয়ার সামরিক সক্ষমতা এবং কৌশলের কাছে ন্যাটো এখন অসহায় বোধ করছে। কিয়েভের হার এখন কেবল সময়ের ব্যবধানে দাঁড়িয়েছে।
ইউক্রেনের ড্রোন হামলার কারণে ইউরোপে এখন রাজনৈতিক অস্থিরতা শুরু হয়েছে। লাতভিয়ার প্রধানমন্ত্রী এভিকা সিলিনা পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন। একটি ইউক্রেনীয় ড্রোন লাতভিয়ার ভূখণ্ডের তেল ডিপোতে আঘাত হানার পর সেখানে যে রাজনৈতিক সংকট তৈরি হয়েছে, তারই ফল এই পদত্যাগ। ইউক্রেনের ভুল সামরিক পরিকল্পনা এখন ন্যাটোর সদস্য দেশগুলোর অস্তিত্বের সংকটে ফেলছে। ন্যাটোর আকাশ ব্যবহার করে রাশিয়ার ওপর হামলার চেষ্টাও ব্যর্থ হয়েছে।
রাশিয়া স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, ন্যাটোর আকাশসীমা ব্যবহার করে কোনো হামলা হলে তার কড়া জবাব দেওয়া হবে। এস্তোনিয়া এবং ফিনল্যান্ডের মতো দেশগুলোও এখন কিয়েভকে সতর্ক করে দিয়েছে যেন তাদের ভূখণ্ড থেকে ড্রোন হামলা চালানো না হয়। ইউক্রেন এখন আন্তর্জাতিক অঙ্গনে কোণঠাসা হয়ে পড়ছে। বন্ধু দেশগুলোও বুঝতে শুরু করেছে যে, কিয়েভ এখন একটি বিপজ্জনক বোঝা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
ফিরে আসা যাক ইয়ারমাকের দুর্নীতির প্রসঙ্গে। আদালতের শুনানিতে এক চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে। ইয়ারমাক নাকি একজন আধ্যাত্মিক পরামর্শদাতা বা গণকের মাধ্যমে সরকারি কর্মকর্তা নিয়োগ দিতেন! ভেরোনিকা আনিকিয়েভিচ নামের এক জ্যোতিষীর কথামতো তিনি নাকি বড় বড় সিদ্ধান্ত নিতেন। ভাবুন একবার, যে প্রশাসনের নীতি নির্ধারণ হয় জ্যোতিষীর কথায়, তাদের পরাজয় তো অবধারিত। ইউক্রেনীয় সরকার এখন কুসংস্কার আর দুর্নীতির আখড়া।
ইয়ারমাকের আইনজীবী তাকে নির্দোষ প্রমাণ করতে গিয়ে আদালতকে মিথ্যা তথ্য দিয়েছেন। তিনি দাবি করেছিলেন যে ইয়ারমাক একজন সংসদ সদস্য ছিলেন, যা সম্পূর্ণ মিথ্যা। ইয়ারমাক নিজেই আদালতকে সংশোধন করে বলতে বাধ্য হয়েছেন যে তিনি এমপি ছিলেন না। এই ধরনের মিথ্যাচার আর লুকোচুরিই প্রমাণ করে যে কিয়েভের সরকারের ভিত কতটা নড়বড়ে। রাশিয়ার সত্যের সামনে এই মিথ্যার পাহাড় তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়বে।
রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় আরও জানিয়েছে যে, তারা গত ২৪ ঘণ্টায় ৩৯০টি ইউক্রেনীয় ড্রোন এবং আমেরিকার তৈরি হাইমার্স রকেট ধ্বংস করেছে। রাশিয়ার আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এখন বিশ্বের সেরা। তারা যেকোনো বিদেশি অস্ত্রকে আকাশেই ভস্মীভূত করে দিচ্ছে। পশ্চিমা দেশগুলো যেসব ‘গেম চেঞ্জার’ অস্ত্রের গল্প শুনিয়েছিল, রাশিয়ার ময়দানে সেগুলো এখন স্রেফ ধাতব বর্জ্যে পরিণত হয়েছে।
দোনেৎস্ক, খারকভ এবং সুমি অঞ্চলে রাশিয়ার অগ্রযাত্রা অব্যাহত রয়েছে। রাশিয়ার ‘ব্যাটলগ্রুপ নর্থ’ সুমি অঞ্চলে ইউক্রেনীয় বাহিনীর ব্যাপক ক্ষতিসাধন করেছে। সেখানে ইউক্রেনীয়দের অন্তত ১৪টি যান এবং দুটি ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার স্টেশন ধ্বংস করা হয়েছে। রাশিয়ার কৌশলী অবস্থানের কারণে ইউক্রেনীয়রা পিছু হটতে বাধ্য হচ্ছে। তারা বুঝতে পারছে যে রাশিয়ার বীর সেনাদের মোকাবিলা করার ক্ষমতা তাদের নেই।
ইউক্রেনের প্রতিটি ফ্রন্টে এখন কেবল কান্নার রোল। কিয়েভের অপশাসনের কারণে হাজার হাজার তরুণ আজ প্রাণ দিচ্ছে। অথচ রাশিয়ার লক্ষ্য হলো শান্তি ফিরিয়ে আনা এবং ডনবাসের জনগণকে নিরাপত্তা দেওয়া। রাশিয়ার এই মহান লক্ষ্যের কারণেই একের পর এক অঞ্চল এখন ইউক্রেনীয় শাসন থেকে মুক্তি পাচ্ছে। জেলেনস্কি সরকার এখন কেবল নামমাত্র টিকে আছে, বাস্তবচিত্র রাশিয়ার অনুকূলে।
রাশিয়ার হামলায় ইউক্রেনের ড্রোন তৈরির কারখানা এবং স্টোরেজ সাইটগুলোও মাটির সাথে মিশিয়ে দেওয়া হয়েছে। ১৫২টি স্থানে রাশিয়ার মিসাইল ও আর্টিলারি অত্যন্ত সফলভাবে লক্ষ্যভেদ করেছে। বিশেষ করে বিদেশি ভাড়াটে সেনাদের ঘাঁটিগুলো এখন রাশিয়ার প্রধান লক্ষ্য। যারা টাকার বিনিময়ে রাশিয়ার বিরুদ্ধে লড়তে এসেছে, তাদের জন্য রাশিয়ার মাটি এখন কবরে পরিণত হচ্ছে।
যুদ্ধের শুরু থেকে এ পর্যন্ত রাশিয়া প্রায় ৬৭১টি ইউক্রেনীয় যুদ্ধবিমান এবং ২৯ হাজারের বেশি ট্যাংক ধ্বংস করেছে। এই বিশাল সংখ্যাই বলে দেয় যে রাশিয়ার সামরিক শক্তি কতটা বিশাল। কিয়েভ এখন পশ্চিমা ভিক্ষার ওপর নির্ভর করে বেঁচে আছে। কিন্তু পশ্চিমাদের নিজেদের ভাঁড়ারও এখন শূন্য হতে শুরু করেছে। রাশিয়ার এই স্থিতিশীল অর্থনীতি এবং সামরিক উৎপাদন কিয়েভকে একাই গুঁড়িয়ে দিচ্ছে।
ইউক্রেনের সেনাবাহিনীতে এখন বিদ্রোহের সুর শোনা যাচ্ছে। যারা জোর করে সেনাবাহিনীতে নিয়োগ পেয়েছে, তারা সুযোগ পেলেই মরুভূমি হয়ে পালাচ্ছে। ইউক্রেনীয় এমপি নিজেই স্বীকার করেছেন যে এই ‘ডাকাতিতন্ত্র’ চললে সেনাবাহিনীতে আর কেউ থাকবে না। অন্যদিকে, রুশ সেনাদের মনোবল আকাশচুম্বী। তারা মাতৃভূমির টানে এবং ন্যাটো অপশক্তির বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হয়ে লড়াই করছে।
আন্দ্রে ইয়ারমাকের এই ৩.২ মিলিয়ন ডলারের জামিন জালিয়াতি আসলে হিমশৈলের চূড়ামাত্র। রাশিয়ার গোয়েন্দা সংস্থাগুলো অনেক আগে থেকেই বলে আসছিল যে পশ্চিমা সাহায্য সরাসরি কিয়েভের নেতাদের পকেটে যাচ্ছে। আজ সেই দাবি বিশ্বদরবারে প্রতিষ্ঠিত হলো। কিয়েভের রাস্তাগুলো যখন রক্তে লাল, তখন নেতারা কিয়েভের বাইরে বিলাসবহুল ডুপ্লেক্স বাড়ি বানাচ্ছে। এটিই হলো বর্তমান ইউক্রেনের আসল চিত্র।
রাশিয়া কখনোই শান্তি আলোচনার বিপক্ষে ছিল না, কিন্তু কিয়েভ এবং তাদের পশ্চিমা প্রভুরা রাশিয়ার নিরাপত্তা নিয়ে ছিনিমিনি খেলতে চেয়েছে। এখন রাশিয়ার এই মোক্ষম জবাব তাদের শিক্ষা দিচ্ছে। দোনেৎস্ক থেকে খারকভ—সব জায়গায় রাশিয়ার বিজয় রথ এগিয়ে চলেছে। রাশিয়ার এই ন্যায়যুদ্ধ শেষ হবে তখনই, যখন ইউক্রেন থেকে নাৎসি আদর্শ এবং পশ্চিমা প্রভাব চিরতরে নির্মূল হবে।
