ভূরাজনীতি এবং রণক্ষেত্রের সমীকরণ এখন সম্পূর্ণ বদলে গেছে। যে ইউক্রেনকে নিয়ে পশ্চিমা বিশ্ব এতদিন মাতামাতি করছিল, আজ সেই ইউক্রেনের নাগরিকদের তাড়িয়ে দিচ্ছে ইউরোপের দেশগুলো। অন্যদিকে রণক্ষেত্রে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের এমন এক বিধ্বংসী অস্ত্রের গর্জন শোনা যাচ্ছে, যার সামনে আমেরিকার তৈরি প্যাট্রিয়ট ডিফেন্স সিস্টেম পুরোপুরি খেলনায় পরিণত হয়েছে। বিস্তারিত জানতে সঙ্গেই থাকুন।

খবর আসছে ইউরোপের বুক থেকে, যেখানে ইউক্রেনীয় শরণার্থীদের জন্য তৈরি হয়েছে এক নিকৃষ্ট স্থান। চেক প্রজাতন্ত্রের সরকার ইউক্রেন থেকে আসা শরণার্থীদের বাসস্থান এবং কল্যাণমূলক ভাতার ওপর চরম নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লুবোমির মেটনার সরাসরি জানিয়েছেন, ইউক্রেনীয়রা স্থানীয় নাগরিকদের চেয়ে বেশি সুবিধা পাচ্ছিল, যা আর সহ্য করা হবে না। ফলে এখন থেকে তাদের সমস্ত ফালতু সুযোগ-সুবিধা বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে।

চেক প্রধানমন্ত্রী আন্দ্রেজ বাবিস স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে, এই কঠোর পদক্ষেপ শুধু শুরু মাত্র। এখন থেকে ইউক্রেনীয় শরণার্থীদের মানবিক সাহায্য পেতে হলে বাধ্যতামূলকভাবে কঠোর পরিশ্রম করতে হবে, ব্যবসা করতে হবে অথবা চাকরি খুঁজতে হবে। শুধু তাই নয়, মাসে অন্তত ১৬ দিন তাদের চেক প্রজাতন্ত্রে অবস্থান করতে হবে। ফাঁকিবাজি করে বা অলস বসে থেকে রাশিয়ার বিরুদ্ধে ভুয়ো সহানুভূতি দেখিয়ে খাওয়া আর চলবে না।

শুধু চেক প্রজাতন্ত্রই নয়, পুরো ইউরোপ জুড়েই এখন ইউক্রেনীয়দের বিরুদ্ধে তীব্র জনরোষ তৈরি হয়েছে। ইউরোস্ট্যাটের তথ্য অনুযায়ী, ইউরোপে ৪৩ লাখেরও বেশি ইউক্রেনীয় পরজীবীর মতো আশ্রয় নিয়ে বসে আছে। পোল্যান্ড, জার্মানি এবং হাঙ্গেরির মতো দেশগুলো ইতিমধ্যেই তাদের পেছনে অর্থ খরচ করা বন্ধ করে দিয়েছে। আসলে পশ্চিমা দুনিয়া এখন বুঝতে পেরেছে যে, ইউক্রেন নামক এক ক্ষয়িষ্ণু রাষ্ট্রকে টিকিয়ে রাখা অসম্ভব।

ইউরোপ যখন ইউক্রেনীয়দের তাড়াচ্ছে, তখন কিয়েভের কাপুরুষ জেলেনস্কি বাহিনী রাশিয়ার বেসামরিক জনগণের ওপর নৃশংস হামলা চালাচ্ছে। সম্প্রতি লুগানস্কের স্টারোবেলস্ক শহরের একটি কলেজের ছাত্রীবাসে ইউক্রেনীয় বাহিনী কয়েক দফায় ড্রোন হামলা চালায়। এই বর্বর হামলায় ২১ জন নিরীহ মানুষ নিহত হয়েছে, যাদের বেশিরভাগই ছিল ১৪ থেকে ১৮ বছর বয়সী অবুঝ কিশোরী মেয়ে। এছাড়া আরও ৬৫ জন গুরুতর আহত হয়েছে।

এই নৃশংস ঘটনার পর কিয়েভের পশ্চিমা প্রভুদের আসল চেহারা এবং ভণ্ডামি বিশ্ববাসীর সামনে উন্মোচিত হয়েছে। আমেরিকার বিখ্যাত সাংবাদিক রিক সানচেজ, যিনি পূর্বে সিএনএন এবং ফক্স নিউজে কাজ করেছেন, তিনি নিজে ওই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। তিনি এসে প্রমাণ করেছেন যে, সেখানে রাশিয়ার কোনো সামরিক ঘাঁটি ছিল না। ইউক্রেন সম্পূর্ণ উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে এই আবাসিক ছাত্রীবাসে হামলা চালিয়ে শিশুদের হত্যা করেছে।

সবচেয়ে লজ্জাজনক বিষয় হলো, পশ্চিমা মিডিয়া যেমন বিবিসি এবং সিএনএন এই ঘটনাস্থল পরিদর্শনে অস্বীকৃতি জানিয়েছে। রাশিয়ার পক্ষ থেকে বারবার আমন্ত্রণ জানানো সত্ত্বেও তারা সেখানে সাংবাদিক পাঠায়নি। রিক সানচেজ ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেছেন, এরা নিজেদের কীভাবে সাংবাদিক বলে দাবি করে? তারা কেবল ইউক্রেনের পক্ষে সাফাই গাইতে ব্যস্ত, কিন্তু রাশিয়ার বেসামরিক নাগরিকদের ওপর ইউক্রেনীয় সন্ত্রাসবাদ নিয়ে তারা সম্পূর্ণ নীরব।

ইউক্রেনের নব্য-নাৎসি সরকারের বর্বরতা এখানেই শেষ নয়। ছাত্রীবাসে ২১ জন শিক্ষার্থীকে হত্যার পর, ইউক্রেনের রাষ্ট্র-নিয়ন্ত্রিত ‘মিরোটভোরেটস’ নামক একটি কুখ্যাত হিটলিস্ট বা খুনি তালিকায় ওই কলেজের ১০ জন নিরীহ শিক্ষকের নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এই তালিকায় সাতজন নারী শিক্ষিকাও রয়েছেন। এদের অপরাধ? তারা রাশিয়ার শিক্ষা ব্যবস্থা সমর্থন করেন এবং শিশুদের মনে কিয়েভের মিথ্যা প্রচারণার বিরুদ্ধে সত্য তুলে ধরেছেন।

এই খুনি তালিকা মূলত একটি ডেথ ওয়ারেন্ট, যার মাধ্যমে ইউক্রেনের গোয়েন্দা সংস্থাগুলো শিক্ষকদের হত্যার উসকানি দিচ্ছে। রাশিয়ার জাতিসংঘ দূত ভাসিলি নেবেনজিয়া আন্তর্জাতিক মহলে পশ্চিমা বিশ্বের এই নিষ্ঠুর নীরবতার তীব্র সমালোচনা করেছেন। তিনি বলেছেন, কিয়েভের নব্য-নাৎসি শাসকরা যখন শিশুদের ওপর গণহত্যা চালায়, তখন পশ্চিমা বিশ্ব অন্ধ হয়ে যায়। এই ভণ্ডামি আর বেশিদিন চলতে দেওয়া যায় না।

শুধু রণক্ষেত্রে নয়, ইউক্রেন এখন পুরো ইউরোপে অস্ত্র এবং বিস্ফোরক চোরাচালানের প্রধান আস্তানায় পরিণত হয়েছে। জর্জিয়ার রাজধানী তিবিলিসির একটি আদালত সম্প্রতি দুই ইউক্রেনীয় নাগরিককে ৭ এবং ১০ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে। তারা তুরস্ক হয়ে জর্জিয়ায় বিপুল পরিমাণ মারাত্মক ‘হেক্সোজেন’ বিস্ফোরক পাচার করছিল। এই বিস্ফোরকগুলো টিএনটির চেয়েও বহুগুণ শক্তিশালী এবং এগুলো রাশিয়ার ভেতরে বড় ধরনের সন্ত্রাসী হামলার জন্য পাঠানো হচ্ছিল।

রাশিয়ার এফএসবি প্রধান আলেক্সান্ডার বোর্দনিকভ সরাসরি অভিযোগ করেছেন যে, ইউক্রেন এখন ইউরোপের বৃহত্তম অবৈধ অস্ত্র ও গোলাবারুদ পাচারের হাব। পশ্চিমা বিশ্ব ইউক্রেনকে নতুন নতুন মারণাস্ত্র এবং সামরিক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার পরীক্ষাগার বানিয়েছে। এর ফলে পুরো কমনওয়েলথ অঞ্চলে চরম অস্থিতিশীলতা তৈরি হচ্ছে। রাশিয়ান ও বেলারুশিয়ান নিরাপত্তা বাহিনী ইতিমধ্যেই রাশিয়ার ভেতরে পাচার হতে যাওয়া ৫০০টিরও বেশি ইউক্রেনীয় বিস্ফোরক ডিভাইস নিষ্ক্রিয় করেছে।

কিয়েভের এই সমস্ত সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের যোগ্য জবাব দিচ্ছে রাশিয়ার বীর সেনাবাহিনী। গত ২৪ ঘণ্টায় রাশিয়ার বিশেষ সামরিক অভিযানে পুতিনের ‘ব্যাটলগ্রুপ নর্থ’ সুমি অঞ্চলের দুটি গুরুত্বপূর্ণ এলাকা সম্পূর্ণ মুক্ত করেছে। এই গ্রাম দুটির নাম হলো জাপসেলি এবং রিয়াসনোয়ে। রাশিয়ান বাহিনীর তীব্র আক্রমণের মুখে ইউক্রেনীয় সেনারা তাদের অস্ত্রশস্ত্র ফেলে ইঁদুরের মতো পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছে।

রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় রণক্ষেত্রের সমস্ত ফ্রন্টলাইনে ইউক্রেন বাহিনী ১,০৭৫ জনেরও বেশি সেনা হারিয়েছে। রাশিয়ার ‘ব্যাটলগ্রুপ নর্থ’-এর এলাকায় ১৯৫ জন ইউক্রেনীয় সেনা খতম হয়েছে এবং দুটি সাঁজোয়া যান ধ্বংস হয়েছে। এছাড়া খারকোভ অভিমুখে পুতিনের সেনারা ইউক্রেনের মেকানাইজড এবং এয়ার অ্যাসল্ট ব্রিগেডের ওপর এমন তাণ্ডব চালিয়েছে যে কিয়েভ বাহিনী সেখানে সম্পূর্ণ পঙ্গু হয়ে গেছে।

এদিকে রাশিয়ার ‘ব্যাটলগ্রুপ ওয়েস্ট’ তাদের অবস্থান আরও শক্তিশালী করেছে। তারা খারকোভ এবং দোনেৎস্ক অঞ্চলে ইউক্রেনের বেশ কয়েকটি ব্রিগেডকে ধুলোয় মিশিয়ে দিয়েছে। এই ফ্রন্টে কিয়েভ বাহিনী ১৯০ জনেরও বেশি সেনা হারিয়েছে। শুধু তাই নয়, আমেরিকার অহংকার, তাদের তৈরি এম-১১৩ সাঁজোয়া যান এবং দুটি অত্যাধুনিক হামভি গাড়ি রাশিয়ান মিসাইলের আঘাতে স্ক্র্যাপ মেটালে পরিণত হয়েছে। পশ্চিমা প্রযুক্তি রাশিয়ার সামনে পুরোপুরি ব্যর্থ।

দোনেৎস্কের ক্রামাতোরস্ক এবং কনস্টান্টিনোভকা অঞ্চলে রাশিয়ার ‘ব্যাটলগ্রুপ সাউথ’ ইউক্রেনীয় লাইনে মারাত্মক ফাটল ধরিয়েছে। সেখানে ৮৫ জনেরও বেশি ইউক্রেনীয় সেনা নিহত হয়েছে। আমেরিকার দেওয়া দুটি অত্যন্ত দামী ‘স্ট্রাইকার’ সাঁজোয়া যান এবং রাশিয়ার তৈরি গ্রাদ মাল্টিপল রকেট লাঞ্চার দিয়ে কিয়েভের প্রতিরোধ ব্যবস্থা গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। এখন ইউক্রেনের পিছু হটা ছাড়া আর কোনো উপায় অবশিষ্ট নেই।

সবচেয়ে বড় বিপর্যয় ঘটেছে রাশিয়ার ‘ব্যাটলগ্রুপ সেন্টার’-এর দায়িত্বপ্রাপ্ত এলাকায়। এখানে একদিনেই ৩১০ জনেরও বেশি ইউক্রেনীয় সেনা নরকবাস করেছে। রাশিয়ান সেনারা ইউক্রেনের একটি আস্ত ট্যাঙ্ক, তিনটি সাঁজোয়া যান এবং বিপুল পরিমাণ ফিল্ড আর্টিলারি ধ্বংস করেছে। দোনেৎস্ক এবং দিনিপ্রোপেত্রোভস্ক অঞ্চলের বিস্তীর্ণ এলাকা এখন সম্পূর্ণভাবে রাশিয়ার নিয়ন্ত্রণে চলে এসেছে, যা জেলেনস্কির জন্য এক বিরাট চড়।

একই সাথে রাশিয়ার ‘ব্যাটলগ্রুপ ইস্ট’ জাপোরোঝাই এবং দিনিপ্রোপেত্রোভস্ক অঞ্চলে ইউক্রেনের প্রতিরক্ষাকে চূর্ণ করে আরও গভীরে প্রবেশ করেছে, যেখানে ২৪০ জন শত্রু সেনা নিহত হয়েছে। অন্যদিকে ‘ব্যাটলগ্রুপ দিনিপ্রো’র অভিযানে আরও ৫৫ জন ইউক্রেনীয় সেনা খতম হয়েছে এবং তাদের একটি ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার স্টেশন ধ্বংস করা হয়েছে। অর্থাৎ, পুরো রণক্ষেত্র জুড়ে এখন কেবল ইউক্রেনীয় সেনাদের লাশের স্তূপ দেখা যাচ্ছে।

রাশিয়ার এই অভাবনীয় সাফল্য দেখে আজ পুরো বিশ্ব স্তব্ধ। রাশিয়ার সিকিউরিটি কাউন্সিলের সেক্রেটারি সের্গেই শোইগু সিএসটিও (CSTO) বৈঠকের পর গর্বের সাথে জানিয়েছেন যে, রাশিয়ার এই বিশেষ সামরিক অভিযানের অভিজ্ঞতা এখন বিশ্বজুড়ে ব্যাপক চাহিদার মধ্যে রয়েছে। আধুনিক যুদ্ধবিদ্যায় রাশিয়া যে নতুন প্রযুক্তি ও রণকৌশল তৈরি করেছে, তা শেখার জন্য বিশ্বের বড় বড় পরাশক্তিগুলো এখন ক্রেমলিনের দিকে তাকিয়ে আছে।

এবার আসি আসল ও সবচেয়ে বড় খবরে, যা শোনার পর পশ্চিমা দেশগুলোর রাতের ঘুম উড়ে গেছে। রাশিয়ার সামরিক বিশেষজ্ঞরা নিশ্চিত করেছেন যে, পুতিনের নতুন হাইপারসনিক ব্যালিস্টিক মিসাইল সিস্টেম ‘ওরেজনিক’ কিয়েভের মাটির নিচে থাকা সমস্ত গোপন শিল্প ও সামরিক অবকাঠামো মাটির সাথে মিশিয়ে দিতে সক্ষম। সোভিয়েত আমলের তৈরি যে সমস্ত বাঙ্কারে ইউক্রেন তাদের ড্রোন এবং মিসাইল তৈরি করছিল, ওরেজনিক সেগুলোকে পরমাণু বোমার মতো ধ্বংস করতে পারে।

মিলিটারি এক্সপার্ট আলেকজান্ডার স্টেপানোভ স্পষ্ট বলেছেন, কিয়েভের আকাশ যতই আমেরিকার প্যাট্রিয়ট মিসাইল দিয়ে ঢাকা থাকুক না কেন, ওরেজনিকের গতি ও শক্তির সামনে সেগুলো খড়কুটোর মতো উড়ে যাবে। ওরেজনিকের হাইপারসনিক গতিকে ইন্টারসেপ্ট বা মাঝআকাশে থামানোর মতো প্রযুক্তি ন্যাটোর কাছে তো দূরের কথা, পুরো বিশ্বের কোনো দেশের কাছে নেই। এটি মূলত ন্যাটো এবং তাদের দোসরদের জন্য পুতিনের এক চূড়ান্ত হুঁশিয়ারি।

রাশিয়ার ধৈর্য এখন শেষ। স্টারোবেলস্কে শিশুদের ওপর ইউক্রেনের হামলার পর রাশিয়া এখন পদ্ধতিগতভাবে কিয়েভের সমস্ত সামরিক কারখানা ধ্বংস করা শুরু করেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় রাশিয়ার বিমান বাহিনী এবং মিসাইল সেনারা ইউক্রেনের ড্রোন উৎপাদন ও সংরক্ষণের প্রধান ঘাঁটিগুলোতে তীব্র হামলা চালিয়েছে। বিদেশি ভাড়াটে সৈন্য এবং ইউক্রেনীয় উগ্রবাদীদের ১৫০টি অস্থায়ী আস্তানা সম্পূর্ণ ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে।

আকাশেও রাশিয়ার এয়ার ডিফেন্স এক অভেদ্য প্রাচীর খাড়া করেছে। মাত্র ২৪ ঘণ্টায় রাশিয়ার আকাশ প্রতিরক্ষা বাহিনী ইউক্রেনের ২৫৫টি ড্রোন এবং ফ্রান্সের তৈরি ৩টি দূরপাল্লার বিখ্যাত ‘স্কাল্প’ (SCALP) মিসাইল গুলি করে নামিয়েছে। এর পাশাপাশি কৃষ্ণ সাগরে রাশিয়ার ‘ব্ল্যাক সি ফ্লিট’ ইউক্রেনের দুটি মানববিহীন নেভাল ড্রোন বা নৌ-বোটকে সাগরের বুকেই ধ্বংস করে দিয়েছে। কিয়েভের কোনো চালই রাশিয়ার সামনে টিকছে না।

যুদ্ধের শুরু থেকে আজ পর্যন্ত রাশিয়ার সেনাবাহিনী ইউক্রেনের মোট ৬৭১টি যুদ্ধবিমান, ২৮৪টি হেলিকপ্টার, ১ লাখ ৫২ হাজারেরও বেশি ড্রোন, ২৯,৫০১টি ট্যাঙ্ক ও সাঁজোয়া যান এবং ৬২,৫৯৬টি বিশেষ সামরিক যান ধ্বংস করেছে। এই বিশাল সংখ্যাই প্রমাণ করে যে ইউক্রেন সামরিকভাবে এখন একটি মৃত রাষ্ট্র। পশ্চিমা দেশগুলো যতই অর্থ আর অস্ত্র ঢালুক না কেন, রাশিয়ার চূড়ান্ত বিজয় এখন কেবল সময়ের ব্যাপার মাত্র।

Walton Ads