রেভস্পোর্টসের প্রতিবেদনে জানা গেছে, ভারতের সাবেক নির্বাচক সভাপতি এমএসকে প্রসাদ স্পষ্ট করেছেন যে, সঞ্জু স্যামসনকে আগামী তিন ম্যাচের জিম্বাবুয়ে T20 আই সিরিজের জন্য বাদ দেয়া হয়নি, বরং তাকে বিশ্রাম দেয়া হয়েছে। ২০২৬ সালের সফল টি-২০ বিশ্বকাপে টুর্নামেন্টের সেরা খেলোয়াড় সঞ্জু স্যামসনের এই সিদ্ধান্ত নিয়ে ক্রিকেট মহলে বিতর্ক তৈরি হয়েছে।
ভারতীয় দলের নির্বাচক কমিটি, যা অজিত আগারকর নেতৃত্বাধীন, সঞ্জুর পরিবর্তে তরুণ ব্যাটসম্যান বৈভব সূর্যবংশী এবং প্রভসিমরন সিংয়ের মত খেলোয়াড়দের সুযোগ দিতে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। প্রসাদ বলেন, এটি সঞ্জুকে বিশ্রাম দেওয়ার পাশাপাশি নতুন প্রতিভাদের আন্তর্জাতিক মঞ্চে পরীক্ষা করার একটি পরিকল্পিত পদক্ষেপ।
এই তিন ম্যাচের টি-২০ সিরিজ ২০২৪ সালের জুনে জিম্বাবুয়ের মাটিতে অনুষ্ঠিত হবে। ভারতের জন্য এটি তরুণদের পরীক্ষা করার একটি সুযোগ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। প্রসাদ আরও জানান, সঞ্জু স্যামসনকে বাদ দেওয়া হয়েছে এমন ধারণা ভুল, কারণ তিনি ইতিমধ্যেই এশিয়ান গেমসের দলেও অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন।
সঞ্জু স্যামসনের টুর্নামেন্ট সেরা হওয়া এবং বিশ্বকাপ জয়ের অবদান বিশেষভাবে বিবেচনা করে প্রসাদ মনে করেন, তার বাদ পড়া সম্ভব নয়। তিনি বলেন, "বিশ্বকাপের পর প্রথম ছয় মাস সবসময় পরীক্ষা-নিরীক্ষার সময়, যেখানে দল নতুন কম্বিনেশন খুঁজে বের করে। সঞ্জুর ক্ষেত্রে এই সময়টা বিশ্রামের এবং তরুণদের সুযোগ দেওয়ার।"
প্রসাদ সঞ্জুর অভিজ্ঞতা এবং ধারাবাহিকতা প্রশংসা করে বলেন, "সঞ্জু দীর্ঘদিন ধরে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। দক্ষিণ আফ্রিকায় তার শতকসহ অনেক ম্যাচ জেতানো ইনিংস রয়েছে। এই সিদ্ধান্ত তার আত্মবিশ্বাসকে ক্ষতিগ্রস্ত করবে না বরং তাকে আরও কঠোর পরিশ্রমের উদ্দীপনা দেবে।"
বর্তমানে ভারতীয় টি-২০ দলের ওপেনিং অপশন হিসেবে সঞ্জু ছাড়াও আভাসhek শর্মা, ইশান কিশান, বৈভব সূর্যবংশী, প্রভসিমরন সিং, সাই সুধারসন এবং শুভমান গিল রয়েছেন। প্রসাদ বলেন, এই পরিসংখ্যান অনুসারে নির্বাচকদের কাজ কঠিন হয়ে পড়েছে এবং জিম্বাবুয়ে সফর তরুণ খেলোয়াড়দের পরীক্ষা করার জন্য আদর্শ।
এই খবরটি কেন গুরুত্বপূর্ণ
সঞ্জু স্যামসনের বিশ্রাম দেওয়া এবং তরুণদের সুযোগ দেওয়া ভারতীয় ক্রিকেটের দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার অংশ। এই সিরিজ তরুণদের জন্য একটি পরীক্ষা মঞ্চ হিসেবে কাজ করবে যা পরবর্তী বিশ্বকাপের জন্য দল গঠনে সহায়ক হবে। এছাড়া, এশিয়া কাপ ও ভবিষ্যৎ বড় ম্যাচে সঞ্জুর ফিরতি তাকে দলের মূল স্তম্ভ হিসেবে দৃঢ় করবে।