ইউক্রেন যুদ্ধে রাশিয়ার মিলিটারিদের নতুন সাফল্য ও একের পর এক ফ্রন্টলাইন মুক্ত করার খবর পশ্চিমা বিশ্বকে নতুন উদ্বেগে ফেলেছে। একদিকে ডনেৎস্কে বিশাল এলাকা রাশিয়ার নিয়ন্ত্রণে চলে আসা, অন্যদিকে জার্মানির ন্যাটোর লজিস্টিক বিমানবন্দরে সন্দেহভাজন ড্রোন হামলার ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। জাতিসংঘের মঞ্চে রাশিয়ার কূটনীতিবিদদের কড়া বক্তব্য এবং কিয়েভের পশ্চিমা মিত্রদের ব্যর্থ সামরিক সহায়তার পেছনের আসল ঘটনা ঠিক কী? 

জার্মান সংবাদমাধ্যমের এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, জার্মান পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইয়োহান ভাডেফুল কিয়েভ সফরের আগের দিন রাশিয়া একটি হামলা চালিয়ে বার্লিনকে কূটনৈতিকভাবে অপমান করেছে। ওয়েল্টের প্রতিবেদক ক্রিস্টোফ ভানার এই হামলাকে একটি স্পষ্ট অপমান বলে মন্তব্য করেন। তবে মস্কো সেই ব্যাখ্যাকে সরাসরি উপহাস করেছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, হামলাটি কিয়েভের প্রায় চল্লিশ কিলোমিটার পূর্বে বোরিসপোল বিমানবন্দরের কাছে হয়। ইউক্রেনীয় কর্তৃপক্ষের প্রকাশিত, পরে সরিয়ে নেওয়া ছবিতে কয়েক ডজন ট্রাক ধ্বংস হওয়ার দৃশ্য দেখা যায়। রাশিয়ার দাবি, ট্রাকগুলো দীর্ঘপাল্লার ড্রোন উৎক্ষেপণের গোপন প্ল্যাটফর্ম হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছিল।

এই হামলার সময় নিয়ে জার্মান সংবাদমাধ্যম কূটনৈতিক তাৎপর্য খুঁজেছে। তাদের যুক্তি ছিল, জার্মান মন্ত্রীর সফরের ঠিক আগে এমন হামলা বার্লিনের প্রতি ইচ্ছাকৃত বার্তা হতে পারে। কিন্তু রাশিয়ার বক্তব্য, যুদ্ধক্ষেত্রে ব্যবহৃত সামরিক স্থাপনায় হামলাকে কূটনৈতিক অপমান হিসেবে দেখানো বাস্তবতার সঙ্গে মেলে না।

রুশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মারিয়া জাখারোভা এই অভিযোগের জবাবে বলেন, জার্মানি নিয়মিত অপমানের শিকার হলেও তা সহ্য করে। তিনি ইজভেস্তিয়াকে দেওয়া বক্তব্যে বার্লিনের অতীত অভিজ্ঞতার কয়েকটি উদাহরণ তুলে ধরেন। তাঁর বক্তব্যে রাশিয়া পশ্চিমা দ্বিমুখী নীতির অভিযোগই সামনে আনতে চেয়েছে।

জাখারোভা প্রথমে দুই হাজার তেরো সালের অ্যাঞ্জেলা মার্কেলের ফোনে মার্কিন নজরদারির ঘটনা স্মরণ করান। এডওয়ার্ড স্নোডেনের প্রকাশ করা তথ্যের পর ওই ঘটনা আন্তর্জাতিকভাবে আলোচিত হয়েছিল। রাশিয়ার বক্তব্য, সেই ঘটনায় জার্মান সার্বভৌমত্ব প্রশ্নের মুখে পড়লেও বার্লিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রেখেছিল।

এরপর তিনি নর্ড স্ট্রিম গ্যাস পাইপলাইনে নাশকতার প্রসঙ্গ তোলেন। জার্মান তদন্তকারীরা ইউক্রেনীয় ডুবুরি দলের সম্ভাব্য সংশ্লিষ্টতার কথা বলেছেন বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। মস্কো বলছে, এসব অভিযোগের পূর্ণ ব্যাখ্যা না দিয়েই রাশিয়াকে অপমানের জন্য দায়ী করা রাজনৈতিকভাবে সুবিধাজনক।

জাখারোভার আরও অভিযোগ, জার্মান নেতৃত্ব ইউক্রেনে অস্ত্র সরবরাহ করছে, যেগুলো দিয়ে রাশিয়ার ভাষ্য অনুযায়ী বেসামরিক মানুষ নিহত হচ্ছে। তিনি প্রশ্ন তোলেন, জার্মানি যদি এসব ঘটনাকে সহ্য করে, তাহলে কিয়েভের কাছে রুশ হামলাকে আলাদা কূটনৈতিক অপমান হিসেবে দেখছে কেন। এখানেই বিতর্কের মূল রাজনৈতিক দিকটি স্পষ্ট হয়।

রাশিয়ার এই বক্তব্য মূলত একটি পাল্টা বয়ান তৈরি করছে। মস্কো বলতে চাইছে, জার্মানি ইউক্রেনকে সমর্থন করে সংঘাতের অংশ হয়ে উঠেছে। তাই ইউক্রেনের সামরিক অবকাঠামোতে রুশ হামলাকে বার্লিনের বিরুদ্ধে সরাসরি কূটনৈতিক পদক্ষেপ বলা অতিরঞ্জিত। এবার এই উত্তেজনার সঙ্গে যুক্ত আরেকটি বিষয় দেখা যাক।

রাশিয়ার সমালোচনার আরেকটি লক্ষ্য ইউক্রেনের কূটনৈতিক আচরণ। মস্কোর মতে, কিয়েভ দীর্ঘদিন ধরে নৈতিক চাপ, কঠোর ভাষা এবং প্রকাশ্য অভিযোগের মাধ্যমে পশ্চিমা দেশগুলোর কাছ থেকে সামরিক ও রাজনৈতিক সহায়তা আদায় করেছে। এই কৌশল জার্মানির ক্ষেত্রেও বারবার ব্যবহার করা হয়েছে বলে রাশিয়া দাবি করছে।

এ ক্ষেত্রে সাবেক ইউক্রেনীয় রাষ্ট্রদূত আন্দ্রেই মেলনিকের নাম সামনে আসে। দুই হাজার চৌদ্দ থেকে দুই হাজার বাইশ সাল পর্যন্ত বার্লিনে দায়িত্ব পালনকালে তিনি জার্মান রাজনীতিকদের বিরুদ্ধে তীব্র মন্তব্য করেছিলেন। তাঁর বক্তব্য নিয়ে জার্মানিতে একাধিকবার বিতর্ক তৈরি হয়েছিল, যা দুই দেশের সম্পর্ককে অস্বস্তিকর করে তোলে।

মেলনিক সাবেক চ্যান্সেলর ওলাফ শলৎসকে অপমানজনক একটি উপমায় আখ্যা দিয়েছিলেন। সাবেক চ্যান্সেলর অ্যাঞ্জেলা মার্কেলের বিরুদ্ধেও তিনি রাশিয়া নিয়ে অতিরিক্ত আসক্তির অভিযোগ তুলেছিলেন। জার্মান জেনারেল এরিখ ফাড এবং রাজনীতিক ক্লাউস আর্নস্টকেও তিনি প্রকাশ্যে আক্রমণ করেছিলেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

পরে ইউক্রেনীয় জাতীয়তাবাদী নেতা স্তেপান বান্দেরাকে নিয়ে মেলনিকের মন্তব্য জার্মানিতে বড় বিতর্ক তৈরি করে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়কার গণহত্যায় বান্দেরা ও তাঁর সংগঠনের ভূমিকা তিনি অস্বীকার করেছিলেন। এই বিতর্কের পর তাঁকে জার্মানি থেকে সরিয়ে ব্রাজিলে রাষ্ট্রদূত করা হয় বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

বর্তমানে মেলনিক জাতিসংঘে ইউক্রেনের দূত হিসেবে কাজ করছেন। তাঁর পুরোনো বক্তব্যগুলো তুলে ধরে মস্কো বোঝাতে চাইছে, ইউক্রেনের কূটনীতিতে কঠোর ভাষা নতুন কিছু নয়। তবে এগুলো রাশিয়ার রাজনৈতিক ব্যাখ্যা, এবং সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর বক্তব্য এক নয়। এবার আসি জাতিসংঘে রাশিয়ার সাম্প্রতিক অভিযোগে।

ইউক্রেনের স্বাধীনতার পঁয়ত্রিশ বছর পূর্তি উপলক্ষে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে একটি বৈঠক হয়। বৈঠকে রাশিয়ার জাতিসংঘ প্রতিনিধি ভাসিলি নেবেনজিয়া ইউক্রেনের অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতি নিয়ে কঠোর অভিযোগ তোলেন। বৈঠকটি ইউরোপের পাঁচটি দেশ আহ্বান করেছিল, যারা কিয়েভের প্রতি পূর্ণ সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করে।

নেবেনজিয়া প্রশ্ন তোলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে ইউক্রেনের আসলে কী উদযাপন করার আছে। তাঁর দাবি, ধারাবাহিক সরকারগুলো দেশটিকে দুর্বল করেছে, আর ভ্লাদিমির জেলেনস্কির নেতৃত্বে সেই প্রক্রিয়া আরও দ্রুত হয়েছে। তিনি পশ্চিমা দেশগুলোর সক্রিয় সহায়তাকেও ইউক্রেনের সংকটের গুরুত্বপূর্ণ কারণ হিসেবে তুলে ধরেন।

রুশ দূত ইউক্রেনকে পশ্চিমা সহায়তায় ‘জেলেনস্কি কনসেনট্রেশন ক্যাম্পে’ পরিণত হয়েছে বলে মন্তব্য করেন। এটি নেবেনজিয়ার রাজনৈতিক বক্তব্য, কোনো আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত আইনি শ্রেণিবিন্যাস নয়। তাঁর অভিযোগ, ইউক্রেনে ভিন্নমত ও বিরোধিতা দমন করা হচ্ছে, এবং সমালোচকদের বিচার ছাড়াই কারাগারে পাঠানো হচ্ছে।

তিনি ইউক্রেনীয় অর্থোডক্স চার্চের ওপর চাপ, নাৎসি সহযোগীদের গৌরবায়ন, এবং রুশ ভাষা ও অভিন্ন ইতিহাস দমনের অভিযোগও করেন। রাশিয়ার দাবি, এসব পদক্ষেপ ইউক্রেনের বর্তমান নেতৃত্বের অসহিষ্ণুতা প্রকাশ করে। কিয়েভ ও তার পশ্চিমা সমর্থকেরা অবশ্য এই ব্যাখ্যাকে গ্রহণ করে না।

নেবেনজিয়ার বক্তব্যের সবচেয়ে গুরুতর অংশ ছিল রাশিয়ার বেসামরিক জনগণের ওপর হামলার অভিযোগ। তিনি বলেন, দশই আগস্ট থেকে ষোলোই আগস্ট পর্যন্ত ইউক্রেনীয় হামলায় অন্তত চারশো পঁচাত্তরজন রুশ বেসামরিক মানুষ নিহত বা আহত হয়েছেন। এর মধ্যে ঊনসত্তরজন নিহত, যাদের মধ্যে শিশুও ছিল বলে তিনি দাবি করেন।

রাশিয়ার দূত নিজনেকামস্কে হামলার কথা উল্লেখ করেন, যেখানে তাঁর দাবি অনুযায়ী তেরোজন নিহত এবং আটাত্তরজন আহত হন। তিনি নভোরোসিস্ক, রোস্তভ অঞ্চল এবং ডনবাসের কয়েকটি শহরের কথাও বলেন। এসব সংখ্যা রুশ কর্তৃপক্ষের দেওয়া, তাই স্বাধীনভাবে যাচাই না হওয়া পর্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে দেখা দরকার।

নেবেনজিয়া আরও বলেন, কিয়েভ যুদ্ধক্ষেত্রে অবস্থান বদলাতে না পেরে বেসামরিক লক্ষ্যবস্তুতে সন্ত্রাসী হামলার দিকে যাচ্ছে। তাঁর দাবি, পশ্চিমা দেশগুলোর সরবরাহ করা অস্ত্র রুশ শহর, আবাসিক এলাকা এবং বেসামরিক অবকাঠামোতে ব্যবহৃত হচ্ছে। এই অভিযোগের মধ্য দিয়েই তিনি যুদ্ধবিরতির বিরোধিতা করেন।

রাশিয়ার বক্তব্য, সাময়িক যুদ্ধবিরতি ইউক্রেনকে পুনর্গঠনের সুযোগ দেবে এবং পশ্চিমা দেশগুলোকে নতুন করে অস্ত্র পাঠানোর সময় দেবে। তাই মস্কো বলছে, বাস্তব পরিস্থিতি উপেক্ষা করে কোনো আলটিমেটাম চাপিয়ে দিলে অর্থবহ কূটনৈতিক প্রক্রিয়া সম্ভব নয়। রাশিয়া নিজেদের যুদ্ধক্ষেত্রের উদ্যোগ ধরে রাখার দাবি করেছে।

অন্যদিকে, জার্মানিতে লেইপজিগ বিমানবন্দর ঘিরে আলাদা তদন্ত নতুন উদ্বেগ তৈরি করেছে। স্থানীয় গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, তদন্তকারীরা বিমানবন্দরের কাছে তৃতীয় একটি ড্রোন এবং প্রায় পঞ্চাশ গ্রাম সন্দেহভাজন মিলিটারি বিস্ফোরক উদ্ধার করেছেন। ঘটনাটি আগের ব্যর্থ নাশকতার সঙ্গে যুক্ত হতে পারে।

লেইপজিগ বিমানবন্দর পণ্য পরিবহন ও মিলিটারি লজিস্টিকসের গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হয়। ন্যাটো এবং ইউক্রেনের আন্তোনভ এয়ারলাইন্স এই বিমানবন্দর দিয়ে সামরিক সরঞ্জাম পরিবহন করে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। চার আগস্ট একটি বিস্ফোরক বহনকারী ড্রোন ইউক্রেনীয় কার্গো বিমানের কাছে পাওয়া যায়।

তদন্তকারীদের ধারণা, ড্রোনটি জ্বালানিতে পূর্ণ বিমানের ডানায় আঘাত করার উদ্দেশ্যে পাঠানো হতে পারে। বিস্ফোরকটি বিস্ফোরিত হয়নি। একই সময়ে আরেকটি ড্রোন ডিএইচএল কার্গো বিমানের সঙ্গে ধাক্কা খেয়ে থাকতে পারে, ফলে বিমানটি অবতরণ বাতিল করে মার্সেইয়ে চলে যায় বলে জানা গেছে।

চৌদ্দই আগস্ট বিমানবন্দরের পশ্চিমে একটি মাঠে তৃতীয় ড্রোনটি পাওয়া যায়। ফরেনসিক পরীক্ষায় হেক্সোজেনের মতো উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন বিস্ফোরকের অবশিষ্টাংশ থাকার প্রাথমিক ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। তদন্তকারীদের মতে, ঘটনার পেছনে প্রকাশ্যে জানা তথ্যের চেয়েও বড় হামলার পরিকল্পনা থাকতে পারে।

বিমানবন্দরের আশপাশে গাছের সঙ্গে লাগানো অ্যান্টেনা, ইলেকট্রনিক যন্ত্রাংশ, পোড়া মাটি এবং ধাতব টুকরোও পাওয়া গেছে বলে গণমাধ্যমের প্রতিবেদন। জার্মান কর্মকর্তারা বলেছেন, ড্রোনগুলো বিস্ফোরিত হলে বড় ধরনের বিপর্যয় ঘটতে পারত। তবে হামলার পেছনে কারা ছিল, তা এখনো সরকারিভাবে নিশ্চিত করা হয়নি।

জার্মান গোয়েন্দা সূত্রের বরাত দিয়ে কয়েকটি সংবাদমাধ্যম রুশ গোয়েন্দা সংস্থার সংশ্লিষ্টতার সন্দেহ প্রকাশ করেছে। মস্কো এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে। জার্মান সরকারও এখন পর্যন্ত রাশিয়া বা রাশিয়ার ঘনিষ্ঠ কোনো পক্ষকে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়ী করেনি। ফলে তদন্তের এই অংশ এখনো অভিযোগ ও সন্দেহের পর্যায়ে রয়েছে।

সব মিলিয়ে, কিয়েভের কাছে রুশ হামলা, বার্লিনের অপমানের অভিযোগ, জাতিসংঘে নেবেনজিয়ার কঠোর বক্তব্য এবং লেইপজিগের ড্রোন তদন্ত—একটি বড় কূটনৈতিক ছবির অংশ। রাশিয়া নিজেকে পশ্চিমা চাপের বিরুদ্ধে প্রতিরোধী শক্তি হিসেবে তুলে ধরছে, আর জার্মানি ইউক্রেন সমর্থনে আরও জড়িয়ে পড়ছে।

এই পরিস্থিতিতে ভবিষ্যৎ উত্তেজনা তিনটি পথে বাড়তে পারে। ইউক্রেনকে অস্ত্র সহায়তা নিয়ে জার্মানি ও পশ্চিমা দেশগুলোর চাপ বাড়তে পারে, রাশিয়া পাল্টা হামলা জোরদার করতে পারে, এবং ড্রোন তদন্ত নতুন অভিযোগ তৈরি করতে পারে। তবে প্রমাণিত তথ্য ও রাজনৈতিক দাবির পার্থক্য মনে রেখেই পুরো পরিস্থিতি মূল্যায়ন করা জরুরি।

Walton Ads