ইউক্রেন যুদ্ধের অজুহাতে ইউরোপের নতুন রুশ বিরোধী প্রস্তাব
জার্মানির মিউনিখে নিরাপত্তা সম্মেলন শুরু হওয়ার একদিন আগে অর্থাৎ বৃহস্পতিবার ইউরোপিয়ান পার্লামেন্টে রুশ-বিরোধী পাস হওয়া প্রস্তাবে কিয়েভকে যুদ্ধবিমান, হেলিকপ্টার এবং ক্ষেপনাস্ত্র সরবরাহের আহবান জানানো হয়েছে। স্বভাবতই তার প্রতিফলন পাওয়া যাবে মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলনেও। ইউরোপিয়ান কাউন্সিলের ওয়েবসাইটে বলা হয়েছে, ইউরোপ থেকে রাশিয়ার উপর এ পর্যন্ত নয় দফা নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে।
পার্সটুডের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইউক্রেনকে আরও বেশি অস্ত্র পাঠানোর ক্ষেত্র প্রস্তুত করতেই এই পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। কিন্তু কিয়েভকে যত বেশি অস্ত্র সরবরাহ করা হবে যুদ্ধ ততই দীর্ঘ হবে। রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন আগেই যুদ্ধ দীর্ঘস্থায়ী হওয়ার জন্য পশ্চিমা মিত্র জোটকেই দায়ি করেছেন। তিনি এমন কথাও বলেছেন, যুদ্ধ ইউরোপে ছড়িয়ে পড়তে পারে। তারপরও যুক্তরাষ্ট্র ও তার পশ্চিমা মিত্ররা ইউক্রেনকে কেন্দ্র করে রাশিয়ার বিরুদ্ধে একের পর এক পদক্ষেপ নিয়েই চলেছে। পশ্চিমা মিত্র জোট যুদ্ধ জিইয়ে রাখতে যতোটা আগ্রহী, যুদ্ধ থামানোর ব্যাপারে কোনো পদক্ষেপ নেই।
শুধু ইউরোপ নয় ইউক্রেন যুদ্ধের অজুহাতে যুক্তরাষ্ট্র রাশিয়ার বিরুদ্ধে নজিরবিহীন নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে এবং পশ্চিমা দেশগুলো সম্প্রতি হঠাৎ করেই ইউক্রেনকে অস্ত্রের চালান দেওয়ার ঘটনা বাড়িয়ে দিয়েছে। ইউরোপীয় পার্লামেন্ট একদিকে ইউক্রেনকে ক্রমাগত অস্ত্র সরবরাহ করে যুদ্ধ অবসানের পথ বন্ধ করছে। অপরদিকে ইউক্রেন যুদ্ধকে কেন্দ্র করে পারমাণবিক সংঘাতের আশঙ্কা বেড়ে যাচ্ছে বলে হুশিয়ারি দিচ্ছে এবং এ নিয়ে আলোচনারও দাবি জানাচ্ছে।
ডেইলি টেলিগ্রাফ এক প্রতিবেদনে লিখেছে, পশ্চিমারা ইউক্রেনের জন্য অস্ত্র সরবরাহ করতে সক্ষম নয়। ব্রিটিশ প্রতিরক্ষামন্ত্রীও বলেছেন: ইউক্রেনের সেনারা যদি অস্ত্র ব্যবহারে সংযত না হয় তাহলে তাদের গুলি শেষ হয়ে যাবার আশঙ্কা রয়েছে।
এনবিএস/ওডে/সি