পাকিস্তান ক্রিকেট লিগে (পিএসএল) নতুন বিপ্লব আসতে চলেছে! আগামী আসরে ফ্র্যাঞ্চাইজি দলগুলোর মধ্যে চলা মতবিরোধ মেটাতে ক্রিকেট বোর্ড এবার ভাবছে এক অভিনব ‘ড্রাকশন’ পদ্ধতি চালুর। যেখানে ড্রাফট এবং অকশন – দুইয়েরই সুবিধা মিলবে দলগুলোর কাছে।
গত শুক্রবার পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) এক গুরুত্বপূর্ণ সভায় নতুন এই খেলোয়াড় বাছাই পদ্ধতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না হলেও, দ্রুতই কোনো সমাধান আসবে বলে আশা করছে পিসিবি। নতুন এই পদ্ধতির নামই দেওয়া হয়েছে ‘ড্রাকশন’ – ‘ড্রাফট’ ও ‘অকশন’ শব্দ দুটির সমন্বয়ে।
এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার পেছনে মূল কারণ হলো হায়দরাবাদ ও শিয়ালকোট নামে দুটি নতুন ফ্র্যাঞ্চাইজি দল যোগ দিচ্ছে এবারের আসরে। এই পরিবর্তনের কারণে পুরনো দলগুলোর সাথে নতুন দলগুলোর স্বার্থের সংঘাত তৈরি হয়েছে।
পিএসএলের আগের সব আসরে শুধুমাত্র ড্রাফট পদ্ধতিতেই খেলোয়াড় বণ্টন করা হতো। কিন্তু নতুন দল দুটি চায় নিলামের মাধ্যমে বড় বাজেট খরচ করে বড় তারকা খেলোয়াড়দের কিনে নিতে। অন্যদিকে, পুরনো দলগুলো তাদের বর্তমান সেরা খেলোয়াড়দের ড্রাফট পদ্ধতিতেই ধরে রাখতে চায়।
এই জটিল পরিস্থিতিতে ‘ড্রাকশন’ হতে পারে মধ্যপন্থার সমাধান। এই প্রস্তাবিত পদ্ধতিতে, প্রথম ধাপে ড্রাফটের মাধ্যমে দলগুলো তাদের মূল কিছু খেলোয়াড় ধরে রাখতে পারবে। এরপর দ্বিতীয় ধাপে চলবে নিলাম, যেখানে বড় তারকা বা ‘আইকন’ প্লেয়ারদের জন্য দরদাম চলবে। এতে করে নতুন দলগুলোর ইচ্ছা পুরণের পাশাপাশি পুরনো দলগুলোর স্বার্থও রক্ষা পাবে।
পিসিবি গভর্নিং কাউন্সিলের সভায় এই বিষয়ে একটি ওয়ার্কিং গ্রুপও গঠন করা হয়েছে। সভায় আরও সিদ্ধান্ত হয়েছে, পিএসএলের ১১তম আসর শুরু হবে আগামী ২৬ মার্চ (বৃহস্পতিবার) থেকে।
এছাড়া, মুলতান সুলতানস ফ্র্যাঞ্চাইজিটি পরিচালনার জন্য পিসিবি এখন সেটি নিলামে তুলবে বলে ঠিক করেছে। এর আগে দলের মালিক আলী তারিন সরে দাঁড়ানোর পর পিসিবিই এটি পরিচালনা করছিল। চলতি মাসের শেষেই এই নিলামের জন্য প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।
e
