চলমান বিপিএলে সিলেট টাইটান্সের তরুণ ক্রিকেটার পারভেজ হোসেন ইমন নিজেকে তুলে ধরছেন ভিন্ন ভিন্ন ভূমিকায়। ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি উইকেটকিপিংও করছেন তিনি। প্রথম পাঁচ ম্যাচে চার নম্বরে ব্যাট করলেও পরের ম্যাচগুলোতে দলের প্রয়োজনে ওপেনিংয়ে নামতে হয়েছে তাকে।
শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) সংবাদ সম্মেলনে নিজের ভূমিকা নিয়ে ইমন বলেন, ‘আমি আসলে মাইন্ডসেটের দিকটায় বেশি মনোযোগ দিচ্ছি। প্রথম পাঁচ ম্যাচে চার নম্বরে খেলেছি, এরপর ওপেনিংয়ে ব্যাট করতে হয়েছে। দুটো জায়গাতেই খেলার অভিজ্ঞতা হয়েছে, যা আমার জন্য ভালো।’
উইকেটকিপিং নিয়েও বেশ সন্তুষ্ট ইমন। তিনি বলেন, ‘আমি কিপিংটা সত্যিই উপভোগ করছি। ডিআরএস নেওয়ার সময় ক্যাপ্টেনের সঙ্গে আলোচনা হয়, বোলারের মতামতও থাকে। অনেকদিন পর কিপিং করার সুযোগ পেয়েছি, আলহামদুলিল্লাহ—ভালো লাগছে।’
রান তাড়া করার প্রসঙ্গে ইমন জানান, ম্যাচটা খুব কঠিন ছিল না। তবে দ্বিতীয় ইনিংসে উইকেটের আচরণ বদলে যায়। ‘বল একটু বেশি বাউন্স করছিল। যদি কয়েকটা বাউন্ডারি পাওয়া যেত, তাহলে তাড়া করা আরও সহজ হতো,’ বলেন তিনি।
মঈন আলীর ব্যাটিং নিয়েও কথা বলেন ইমন। তার ভাষায়, ‘মঈন আলী যখন ব্যাট করছিল, তখন পুরো আত্মবিশ্বাস ছিল। সে ভালো খেলছিল। কিন্তু ও আউট হওয়ার পর পরিস্থিতি একটু কঠিন হয়ে যায়। আমাদের বোলাররাও একই কাজ করতে পারত, আশা করি পরের ম্যাচে তারা সফল হবে।’
মঈন আলীকে উপরের দিকে পাঠানো নিয়ে ইমন বলেন, ‘এটা পুরোপুরি দলের পরিকল্পনা। মঈন আলী অভিজ্ঞ ক্রিকেটার, অনেক ম্যাচ জিতিয়েছে। দল যেভাবে চায়, সেভাবেই তাকে ব্যাটিংয়ে পাঠানো হয়।’
এলিমিনেটর ম্যাচে সিলেট টাইটান্সের খেলা নিশ্চিত হলেও হারলেই বিদায় নিতে হবে টুর্নামেন্ট থেকে। এই চাপের বিষয়ে ইমন বলেন, ‘আমাদের লক্ষ্য অবশ্যই জেতা। তবে অতিরিক্ত চাপ নিলে নকআউট ম্যাচ আরও কঠিন হয়ে যায়। স্বাভাবিক খেলাটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।’
চলতি বিপিএলে এখনো একবারও ২০০ রান না হওয়ার বিষয়েও ব্যাখ্যা দিয়েছেন ইমন। তিনি বলেন, ‘সিলেটে অনেক ম্যাচ হয়েছে, কিন্তু একই উইকেটে খেললেও উইকেটের আচরণ একেক ম্যাচে একেকরকম ছিল। প্রথম ম্যাচে যেমন ছিল, দ্বিতীয় ম্যাচে তেমন ছিল না। শেষের দিকে সিলেটের উইকেট সাপোর্ট কম দেয়, এজন্যই হয়তো ২০০ রান হয়নি। যদিও আগে এখানে অনেক ২০০ রানের ম্যাচ হয়েছে।’
